পারিবারিক
পারিবারিক
‘কান-এর রেড কার্পেটে হাঁটা আমার জন্য সবচেয়ে স্মরণীয় মুহূর্ত ছিল। আমি নিজেকে লাজুক বলেই জানি। কিন্তু সেদিন ক্ষণিকের জন্য সবকিছু যেন বদলে গিয়েছিল’, নিজেকে নতুন ভাবে আবিষ্কারের গল্প শোনালেন নন্দিনী। তাঁর জীবনে বাবা-মা, বোন সবকিছু। অভিনেত্রী বলেন, ‘ওদের মুখে হাসি দেখলে মনে হয়, আমার আর কিছুই চাই না। আমি সাধারণ ছাত্রী ছিলাম। অভিনয় জগতে আসার পর বাবা-মাকে সবসময় গর্ববোধ করতে দেখেছি।’
কঠিন সময়
‘দ্য সেকেন্ড উইন্ড’ নন্দিনীর জীবনে গুরুত্বপূর্ণ ছবি। ‘এই ছবির শ্যুটিংয়ের আগে আমি পিঠে গুরুতর চোট পেয়েছিলাম। পিঠে অসহ্য যন্ত্রণা নিয়ে তিন মাস আমাকে বিছানায় শুয়ে থাকতে হয়েছিল। আমার ওজন বেড়ে গিয়েছিল। আত্মবিশ্বাস হারিয়ে ফেলেছিলাম। মনে হচ্ছিল ক্যামেরার সামনে আর দাঁড়াতে পারব না। পরিচালক ইন্দিরা আমাকে সাহস আর আত্মবিশ্বাস জোগান’, কঠিন দিনের স্মৃতিচারণ করলেন তিনি।
স্বপ্নের মেয়াদ
আজও সমাজ মনে করে, নারীর স্বপ্নের মেয়াদ একটা বয়সের পর ফুরিয়ে যায়। নন্দিনীর মতে, এই ভাবনা বদলানো উচিত। তাঁর কথায়, ‘মেয়েদের স্বপ্নের মেয়াদ কখনও নির্দিষ্ট বয়সের মধ্যে বেঁধে দেওয়া যায় না। সমাজের এই ধারণা সম্পূর্ণ ভুল। ‘দ্য সেকেন্ড উইন্ড’ ছবিতে চল্লিশোর্ধ্ব এক মা তাঁর স্বপ্নকে অনুসরণ করে। তাই নারীর স্বপ্নের কোনও সীমারেখা হয় না।’
পর্দায় সাহসী
পর্দায় সাহসী হতে নন্দিনী কতটা স্বচ্ছন্দ? স্পষ্ট বললেন, ‘থিয়েটার আমাকে অভিনেত্রী হিসেবে বহুমুখী করে তুলেছে। চিত্রনাট্যে প্রাসঙ্গিকতা থাকলে আমি সাহসী দৃশ্যে অভিনয় করব।’
দেবারতি ভট্টাচার্য, মুম্বই