Bartaman Logo
৯ জুন, ২০২৬
বর্তমান / খেলা

হেড-ক্লাসেন ঝড়ে জয়ী হায়দরাবাদ

কুইন্টন ডি’কক কবজিতে চোট না পেলে বুধবার খেলারই কথা নয় রায়ান রিকেলটনের। ডাগ আউটে বসাই ছিল ভবিতব্য।

হেড-ক্লাসেন ঝড়ে জয়ী হায়দরাবাদ
  • ৩০ এপ্রিল, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

মুম্বই: কুইন্টন ডি’কক কবজিতে চোট না পেলে বুধবার খেলারই কথা নয় রায়ান রিকেলটনের। ডাগ আউটে বসাই ছিল ভবিতব্য। কিন্তু পড়ে পাওয়া সুযোগ কাজে লাগিয়ে শতরান হাঁকালেন প্রোটিয়া ওপেনার। ৫৫ বলে তাঁর ১২৩ রানের সুবাদে সানরাইজার্স হায়দরাবাদের বিরুদ্ধে ২৪৩-৫ তুলল মুম্বই ইন্ডিয়ান্স। তবে বোলারদের ব্যর্থতায় বিফলে গেল তাঁর দুরন্ত শতরান। ২৪৪ রান তাড়া করতে নেমে ৮ বল বাকি থাকতেই ৬ উইকেটে জয় ছিনিয়ে নিল হায়দরাবাদ (২৪৯-৪)। ট্রাভিস হেড (৭৬), হেনরিখ ক্লাসেন (অপরাজিত ৬৫), অভিষেক শর্মাদের (৪৫) ঝোড়ো ব্যাটিংয়ের সামনে খড়কুটোর মতো উড়ে গেল মুম্বই। সেই সুবাদে ৯ ম্যাচে ১২ পয়েন্ট নিয়ে লিগ টেবিলে তিন নম্বরে উঠল তারা। আর হেরে নবম স্থানেই রইল মুম্বই।

Advertisement

এবারের আইপিএলের শুরুটা দারুণ করেছিলেন রিকেলটন। কলকাতার বিরুদ্ধে আসে ৮১। কিন্তু পরের চার ম্যাচের তিনটিতেই দশের গণ্ডি টপকাতে পারেননি। তাঁর জায়গায় নেমেই সেঞ্চুরি করেন ডি’কক। কিন্তু বুধবার ফের সুযোগ পেতেই অপরাজিত ১২৩ রানের ইনিংস খেলেন রিকেলটন। যা মুম্বইয়ের হয়ে সর্বাধিক ব্যক্তিগত স্কোর। টপকে গেলেন ২০০৮ সালে সনৎ জয়সূর্যের অপরাজিত ১১৪ রানকে। রোহিত শর্মা এদিনও খেলেননি। ফলে মুম্বইয়ের হয়ে ওপেন করেন উইল জ্যাকস (৪৬) ও রিকেলটন। দু’জনে প্রথম উইকেটে ৭.১ ওভারে তোলেন ৯৩। সূর্যকুমার (৫), তিলক ভার্মা (৭), নমন ধীর (২২) বেশিক্ষণ স্থায়ী হতে পারেননি। ঝোড়ো ইনিংস খেলেন হার্দিক (৩১)। সানরাইজার্সের সফলতম বোলার প্রফুল হিঞ্জ (২-৫৪)।
রান তাড়া করতে নেমে শুরু থেকে ঝড় তোলেন অভিষেক শর্মা ও ট্রাভিস হেড। ৬.৩ ওভারে শতরানের গণ্ডি টপকায় সানরাইজার্স। মাত্র ২০ বলে অর্ধশতরান পূর্ণ করেন অজি ওপেনার। ১২৯ রান অবশেষে ভাঙে হেড-অভিষেক জুটি। দশম ওভারে পরপর দু’বলে উইকেট নিয়ে মুম্বইকে লড়াইয়ে ফেরান গজনফর। অভিষেকের পর শূন্য রানেই ফেরে ঈশান। পরের ওভারে হেডকে ফেরান হার্দিক। তবে তাতে হায়দরাবাদের রানের গতিতে কোনও প্রভাব পড়েনি। চতুর্থ উইকেটে ৮০ রানের পার্টনারশিটে দলকে জয়ের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেন হেনরিখ ক্লাসেন ও নীতীশ কুমার রেড্ডি (২১)। মাত্র ১০ বলে ৩০ রানে অপরাজিত থাকেন সালিল অররা। এদিন আরও একবার বল হাতে চূড়ান্ত ব্যর্থ বুমরাহ। 

সম্পর্কিত সংবাদ