বাঙালির সঙ্গে দুর্গাপুজোর গভীর সম্পর্ক। সারা বছর শুধু এই কয়েকটা দিনের জন্য অপেক্ষায় থাকা। সেই মাহেন্দ্রক্ষণ আসতে আর মাত্র কিছু সময় বাকি। জোরকদমে চলছে পুজোর প্রস্তুতি। শহর সেজে উঠছে পুজোর সাজে। পুজো মানেই চারদিকে আলোর রোশনাই, খুশির ঝলক। পুজো আসছে এই সময়টাই ভীষণ ভালো লাগে। পুজো আসলেই তো কীভাবে দিন পেরিয়ে যায় বোঝাই যায় না। আমার এ বছরের পুজো দেশ-বিদেশ মিলিয়ে কাটবে। দুর্গাপুজোয় টাইম স্কোয়ারে প্রথমবার আমি থাকছি। টাইম স্কোয়ারের পুজোর মিউজিক ভিডিওর জন্য খুব প্রশংসা পাচ্ছি। পুজোতে আমি টাইম স্কোয়ারেও থাকব, কলকাতাতেও আসব, আবার মুম্বইতেও যাব। মুম্বইতে একটি দুর্গাপুজোর ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর আমি। পুজোর ক’টা দিনও ভীষণ ব্যস্ততাতেই কাটবে। বহু বছর আগে একবার আমি পুজোর সময় চেন্নাইতে শ্যুটিং করছিলাম। পুজোর সময় কলকাতার বাইরে শ্যুটিং করতে খুব মন খারাপ হয়ে গিয়েছিল। খুঁজে খুঁজে একটা দুর্গাপুজো বের করেছিলাম। বেশ বড় করেই পুজো হচ্ছিল। সেটা দেখেই মন খুশি হয়ে গিয়েছিল। ওখানে আমি অষ্টমীর অঞ্জলি দিয়েছিলাম। ভোগ খেয়েছিলাম। বাঙালি বলেই মা দুর্গাকে ঠিক খুঁজে নিতে পেরেছিলাম। অঞ্জলি, ভোগ প্রসাদ ছাড়া বাঙালির পুজো অসম্পূর্ণ। এবার পুজোর মাঝেই আমাকে অনেক ট্রাভেল করতে হবে। কাজের মধ্যেই পুজো কেটে যাবে। তবে মনখারাপও করছে। মাকে ছাড়া প্রথম বছর পুজো। মা দুর্গা বাপের বাড়িতে আসছেন। কিন্তু আমার বাড়িতে মায়ের না থাকা মন যেন মেনে নিতে চাইছে না। কিন্তু সেটাই চরম সত্যি।



