সাত বছর পর টেলিভিশনে কামব্যাক করলেন মধুমিতা সরকার। স্টার জলসার নতুন ধারাবাহিক ‘ভোলে বাবা পার করেগা’তে দেখা যাচ্ছে তাঁকে। নতুন চরিত্র থেকে বিয়ের প্রস্তুতি— আড্ডায় উঠে এল নানা কথা।
সাত বছর পর টেলিভিশনে কামব্যাক করলেন মধুমিতা সরকার। স্টার জলসার নতুন ধারাবাহিক ‘ভোলে বাবা পার করেগা’তে দেখা যাচ্ছে তাঁকে। নতুন চরিত্র থেকে বিয়ের প্রস্তুতি— আড্ডায় উঠে এল নানা কথা।
ছোটপর্দায় ফিরে কেমন ফিডব্যাক পাচ্ছেন?
মধুমিতা: লীনাদির (গঙ্গোপাধ্যায়) হাউজ ম্যাজিক মোমেন্টস আমার কাছে ঘরে ফেরার মতো। ‘কুসুম দোলা’র পর আবার লীনাদির সঙ্গে কাজ করছি। দর্শকের ভালোবাসা পাচ্ছি। ভোলে বাবার আশীর্বাদে সবটা ভালো হবে।
সাত বছরে কতটা বদলেছেন?
মধুমিতা: সময় পরিণত হতে শিখিয়েছে। সাত বছর আগে যদি এই ‘ঝিল’ চরিত্রের অফার আমার কাছে আসত, তাহলে আমি এতটা পরিণত ভাবে চরিত্রটা ফুটিয়ে তুলতে পারতাম না। ‘ঝিল’ হয়ে ওঠার জন্য প্রতিদিন নিজেকে ভাঙতে হচ্ছে। ঝিল আর মধুমিতা সম্পূর্ণ আলাদা। সাত বছর আগে এতবার নিজেকে ভাঙতে গিয়ে দিনের শেষে হয়তো হতাশ হয়ে যেতাম।
চ্যালেঞ্জিং চরিত্র বলছেন?
মধুমিতা: বেশ অনেকটাই বেগ পেতে হয়েছে। ‘ঝিল’ চরিত্রটা বাঁধা গতের বাইরে। প্রত্যেক দিন নতুন কিছু অ্যাক্টিভিটি করতে হচ্ছে। আমাদের ইউনিটের সকলের কাছেই বিষয়টা ইন্টারেস্টিং। ‘ঝিল’-এর কথা বলার কায়দা রপ্ত করতে বেগ পেতে হয়েছে। সে র্যাপ গাইছে। আমি গানের থেকে শত হস্ত দূরে। লীনাদি সেখানে র্যাপে আমার কণ্ঠ ব্যবহার করছেন। এটা বিরাট ব্যাপার। ঝিল আর মধুমিতার ব্যাকগ্রাউন্ড পুরোটাই আলাদা। আমাকে প্রচুর পড়াশোনা করতে হচ্ছে। কিন্তু, আমি খুব এনজয় করছি।
পূর্ববর্তী ধারাবাহিকের জনপ্রিয়তা বাড়তি চাপ তৈরি করে?
মধুমিতা: আগের ধারাবাহিকগুলোতে আমার হাজার শতাংশ দিয়ে পরিশ্রম করেছিলাম। সেই সাফল্যের পেছনে আমি একা নই। টিমওয়ার্ক ছিল। ‘ভোলে বাবা পার করেগা’র ক্ষেত্রেও তাই। লীনাদির অসাধারণ লেখনী বড় ভরসা। আশা করি দর্শকদের ভীষণ ভালো লাগবে।
সামনেই তো আপনার বিয়ে, প্রস্তুতি কেমন চলছে?
মধুমিতা: বিয়ের আর কয়েক মাস মাত্র বাকি। তার মধ্যেই নতুন ধারাবাহিক শুরু করলাম। খুব ব্যস্ততা রয়েছে। বিয়ের প্রস্তুতি এখনও সেভাবে শুরু হয়নি। এবার ধীরে ধীরে করতে হবে (হাসি)। ------ পূর্বাশা দাস