Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

হাত-পা চেপে ধরে খুন করতে সাহায্য করেছিল ধৃতের স্ত্রীও!

হাত-পা চেপে ধরে খুন করতে সাহায্য করেছিল ধৃতের স্ত্রীও!
  • ১৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫ ০০:০০
Prefer us on Google
নিজস্ব প্রতিনিধি, বারাসত: দত্তপুকুর খুন কাণ্ডে পুলিসের কাছে চাঞ্চল্যকর দাবি করল ধৃত মাস্টারমাইন্ড মহম্মদ জলিল গাজি। পুলিস জেনেছে, জলিল যখন গলার নলি কাটছিল, তখন হজরত লস্করের হাত-পা চেপে ধরেছিল তার স্ত্রী সুফিয়া বিবি। এরপর ওই মুণ্ড বাগানবাড়িতে নিয়ে যায় তারা। সেই বাগানবাড়ির পাশেই লুকানো আছে মাথা। রবিবার ধৃত জলিলকে বারাসত আদালতে পেশ করা হলে ১২ দিনের পুলিস হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছেন বিচারক। পাশাপাশি ওবাইদুলের তিনদিন ও পূজার ১৪ দিনের জেল হেফাজত হয়েছে। এদিকে, জলিলের বয়ানে নিশ্চিত হতে পারছে না পুলিস। তার বয়ান সঠিক কি না, তা নিশ্চিত করতে সোমবার ওই এলাকায় পুলিসের একটা টিম গিয়ে তল্লাশি চালাবে। তল্লাশি ইতিবাচক হলে ধৃত জলিলকে নিয়ে বাগানবাড়িতে গিয়ে হজরত লস্করের কাটা মুণ্ডর হদিশ করবে পুলিস।
Advertisement
উল্লেখ্য, ৩ ফেব্রুয়ারি সকালে দত্তপুকুরের বাজিতপুরে উদ্ধার হয় হজরত লস্করের মুণ্ডহীন দেহ। খুনের পর কেটে গিয়েছে ১৩ দিন। কাটা মুণ্ড যদি মাটির নীচে থাকে, সেক্ষেত্রে তদন্তে সমস্যায় পড়তে পারে পুলিস। মুণ্ড উদ্ধার ছাড়া খুনের মামলা দুর্বল হয়ে পড়বে। এর ফাঁকে অভিযুক্তরা জামিন পেয়ে যাবে। তাই, পুলিস দ্রুত হজরতের মুণ্ডর হদিশ পেতে চাইছে।
এদিকে, তদন্তকে বিভ্রান্ত করতে একেক সময় একেক কথা বলছে জলিল। তার কথায়, সে ঘটনাস্থলে ছিল না। আবার কখনও বলেছে, চক্রের সঙ্গে দু’জন বাংলাদেশের লোক ছিল। তাই হেফাজতে নেওয়ার পর রবিবার রাতে ধৃত জলিলকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছেন পুলিসের শীর্ষকর্তারা। তদন্তকারীরা আরও জেনেছেন, দুষ্কর্মের পাশাপাশি মহিলাদের সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপনের নেশা ছিল হজরতের। একাধিক বিয়ে ছাড়াও অনেক মহিলার সঙ্গে সম্পর্ক ছিল। দুষ্কর্মের টাকার ভাগ-বাটোয়ারা ছাড়াও হজরত খুনের সঙ্গে ত্রিকোণ প্রেমের সম্পর্ক থাকতে পারে। 
এ প্রসঙ্গে বারাসত পুলিস জেলার সুপার প্রতীক্ষা ঝাড়খড়িয়া বলেন, কাটা মুণ্ডটি বাগানবাড়ির কাছেই রাখা আছে বলে জানিয়েছে জলিল। সেই মতো আজ, সোমবার পুলিস গিয়ে এলাকায় তল্লাশি চালাবে। আশা করছি, দ্রুত ওই কাটা মুণ্ডর হদিশ মিলবে।
Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ