Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

অনুদান পেতে পুজো কমিটির ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট খোলার হিড়িক নদীয়ায়

পুজোর সরকারি অনুদান পাওয়া নিয়ে সমস্যায় বেশিরভাগ কমিটি। কারণ এবছরের একটি নির্দেশ। যে নির্দেশে বলা হয়েছে পুজো কমিটির নামে অনুদানের চেক ইস্যু হবে।

অনুদান পেতে পুজো কমিটির ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট খোলার হিড়িক নদীয়ায়
  • ৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, তেহট্ট : পুজোর সরকারি অনুদান পাওয়া নিয়ে সমস্যায় বেশিরভাগ কমিটি। কারণ এবছরের একটি নির্দেশ। যে নির্দেশে বলা হয়েছে পুজো কমিটির নামে অনুদানের চেক ইস্যু হবে। অতএব পুজো কমিটির নামে ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট করতে হবে। আগে কমিটির সেক্রেটারির নামে এই চেক ইস্যু হতো। যে নামে চেক ইস্যু হতো সেই ব্যক্তির অ্যাকাউন্টে টাকা ঢুকত। এবার তা না হওয়ায় ব্যাঙ্কে ছুটতে হচ্ছে পুজো কমিটিগুলির সদস্যদের। পুজো কমিটিগুলির নামে অ্যাকাউন্ট করার হিড়িক পড়ে গিয়েছে।  

Advertisement

প্রশাসন সুত্রে জানা গিয়েছে, প্রতিবারের মতো এবারও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার দুর্গাপুজোয় রাজ্যের  পুজো কমিটিগুলিকে অর্থ সাহায্য করছে। এবার ১ লক্ষ ১০ হাজার টাকা অনুদান পাচ্ছে পুজো কমিটিগুলি। অন্যবার এই চেক পুজো কমিটির সেক্রেটারির নামে ইস্যু হতো। তাতে নানা ধরনের সমস্যা দেখা দিত। কোনও কোনও পুজো কমিটির সেক্রেটারি বদলে যায়। অথচ তাঁরা সেটা প্রশাসনকে জানায় না। ফলে দেখা যায় আগের সেক্রেটারির নামেই চেক ইস্যু হয়ে গিয়েছে। সেই চেক নিয়ে গিয়ে যার নামে ইস্যু তাঁর অ্যাকাউন্টে জমা করতে হয়। অনেক ক্ষেত্রে দেখা গিয়েছে যে সেই টাকা পেতে পুজোকমিটিগুলির অনেক দেরি হয়ে গিয়েছে। এতে অনেক পুজো কমিটি সমস্যায় পড়েছে। এবার যাতে সেই সমস্যা না হয় তার জন্য প্রশাসন পুজো কমিটির নামে চেক ইস্যু করবে। ফলে অনুদানপ্রাপ্ত সব পুজো কমিটিকেই ব্যাঙ্কে অ্যাকাউন্ট খুলতে হবে। 
ব্যাঙ্কে অ্যাকাউন্ট খুলতে গিয়ে বেশ কিছু সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছে নদীয়ার পুজো কমিটিগুলো। ব্যাঙ্ক থেকে তাঁদের কাছে জমির কাগজ, রেজিস্ট্রেশন সহ অনেক কিছু  নথি চাইছে। যা সব পুজো কমিটির পক্ষে দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। অনেক পুজো কমিটির নিজস্ব জায়গা নেই। অনেকের আবার রেজিস্ট্রেশন নেই। এই নিয়ে সমস্যায় পড়েছেন উদ্যোক্তারা। 
তেহট্ট হাইস্কুল পাড়া পুজো কমিটির সেক্রেটারি কাজল চট্টোপাধ্যায় বলেন, ব্যাঙ্কে অ্যাকাউন্ট খুলতে সমস্যা হচ্ছে। এবার হয়তো অ্যাকাউন্ট খুলতেই পারবো না। এই সিদ্ধান্ত খুব ভালো। কিন্তু প্রশাসন আগে পুজো কমিটিগুলিকে বলে দিলে সমস্যায় পড়তে হতো না। তবে প্রশাসন যদি এলাকার ব্যাঙ্কগুলির সঙ্গে বসে পুজো কমিটির অ্যাকাউন্ট খোলার জন্য অনুরোধ করে তা হলে আমাদের কাছে বিষয়টি সহজ হয়।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ