ঢাকা: সোমবারই বাংলাদেশের তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান ঘোষণা করেছিলেন, এক বছরের আগে নির্বাচন নয়। সেই তত্ত্বাবধায়ক সরকারের হাতেই নির্বাচনের ভার সঁপল বাংলাদেশ হাইকোর্ট। ফলে বিনা নির্বাচনে মহম্মদ ইউনুসের দীর্ঘদিন ক্ষমতায় থাকতে কোনও সাংবিধানিক বাধা রইল না। আওয়ামি লিগ সরকারের আমলে তত্ত্বাবধায়ক সরকার সংক্রান্ত আইন সংশোধন করা হয়েছিল। সেই সংশোধনের মাধ্যমে ‘তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা’ বিলোপ করা হয়েছিল। সেই সংশোধনীটিই বাতিল করে দিল বাংলাদেশ হাইকোর্ট।
Advertisement
ওই সংশোধনীতে অসাংবিধানিকভাবে দেশের ক্ষমতা দখলকে ‘রাষ্ট্রদ্রোহ’-র সমান অপরাধ বিবেচনা করে সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান যুক্ত করা হয়। কিন্তু মঙ্গলবার হাইকোর্ট জানিয়ে দিল, হাসিনার আমলের সংবিধান সংশোধনের একাংশ ‘অসাংবিধানিক’। বাংলাদেশে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থাকেও ফিরিয়ে আনার নির্দেশ দিয়েছে হাইকোর্ট। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, আদালতের এদিনের নির্দেশের ফলে তত্ত্বাবধায়ক সরকার আইনি বৈধতা পেল। সোমবার ইউনুস জানিয়েছিলেন, ২০২৫ সালে শেষে বা ২০২৬ সালের প্রথমার্ধে বাংলাদেশে নির্বাচন হতে পারে। তা নিয়ে দেশের অভ্যন্তরেই প্রশ্ন উঠেছিল। ইউনুস সরকারের নির্বাচন নিয়ে স্পষ্ট রোডম্যাপ জানানোর দাবি জানায় বিএনপি। তার প্রেক্ষিতে এদিন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম জানিয়েছেন, ২০২৬ সালের ৩০ জুনের মধ্যে জাতীয় সংসদ নির্বাচন হবে। এর চেয়ে স্পষ্ট রোডম্যাপ আর কী হতে পারে? পাল্টা প্রশ্ন তুলেছেন তিনি।
হাসিনার আমলের সংবিধান সংশোধনকে চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে দুটি আলাদা রিট পিটিশন দাখিল হয়। ১২ দিনের শুনানির শেষে সোমবার বিচারপতি ফারাহ মাহবুব ও দেবাশিস রায়চৌধুরির বেঞ্চ রায় ঘোষণা করে। আদালত জানিয়েছে, দলবিহীন তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থাকে বাতিল করে দেওয়া অসাংবিধানিক। কারণ, এটি গণতন্ত্র, নিরপেক্ষ নির্বাচন, বিচারব্যবস্থার স্বাধীনতার মতো সংবিধানের মৌলিক কাঠামোকে ধ্বংস করে দিয়েছে। ২০১১ সালে শেখ হাসিনা সরকার সংবিধান সংশোধন করে। আগে একটি সরকারের মেয়াদ শেষ হওয়ার পরবর্তী ৯০ দিনের মধ্যে নির্বাচন আয়োজনের বিধান ছিল। সেটি বাতিল করে সরকারের মেয়াদ শেষ হওয়ার ৯০ দিন আগেই নির্বাচন অনুষ্ঠিত করার বিধান যুক্ত করা হয়। এই সংশোধনীকে চ্যালেঞ্জ করে মোফাজ্জল হোসেন নামে এক মুক্তিযোদ্ধা রিট পিটিশন দাখিল করেছিলেন। এছাড়া পৃথক একটি পিটিশনে যুক্ত হয় বিএনপি, জামাত সহ বেশ কয়েকটি সংগঠন।
তবে ওই সংবিধান সংশোধনের সঙ্গে যুক্ত ধর্মনিরপেক্ষতা, সমাজতন্ত্র, জাতির পিতা, মহিলাদের জন্য সংসদে আসন সংরক্ষণের মতো বিষয়ে হস্তক্ষেপ করেনি আদালত। আগামী সরকার ওই বিষয়গুলি নিয়ে সিদ্ধান্ত নেবে বলে জানিয়েছেন বিচারপতিরা। এদিনের রায়ে আদালত আরও জানিয়েছে, ইউনুসের সরকারকে তত্ত্বাবধায়ক সরকার বলা যায় না। কারণ সুপ্রিম কোর্টের সঙ্গে পরামর্শ করে এই সরকার গঠন করেছেন রাষ্ট্রপতি।
হাসিনার আমলের সংবিধান সংশোধনকে চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে দুটি আলাদা রিট পিটিশন দাখিল হয়। ১২ দিনের শুনানির শেষে সোমবার বিচারপতি ফারাহ মাহবুব ও দেবাশিস রায়চৌধুরির বেঞ্চ রায় ঘোষণা করে। আদালত জানিয়েছে, দলবিহীন তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থাকে বাতিল করে দেওয়া অসাংবিধানিক। কারণ, এটি গণতন্ত্র, নিরপেক্ষ নির্বাচন, বিচারব্যবস্থার স্বাধীনতার মতো সংবিধানের মৌলিক কাঠামোকে ধ্বংস করে দিয়েছে। ২০১১ সালে শেখ হাসিনা সরকার সংবিধান সংশোধন করে। আগে একটি সরকারের মেয়াদ শেষ হওয়ার পরবর্তী ৯০ দিনের মধ্যে নির্বাচন আয়োজনের বিধান ছিল। সেটি বাতিল করে সরকারের মেয়াদ শেষ হওয়ার ৯০ দিন আগেই নির্বাচন অনুষ্ঠিত করার বিধান যুক্ত করা হয়। এই সংশোধনীকে চ্যালেঞ্জ করে মোফাজ্জল হোসেন নামে এক মুক্তিযোদ্ধা রিট পিটিশন দাখিল করেছিলেন। এছাড়া পৃথক একটি পিটিশনে যুক্ত হয় বিএনপি, জামাত সহ বেশ কয়েকটি সংগঠন।
তবে ওই সংবিধান সংশোধনের সঙ্গে যুক্ত ধর্মনিরপেক্ষতা, সমাজতন্ত্র, জাতির পিতা, মহিলাদের জন্য সংসদে আসন সংরক্ষণের মতো বিষয়ে হস্তক্ষেপ করেনি আদালত। আগামী সরকার ওই বিষয়গুলি নিয়ে সিদ্ধান্ত নেবে বলে জানিয়েছেন বিচারপতিরা। এদিনের রায়ে আদালত আরও জানিয়েছে, ইউনুসের সরকারকে তত্ত্বাবধায়ক সরকার বলা যায় না। কারণ সুপ্রিম কোর্টের সঙ্গে পরামর্শ করে এই সরকার গঠন করেছেন রাষ্ট্রপতি।



