পুজো আসছে... এই সময়টাই খুব ভালো। কত স্মৃতি জড়িয়ে রয়েছে এই সময়টা ঘিরে। এখন প্যান্ডেল বাঁধা হচ্ছে দেখলে মনটা খুশিতে ভরে ওঠে। ঠিক যেমন পুজোর শেষে ভাঙা প্যান্ডেল দেখলে মনখারাপ হয়ে যায়। পুজো আসছে, এই সময়টায় মনে হয় কবে আসবে, কবে আসবে। আর পুজো চলে এলে, তখন ঝড়ের গতিতে শেষ হয়ে যায়। পুজোর ওই চারটে দিনের জন্য বছরের বাকি দিনগুলো অপেক্ষা করতে হয়। সে জন্য অনেক আগে থেকে শপিং শুরু করে দিই। সারা বছরই কিছু না কিছু কিনি। ইতিমধ্যেই পুজোর শপিং অনেকটা হয়ে গিয়েছে। দুই বাড়ি মিলিয়ে অনেককে উপহার দেওয়ার রয়েছে এ বছর। রুবেলের (দাস, অভিনেতা) ছুটি নেই। তাই ওকে ভিডিয়ো কলে সঙ্গী করে আমি কেনাকাটা সারছি। পুজো মানেই আমার কাছে ঠাকুর দেখা, পরিবারের সকলের সঙ্গে আড্ডা, খাওয়া দাওয়া এবং অবশ্যই পুজোর উপহার। আমি এখনও পুজোর জামার লিস্ট বানাই। কোনদিন কোনটা পরব সেটা ভেবে রাখি। আর এবারের পুজো তো ভীষণ স্পেশাল। কারণ বিয়ের পর প্রথম পুজো। সব মেয়ের কাছেই বিয়ের পরের প্রথম পুজো স্পেশাল। কীভাবে কাটাব, এখন থেকেই পরিকল্পনা চলছে। ভেবে রেখেছি, পুজোর সময় চুটিয়ে মজা করব। আমি শাড়ি এবং রুবেল পাঞ্জাবি পরে একসঙ্গে মহাষ্টমীর অঞ্জলি দেব। অনেকদিন ধরে এই দিনের জন্য অপেক্ষা করছি। পুজোতে কলকাতা ছেড়ে বাইরে কোথাও যেতে একদম মন চায় না। আমাদের এখানে পুজোর যে চমক, তা অন্য কোথাও গেলে ফ্যাকাশে লাগে। দুর্গাপুজোর সময় আমার শহরে এত আলোর রোশনাই, হইহই, এত আনন্দ বাইরে কোথাও গেলে মিস হয়ে যাবে। তাই পুজোতে কলকাতাতেই থাকব এবং অবশ্যই ঠাকুর দেখব। আমি প্রত্যেক বছর ঠাকুর দেখি। এখনও আমি মাস্ক পরে লাইন দিয়ে ঠাকুর দেখি। ছোটবেলার পুজোর কথা মনে পড়ে। তখন বাবার সঙ্গে ঠাকুর দেখতে যেতাম। রিক্সা করে, বাবার হাত ধরে ঠাকুর দেখতাম। এগরোল, ফুচকা, আলুকাবলি, আইসক্রিম অবশ্যই খেতাম। এ বছরও অনেক কিছু খাব। প্রথমবার মা দুর্গাকে বরণ করব। সিঁদুর আমি আগেও খেলেছি। কিন্তু, মাকে বরণ করা হয়নি। সেই ইচ্ছে পূর্ণ হবে এই বছরে। বিয়ের পর প্রথম পুজোতে।



