দুবাই: ভারতের বিরুদ্ধে টি-২০ ফরম্যাটে ১২টি ম্যাচে হেরেছে পাকিস্তান। জিতেছে মাত্র তিনটিতে। এই পরিসংখ্যান নিয়েই খোঁচা দিয়েছিলেন ভারত অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদব। পাকিস্তানের বাঁ-হাতি পেসার শাহিন শাহ আফ্রিদি অবশ্য তা গায়ে মাখছেন না। মঙ্গলবার শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে সুপার ফোরের ম্যাচ জেতার পর পাক জোরে বোলারের হুঙ্কার, ‘এটা সূর্যর মতামত। ওকে বলতে দিন। যখন ভারতের মুখোমুখি হব (সম্ভবত রবিবার এশিয়া কাপের ফাইনালে) তখন দেখে নেব। আমরা এশিয়া কাপ জিততে এসেছি। আর তার জন্য সেরাটা উজাড় করে দেব।’ উল্লেখ্য, বৃহস্পতিবার সুপার ফোরে অঘোষিত সেমি-ফাইনালে বাংলাদেশের মুখোমুখি হচ্ছে পাকিস্তান। জয়ী দল রবিবার ভারতের বিরুদ্ধে ফাইনাল খেলবে।
এশিয়া কাপে সলমন আগা ব্রিগেডের সঙ্গে হাত মেলাচ্ছে না টিম ইন্ডিয়া। দু’বারের সাক্ষাতে কোনওবারই ম্যাচের আগে বা পরে বিপক্ষ ক্যাপ্টেনের সঙ্গে করমর্দন করেননি সূর্য। ভারতীয় ক্রিকেটাররাও করেননি সৌজন্য বিনিময়। সূর্যর মুখে প্রথম ম্যাচে জেতার পর শোনা গিয়েছিল পহেলগাঁওয়ে নিহতদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা। সেই জয় ভারতীয় সেনাবাহিনীকে উৎসর্গ করেন তিনি। গত রবিবার পাকিস্তান ম্যাচের নায়ক অভিষেক শর্মা আবার বলেন, প্রতিপক্ষ এত বাড়াবাড়ি করছিল যে শিক্ষা দেওয়া জরুরি হয়ে পড়েছিল। পাক পেসার হ্যারিস রউফ আবার যুদ্ধবিমান নামানোর মতো হাতের ভঙ্গিতে বিদ্রুপ করেন ভারতীয় সমর্থকদের। ওপেনার সাহিবজাদা ফারহানও উত্তাপ বাড়িয়েছেন গান-সেলিব্রেশনে।
দুই দেশের ক্রিকেটারদের মধ্যে উত্তেজনার ফুলকির কারণ কী? প্রশ্নের মুখে পড়েন শাহিন। এড়িয়ে গিয়ে তিনি জানতে চান, ‘কেয়া চল রহা হ্যায়?’ তারপর হ্যারিস ও ফারহানের আচরণ নিয়ে বলেন, ‘আমাদের কাজ ক্রিকেট খেলা। এবার যে যার মতো করে ভাবতেই পারেন। এশিয়া কাপে চ্যাম্পিয়ন হওয়াই আমাদের একমাত্র লক্ষ্য।’ কিন্তু এমন আগ্রাসী হাবভাব কেন? শাহিনের উত্তর, ‘আগ্রাসন দেখানোর কোনও নির্দিষ্ট পরিকল্পনা ছিল না। তবে এমন আগ্রাসী মেজাজেই তো বরাবর খেলি আমরা। এভাবেই খেলতে হয় ক্রিকেট। আমাদের দলে সবার আত্মবিশ্বাসও তুঙ্গে।’