সৌগত গঙ্গোপাধ্যায়, কলকাতা:
Advertisement
ইস্ট বেঙ্গল- ১ : ওড়িশা- ২
(লালচুংনুঙ্গা) (জেরি, বোমাস)
‘সংখ্যালঘুর রক্ত, মুছে ফেললেই চলবে? দেশান্তরীর স্মৃতিগুলো সব, ঢাকতে তুমি কি পারবে?’ বাংলাদেশে আক্রান্ত সংখ্যালঘুদের সমর্থনে বৃহস্পতিবার গ্যালারিতে জ্বলজ্বল করছিল এই টিফো। লড়াই তো লাল-হলুদের রক্তে। বৃহস্পতিবার যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গানে ওড়িশার বিরুদ্ধে মরিয়া লড়াই চালাল অস্কার ব্রুজোঁ-ব্রিগেড। কিন্তু শেষরক্ষা হল না! ঘরের মাঠে ওড়িশার কাছে ১-২ গোলে বশ মানল ১০ জনের ইস্ট বেঙ্গল। ম্যাচে লালচুংনুঙ্গার গোলে লিড নেয় লাল-হলুদ ব্রিগেড। ওড়িশায় হয়ে জাল কাঁপান জেরি ও হুগো বোমাস। ১২ ম্যাচে ১৯ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলে তৃতীয় স্থানে উঠে এল সের্গিও লোবেরা ব্রিগেড। আর ইস্ট বেঙ্গল রইল ১১ নম্বরে (১০ ম্যাচে ৭ পয়েন্ট)।
জয়ের হ্যাটট্রিকের লক্ষ্যে এদিন ৪-২-৩-১ ফর্মেশনে দল সাজিয়েছিলেন ইস্ট বেঙ্গল কোচ ব্রুজোঁ। কিন্তু চতুর্থ মিনিটে ধাক্কা খায় লাল-হলুদ ব্রিগেড। বোমাসের সঙ্গে বল দখলের লড়াইয়ে হাঁটুতে চোট পান মাধি তালাল। আশঙ্কা করা হচ্ছে চোট যথেষ্ট গুরুতর। তাঁকে দীর্ঘদিন মাঠের বাইরে থাকতে হতে পারে।
একেই দিয়ামানতাকোস আর সাউল ক্রেসপোকে ছাড়াই এদিন মাঠে নেমেছিল ইস্ট বেঙ্গল। তারউপর ফরাসি মিডিওর চোট কোচ অস্কারের যাবতীয় পরিকল্পনায় জল ঢেলে দেয়। তবে সঙ্গে সঙ্গে প্ল্যান বি’তে হাঁটেন তিনি। নন্দ কুমারকে নামিয়ে ফিডারের পজিশনে পাঠিয়ে দেন নাওরেমকে। প্রথমার্ধে দু’দলই বেশ কিছু সুযোগ তৈরি করে। ৩৬ থেকে ৩৮ মিনিটের মধ্যে দু’বার ওড়িশার শট ক্রসবারে ধাক্কা খায়। এরইমধ্যে ৪৩ মিনিটে ডিয়েগো মরিসিওর প্লে-অ্যাক্টিংয়ের ফাঁদে পড়ে ম্যাচে দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখেন জিকসন। বিরতির আগে ১০ জন হয়ে পড়ে ইস্ট বেঙ্গল। লাল-হলুদ শিবির কাঠগড়ায় তুলছে রেফারিকে।
দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে বিষ্ণুকে তুলে নিশু কুমারকে নামান ইস্ট বেঙ্গল কোচ। এই পর্বে মরিয়া আক্রমণ চালান ক্লেটনরা। ফলও মেলে হাতেনাতে। ৫৩ মিনিটে কর্নার থেকে নাওরেমের বাড়ানো বল ওড়িশা গোলরক্ষকের গায়ে লেগে হিজাজির পায়ে আসে। কিন্তু জর্ডনের ডিফেন্ডারের শট ফের অমরিন্দর রুখে দিলেও বিপন্মুক্ত করতে পারেননি। ফিরতি বল জালে জড়ান লালচুংনুঙ্গা (১-০)। এই লিড যদিও দীর্ঘস্থায়ী হয়নি। দু’মিনিটের মধ্যেই জেরি মাউইহমিংথাঙ্গা সমতায় ফেরান ওড়িশাকে (১-১)। এরপর আনুপাতিক সংখ্যাগরিষ্ঠতার সুযোগ কাজে লাগিয়ে ম্যাচে চাপ বজায় রাখে ওড়িশা। লড়াই চালিয়েও শেষ রক্ষা হয়নি লাল-হলুদের। ৮১ মিনিটে বাঁ দিকে আনোয়ারকে মাটি ধরিয়ে বক্সে বোমাসকে বল সাজিয়ে দিলেন মরিসিও। লক্ষ্যভেদে ভুল হয়নি মোহন বাগান প্রাক্তনীর (২-১)।
ইস্ট বেঙ্গল: প্রভসুখন, রাকিপ, আনোয়ার, হিজাজি, লালচুংনুঙ্গা, জিকসন, শৌভিক, মহেশ (ডেভিড), তালাল (নন্দ), বিষ্ণু (নিশু) ও ক্লেটন।
(লালচুংনুঙ্গা) (জেরি, বোমাস)
‘সংখ্যালঘুর রক্ত, মুছে ফেললেই চলবে? দেশান্তরীর স্মৃতিগুলো সব, ঢাকতে তুমি কি পারবে?’ বাংলাদেশে আক্রান্ত সংখ্যালঘুদের সমর্থনে বৃহস্পতিবার গ্যালারিতে জ্বলজ্বল করছিল এই টিফো। লড়াই তো লাল-হলুদের রক্তে। বৃহস্পতিবার যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গানে ওড়িশার বিরুদ্ধে মরিয়া লড়াই চালাল অস্কার ব্রুজোঁ-ব্রিগেড। কিন্তু শেষরক্ষা হল না! ঘরের মাঠে ওড়িশার কাছে ১-২ গোলে বশ মানল ১০ জনের ইস্ট বেঙ্গল। ম্যাচে লালচুংনুঙ্গার গোলে লিড নেয় লাল-হলুদ ব্রিগেড। ওড়িশায় হয়ে জাল কাঁপান জেরি ও হুগো বোমাস। ১২ ম্যাচে ১৯ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলে তৃতীয় স্থানে উঠে এল সের্গিও লোবেরা ব্রিগেড। আর ইস্ট বেঙ্গল রইল ১১ নম্বরে (১০ ম্যাচে ৭ পয়েন্ট)।
জয়ের হ্যাটট্রিকের লক্ষ্যে এদিন ৪-২-৩-১ ফর্মেশনে দল সাজিয়েছিলেন ইস্ট বেঙ্গল কোচ ব্রুজোঁ। কিন্তু চতুর্থ মিনিটে ধাক্কা খায় লাল-হলুদ ব্রিগেড। বোমাসের সঙ্গে বল দখলের লড়াইয়ে হাঁটুতে চোট পান মাধি তালাল। আশঙ্কা করা হচ্ছে চোট যথেষ্ট গুরুতর। তাঁকে দীর্ঘদিন মাঠের বাইরে থাকতে হতে পারে।
একেই দিয়ামানতাকোস আর সাউল ক্রেসপোকে ছাড়াই এদিন মাঠে নেমেছিল ইস্ট বেঙ্গল। তারউপর ফরাসি মিডিওর চোট কোচ অস্কারের যাবতীয় পরিকল্পনায় জল ঢেলে দেয়। তবে সঙ্গে সঙ্গে প্ল্যান বি’তে হাঁটেন তিনি। নন্দ কুমারকে নামিয়ে ফিডারের পজিশনে পাঠিয়ে দেন নাওরেমকে। প্রথমার্ধে দু’দলই বেশ কিছু সুযোগ তৈরি করে। ৩৬ থেকে ৩৮ মিনিটের মধ্যে দু’বার ওড়িশার শট ক্রসবারে ধাক্কা খায়। এরইমধ্যে ৪৩ মিনিটে ডিয়েগো মরিসিওর প্লে-অ্যাক্টিংয়ের ফাঁদে পড়ে ম্যাচে দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখেন জিকসন। বিরতির আগে ১০ জন হয়ে পড়ে ইস্ট বেঙ্গল। লাল-হলুদ শিবির কাঠগড়ায় তুলছে রেফারিকে।
দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে বিষ্ণুকে তুলে নিশু কুমারকে নামান ইস্ট বেঙ্গল কোচ। এই পর্বে মরিয়া আক্রমণ চালান ক্লেটনরা। ফলও মেলে হাতেনাতে। ৫৩ মিনিটে কর্নার থেকে নাওরেমের বাড়ানো বল ওড়িশা গোলরক্ষকের গায়ে লেগে হিজাজির পায়ে আসে। কিন্তু জর্ডনের ডিফেন্ডারের শট ফের অমরিন্দর রুখে দিলেও বিপন্মুক্ত করতে পারেননি। ফিরতি বল জালে জড়ান লালচুংনুঙ্গা (১-০)। এই লিড যদিও দীর্ঘস্থায়ী হয়নি। দু’মিনিটের মধ্যেই জেরি মাউইহমিংথাঙ্গা সমতায় ফেরান ওড়িশাকে (১-১)। এরপর আনুপাতিক সংখ্যাগরিষ্ঠতার সুযোগ কাজে লাগিয়ে ম্যাচে চাপ বজায় রাখে ওড়িশা। লড়াই চালিয়েও শেষ রক্ষা হয়নি লাল-হলুদের। ৮১ মিনিটে বাঁ দিকে আনোয়ারকে মাটি ধরিয়ে বক্সে বোমাসকে বল সাজিয়ে দিলেন মরিসিও। লক্ষ্যভেদে ভুল হয়নি মোহন বাগান প্রাক্তনীর (২-১)।
ইস্ট বেঙ্গল: প্রভসুখন, রাকিপ, আনোয়ার, হিজাজি, লালচুংনুঙ্গা, জিকসন, শৌভিক, মহেশ (ডেভিড), তালাল (নন্দ), বিষ্ণু (নিশু) ও ক্লেটন।



