গ্লাসগো: কমনওয়েলথ গেমসে পদকের খাতা খুলল ভারত। সৌজন্যে ঝান্ডু কুমার। শনিবার পুরুষদের হেভিওয়েট প্যারা পাওয়ারলিফটিং ইভেন্টে ব্রোঞ্জ জিতলেন বিহারের এই ক্রীড়াবিদ। ঝান্ডুর স্কোর ১৩০.৯ পয়েন্ট। মাত্র ০.১ পয়েন্টের জন্য রুপো হাতছাড়া হয় ভারতীয় প্যারা পাওয়ারলিফটারের। নাইজেরিয়ার রিলুওয়ান ইদ্রিস ১৩২.৮ স্কোর করে সোনা জেতেন। আর ইংল্যান্ডের ম্যাথিউ হার্ডিং ১৩১.০ পয়েন্ট নিয়ে রুপো পান।
গ্লাসগো গেমসে দেশকে প্রথম পদক এনে দেওয়ার পর চোখের জল সামলাতে পারলেন না ঝান্ডু। আসলে তাঁর সাফল্যের আড়ালে রয়েছে দীর্ঘ জীবন সংগ্রামের কাহিনি। সংসার টানতে ই-রিকশা চালানো থেকে সবজি বিক্রি, কী করেননি ২৯ বছরের প্যারা পাওয়ারলিফটার! সেখান থেকে কমনওয়েলথ গেমসের পোডিয়ামে। পদক জয়ের পর আবেগতাড়িত ঝান্ডু বলেন, ‘আমি ই-রিকশা চালিয়েছি, সবজি বিক্রি করেছি। সংসারের খরচ সামলাতে অনেক কষ্ট করতে হয়েছে। কিন্তু কখনও স্বপ্ন ছাড়িনি।’ বিহারের নালন্দা জেলার হারনৌত এলাকার বাসিন্দা তিনি। মাত্র পাঁচ বছর বয়সে পোলিও আক্রান্ত হন। সেই থেকে হুইলচেয়ারই সঙ্গী। তবে শারীরিক প্রতিবন্ধকতা তাঁর স্বপ্নকে থামাতে পারেনি।
এদিকে, সাঁতারে পুরুষদের ৫০ মিটার ব্যাকস্ট্রোকের সেমি-ফাইনালে পৌঁছেছেন শ্রীহরি নটরাজ। রবিবার হাই জাম্পে সোনা জয়ের লক্ষ্যে নামবেন সর্বেশ কুশার। বক্সিংয়ে পুরুষদের ৬০ কেজি বিভাগে প্রি কোয়ার্টার-ফাইনালে পৌঁছেছেন শচীন সিয়াচ। লন বলে পদকের স্বপ্ন দেখাচ্ছেন রুপা ও পিঙ্কি। অন্যদিকে, প্রথম ভারতীয় হিসেবে ওয়ার্ল্ড জুনিয়র স্কোয়াশ চ্যাম্পিয়নশিপ জিতে ইতিহাস গড়লেন অনাহত সিং। কানাডায় খেতাবি লড়াইয়ে মিশরের রুকাইয়া সালেমকে ১১-৩, ১১-৭, ১১-৯ ব্যবধানে হারিয়ে বাজিমাত করেন তিনি।