সদ্য মুক্তি পেয়েছে কৌশিক গঙ্গোপাধ্যায় পরিচালিত ‘আজও অর্ধাঙ্গিনী’। একান্ত সাক্ষাৎকারে সেই ছবির অভিজ্ঞতা ভাগ করে নিলেন জয়া আহসান।
সদ্য মুক্তি পেয়েছে কৌশিক গঙ্গোপাধ্যায় পরিচালিত ‘আজও অর্ধাঙ্গিনী’। একান্ত সাক্ষাৎকারে সেই ছবির অভিজ্ঞতা ভাগ করে নিলেন জয়া আহসান।
এই ছবিতে ‘আজও’ শব্দটার ব্যাখ্যা কী?
এটা বলতে গেলে গল্পে ডুব দিতে হবে অনেকখানি (হাসি)। ঠিক এক বছর আগে বর্ষার মরশুমে আমাদের ‘আজও অর্ধাঙ্গিনী’র শ্যুটিং শেষ হয়েছিল। ‘অর্ধাঙ্গিনী’ দর্শক ভালোবেসেছিলেন। সে কারণেই হয়তো ‘আজও অর্ধাঙ্গিনী’।
কোনো ছবির দ্বিতীয় পর্ব হলে চ্যালেঞ্জ কি বেশি থাকে?
প্রথমত বিষয়টা আনন্দের। সব চরিত্র আমাদের ছেড়ে চলে যায় বা আমরা তাদের ছেড়ে চলে যাই। কিন্তু কিছু চরিত্রের ক্ষেত্রে যদি আবার আমি সেই জামাটা পরার সুযোগ পাই, সেটা আনন্দের। জমিটা তৈরি হয়েই থাকে। এই ছবিতে আমার চরিত্র মেঘনার ক্ষেত্রে মনে মনে, স্মৃতিতে রিভিজিট করতে হয়েছে। মূল শিরদাঁড়া এক থাকলেও সে অনেকটা পাল্টেছে। মেঘনা এখন অনেকটা এই শহরের হয়ে উঠেছে। ঠিক যেমন করে আমি, জয়া আহসান ‘আবর্ত’-র পর থেকে অনেকটা কলকাতার হয়ে উঠেছি (হাসি)।
নারী কি সত্যিই অর্ধাঙ্গিনী?
আমি তো নারী কনসেপ্টেই বিশ্বাস করি না। ব্যক্তি মানুষে বিশ্বাস করি। আত্মার সঙ্গে আত্মার সম্পর্কে বিশ্বাস করি। সিনেমার প্রয়োজনে সে ‘অর্ধাঙ্গিনী’। আমার মনে হয়, কৌশিকদাও ট্যাবুটা ভাঙতে চেয়েছেন।
ছবিতে স্বামীর প্রাক্তন স্ত্রীর সঙ্গে বর্তমান স্ত্রীর যে অন্যধারার সম্পর্ক, সেটা বাস্তবে দেখেছেন কখনো?
বাস্তবে কেন সম্ভব নয়? আমি কিছু এমন সম্পর্ক দেখেছি। তাঁরা হয়তো আলাদা হয়ে গিয়েছেন। কিন্তু সময়টা তো মিথ্যে নয়। মানুষ হিসেবে একে অপরের প্রতি শ্রদ্ধা তো থাকবেই। তার মূল্য দিতেই হবে। অতীত এবং বর্তমান, এই দু’জনের যে স্ট্রাকচারে সমাজ বিশ্বাস করে, অন্য রকম রসায়নের সম্পর্ক বলে মনে করেন যাঁরা, তাঁদের অন্য ভাবে ভাবতে শিখিয়েছে ‘অর্ধাঙ্গিনী’। সেই কাজটাই আরও খানিক এগিয়ে দেবে এই ছবি।
মেঘনার মাতৃত্বের জার্নি দেখে অন্য মেয়েরা সাহস পাবেন?
(স্মিত হাসি) আমি শুধু এটুকু বলব, এ বিষয়ে প্রতিটি মেয়ের আরও সহনশীল, সাহসী, দূরদর্শী হওয়া উচিত। যে কোনো কিছু ভেবে সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত।
নিজস্ব প্রতিনিধি