হায়দরাবাদ: জমে উঠেছে আইপিএল। প্লে-অফের অংক কষাও চলছে জোর কদমে। তবে কিছু দলের লক্ষ্য শুধু শেষ চারে থাকা নয়, প্রথম ও দ্বিতীয় স্থান অর্জন করাও। যাতে সরাসরি ফাইনালে ওঠার সুযোগ কাজে লাগানো যায়।
হায়দরাবাদ: জমে উঠেছে আইপিএল। প্লে-অফের অংক কষাও চলছে জোর কদমে। তবে কিছু দলের লক্ষ্য শুধু শেষ চারে থাকা নয়, প্রথম ও দ্বিতীয় স্থান অর্জন করাও। যাতে সরাসরি ফাইনালে ওঠার সুযোগ কাজে লাগানো যায়।
এক্ষেত্রে পাঞ্জাব কিংস কিছুটা এগিয়ে। ৯টি খেলে শ্রেয়স আয়ারদের ঝুলিতে ১৩ পয়েন্ট। বুধবার সানরাইজার্স হায়দরাবাদকে হারালে প্লে-অফের সম্ভাবনা আরও জোরালো হবে। মজবুত হবে শীর্ষস্থানও। তবে এক নম্বরে উঠে আসার সুযোগ রয়েছে হায়দরাবাদের সামনেও। ঘরের মাঠে পাঞ্জাবকে বশ মানাতে পারলে ১১ ম্যাচে কামিন্স বাহিনীর পয়েন্ট দাঁড়াবে ১৪। তাই রোমাঞ্চকর লড়াইয়ের অপেক্ষায় ক্রিকেট মহল।
ঘরের মাঠে খেলার বাড়তি সুবিধা পাবে হায়দরাবাদ। তাছাড়া ব্যাটিংও খুবই শক্তিশালী। পাঞ্জাবের বোলারদের কাজটা সহজ হবে না। দুই ওপেনার ট্রাভিস হেড ও অভিষেক শর্মা পাওয়ার প্লে’তেই যতটা সম্ভব বেশি রান যোগ করার চেষ্টা করেন। তারপর রয়েছেন ঈশান কিষান, হেনরিখ ক্লাসেনের মতো মারকুটে ব্যাটার। কিন্তু শুরুতে কয়েকটা উইকেট পড়ে গেলে চাপ সামলানোর মতো ক্রিকেটার নেই মিডল অর্ডারে। অধিকাংশই নতুন মুখ। কামিন্স ফেরায় বোলিং অবশ্য শক্তিশালী হয়েছে সানরাইজার্সের। তবে ধারাবাহিকতার অভাব রয়েছে। গত ম্যাচে কেকেআরের বিরুদ্ধে এহসান মলিঙ্গারা হতাশ করেছেন। তাই বোলিংয়ে পরিবর্তনের সম্ভাবনা প্রবল। হার্শল প্যাটেল ও সাকিব হুসেনের উপরও নজর থাকবে।
অন্যদিকে, পাঞ্জাব কিংসও খুব একটা স্বস্তিতে নেই। একটা সময় তারা ৭টি ম্যাচে অপরাজিত ছিল। কিন্তু শেষ দু’টি ম্যাচ হেরে শ্রেয়স বাহিনী চাপে রয়েছে। আসলে ওপেনার প্রিয়াংশ আর্য ও প্রভসিমরন সিংয়ের উপর অনেক কিছু নির্ভর করছে। দুই ব্যাটার শুরুতে ঝড় তুলতে সক্ষম। পরের দিকে কুপার কনোলি, শ্রেয়স আয়ার বড় ভরসা। অলরাউন্ডার মার্কাস স্টোইনিস ম্যাচ উইনার। বোলিংয়ে পাঞ্জাব কিছুটা এগিয়ে। ব্রাটলেট, অর্শদীপ সিং, মার্কো জানসেনের মতো পেসার রয়েছে দলে। হাত ঘোরাবেন স্টোইনিসও। স্পিনার যুজবেন্দ্র চাহাল উইকেট থেকে সুবিধা পেলে জ্বলে উঠতে পারেন।