Bartaman Logo
৯ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

দিল্লিতে গ্রেপ্তার আইপ্যাক কর্তা, ইডির ‘অতিসক্রিয়তা’য় তোপ অভিষেকের

কয়লা পাচার মামলায় ভোট কুশলী সংস্থা আইপ্যাকের এক কর্ণধারকে দিল্লিতে গ্রেপ্তার করল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি)। সংস্থার সহ প্রতিষ্ঠাতা ভিনেশ চন্ডেলকে সোমবার দিল্লির ইডি অফিসে ডেকে পাঠানো হয়।

দিল্লিতে গ্রেপ্তার আইপ্যাক কর্তা, ইডির ‘অতিসক্রিয়তা’য় তোপ অভিষেকের
  • ১৪ এপ্রিল, ২০২৬ ১০:০৪
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: কয়লা পাচার মামলায় ভোট কুশলী সংস্থা আইপ্যাকের এক কর্ণধারকে দিল্লিতে গ্রেপ্তার করল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি)। সংস্থার সহ প্রতিষ্ঠাতা ভিনেশ চন্ডেলকে সোমবার দিল্লির ইডি অফিসে ডেকে পাঠানো হয়। কয়লা পাচার সংক্রান্ত আর্থিক লেনদেন নিয়ে তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। কিন্তু সন্তোষজনক উত্তর না মেলায় রাতেই তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয় বলে কেন্দ্রীয় সংস্থা সূত্রে খবর। প্রসঙ্গত, ২০২০ সালের মামলার প্রেক্ষিতে আচমকাই সোমবার ভিনেশকে তলব করেছিল ইডি। বাংলায় বিধানসভা নির্বাচন যখন দোরগোড়ায়, তখন ৬ বছরের পুরানো মামলায় আচমকা কেন্দ্রীয় সংস্থার অতিসক্রিয়তা কেন? এই ঘটনার নেপথ্যে বিজেপির রাজনৈতিক চক্রান্ত দেখছে রাজ্যের শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেস।

Advertisement

এই খবর সামনে আসার পরই বিজেপির বিরুদ্ধে তীব্র আক্রমণ শানিয়েছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি এক্স হ্যান্ডেলে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের উদ্দেশে সরাসরি তোপ দেগেছেন । অভিষেকের চ্যালেঞ্জ, ‘অমিত শাহ বিজেপির নেতা, জ্ঞানেশ কুমার এবং যতগুলি সংস্থাকে কাজে লাগিয়েছেন, তাঁদের সবাইকে সঙ্গে নিয়েই ৪ ও ৫ মে বাংলায় উপস্থিত থাকবেন। বাংলাকে ভয় দেখিয়ে দমানো যাবে না। বাংলার কণ্ঠ রোধ করা যাবে না এবং বাংলা কারো কাছে মাথা নত করবে না। এটি এমন এক মাটি, যা চাপের জবাব দেয় প্রতিরোধ দিয়ে। আর সেই প্রতিরোধের প্রকৃত অর্থ কী—তা বাংলা আপনাদের চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দেবে!’
বিধানসভা নির্বাচনের ঘোষণা হওয়ার আগে কলকাতায় আইপ্যাক অধিকর্তা প্রতীক জৈনের বাড়ি ও সংস্থার দপ্তরে অভিযান চালায় ইডি। এছাড়া দিল্লিতে প্রতীককে তিনবার ডেকেও পাঠানো হয়। এবার প্রতীকের অন্যতম সহকর্মীকেই গ্রেপ্তার করল তারা। 
অভিষেকের মতে, এটি কেবল একটি গ্রেপ্তারের চেয়েও অনেক বড়ো বিষয়। মূল প্রশ্নটি হল-আমাদের প্রতিষ্ঠানগুলি কি স্বাধীন থাকবে? প্রতিটি নাগরিক, তাদের রাজনৈতিক বিশ্বাস যা-ই হোক না কেন-তারা কি নির্ভয়ে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় অংশ নিতে পারবে? কারণ, একবার স্বাধীনতাকে হটিয়ে সেই জায়গা যদি ভয় দখল করে নেয়, তবে গণতন্ত্র কেবলই একটি শব্দে পরিণত হয়। এটা গণতন্ত্র নয়, স্রেফ ভীতি প্রদর্শন!

সম্পর্কিত সংবাদ