Bartaman Logo
২৭ মে, ২০২৬
বর্তমান / বিদেশ

হাসিনা বিরোধীদের ‘গুম’ করতে সাহায্য করেছে ভারত! চাঞ্চল্যকর দাবি বাংলাদেশের

হাসিনা বিরোধীদের ‘গুম’ করতে সাহায্য করেছে ভারত! চাঞ্চল্যকর দাবি বাংলাদেশের
  • ২৩ ডিসেম্বর, ২০২৪ ০০:০০
ঢাকা ও নয়াদিল্লি: বাংলাদেশে হিন্দুদের উপর নির্যাতনের বিষয়টিকে ভারতের ‘মিথ্যা প্রচার’ বলে আগেই দাগিয়ে দিয়েছে মহম্মদ ইউনুসের তত্ত্বাবধায়ক সরকার। শেখ হাসিনার আমলে বহু মানুষকে বিচার বহির্ভূতভাবে ‘গুম’ করার যে অভিযোগ উঠত, এবার তার সঙ্গেও ভারতের যোগ খুঁজে পেল ইউনুসের তৈরি করা বিশেষ কমিশন! তারা দাবি করেছে, বিরোধীদের গুম করতে হাসিনাকে সরাসরি সাহায্য করেছে ভারত। কমিশনের আরও দাবি, হাসিনার আমলে নিখোঁজ হয়ে যাওয়া কোনও ব্যক্তি বর্তমানে ভারতের কোথাও জেলবন্দি থাকতে পারে। তাই তাদের সন্ধান করা প্রয়োজন। হাসিনার আমলের গুমকাণ্ড নিয়ে গত সপ্তাহেই রিপোর্ট জমা দিয়েছে ওই কমিশন। সেখানে বলা হয়েছে, সাড়ে তিন হাজারেরও বেশি এমন ঘটনা ঘটেছে। এদিকে, গত সপ্তাহে শেখ হাসিনা ও তাঁর পরিবারের বিভিন্ন সদস্যের বিরুদ্ধে ৮০ হাজার কোটি টাকার দুর্নীতির অভিযোগ তুলে তদন্ত শুরু করেছিল দুর্নীতি দমন কমিশন। এবার হাসিনা ও তাঁর ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয়ের বিরুদ্ধে ৩০ কোটি ডলার পাচারের আরও একটি অভিযোগের তদন্তের সিদ্ধান্ত নিয়েছে তারা। 
Advertisement
শেখ হাসিনা ক্ষমতায় থাকার সময় সরকারি মদতে বিরোধী মতাদর্শে বিশ্বাসীদের তুলে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ বারবার উঠেছে। বিনা বিচারে তাদের গোপন বন্দিশালায় আটক করে রেখে দিনের পর দিন চলত অত্যাচার। বহু মানুষের আর কোনওদিন সন্ধানই মেলেনি। লোকমুখে এই গোপন বন্দিশালার নাম হয়ে যায় ‘আয়নাঘর’। এর সঙ্গে ভারতের যোগের প্রমাণ হিসেবে দুটি ঘটনার কথা উল্লেখ করেছে কমিশন। সুখরঞ্জন বালি নামে এক ব্যক্তি ও বিএনপি নেতা সালাহউদ্দিন আহমেদকে ‘গুম’ করা হয়। সুখরঞ্জনকে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট চত্বর থেকে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে তাঁকে ভারতের জেলে খুঁজে পাওয়া যায়। সালাহউদ্দিনকেও ২০১৫ সালে ঢাকার উত্তরা থেকে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। দু’মাস পরে মেঘালয়ের শিলংয়ের জেলে তাঁর সন্ধান মেলে। ২০২৩ সালে তাঁকে বেকসুর খালাস করে দেশে ফেরার অনুমতি দেয় শিলংয়ের আদালত।
অন্যদিকে, সাধারণ নির্বাচন নিয়ে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপর আরও চাপ বাড়াল বিএনপি সহ ১২ দলের জোট। ২০২৫ সালেই বাংলাদেশে নির্বাচন আয়োজন করতে হবে বলে দাবি জানিয়েছে তারা। নির্বাচন নিয়ে আলোচনা করতে শনিবার সন্ধ্যায় বৈঠকে বসেছিল দলগুলি। সেখানেই তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপর চাপ সৃষ্টির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। 
সম্পর্কিত সংবাদ