নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: মনোরঞ্জন ভট্টাচার্যের বড় চোট। হাঁটু ফুলে ঢোল ভাস্কর গাঙ্গুলির। লিগে মহমেডান ম্যাচের আগে প্রবল চিন্তায় ইস্ট বেঙ্গল। ১৯৮৫-র ঘরোয়া লিগে প্রবল দাপট দেখাচ্ছিল মহমেডান স্পোর্টিং। প্রতিপক্ষের বক্সে ত্রাস ছড়াচ্ছেন গনগনে চিমা ওকেরি। এমন একটা ম্যাচে ইস্ট বেঙ্গল কোচ পিকে ব্যানার্জির মাথায় হাত। মনা নেই। ভাস্করেরও একই হাল। দাঁড়ানোর ক্ষমতাটুকুও নেই। ওদিকে ড্রেসিং-রুমে টেনশনে কাবু ভাস্করের বদলি। দুর্গরক্ষা করবেন কে? বেগতিক দেখে ইঞ্জেকশন নিয়ে মাঠে নামলেন ভাস্করই। বাকিটা ইতিহাস। এত বছর পরেও লাল-হলুদ সমর্থকদের মনে সেই ম্যাচের স্মৃতি টাটকা। ভাস্করের স্মৃতিচারণ, ‘একটা নয়, সেদিন দুটো ইঞ্জেকশন নিয়ে মাঠে নেমেছিলাম। পইপই করে মানা করেছিলেন ডাক্তার এমএস ঘোষ। কোনও কথা শুনিনি। ম্যাচের পর জড়িয়ে ধরেছিলেন প্রদীপদা। আজ সেই লিগের এমন করুণ অবস্থা দেখে খারাপ লাগে।’ জাতীয় দলের প্রাক্তন অধিনায়কের আক্ষেপ স্বাভাবিক। ঘরোয়া লিগের সেই উত্তেজনা, উন্মাদনা স্রেফ গল্পকথা। ভাস্করের ব্যাখ্যা, ‘ঘেরা মাঠে খেলার মজাটাই আলাদা। এটাই কেউ বুঝলেন না।’



