Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

বাইগাছিতে হবে ডাম্পিং গ্রাউন্ড, হাওড়া শহরের জঞ্জাল সমস্যা সমাধানের পথে

বাইগাছিতে হবে ডাম্পিং গ্রাউন্ড, হাওড়া শহরের জঞ্জাল সমস্যা সমাধানের পথে
  • ১৭ এপ্রিল, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, হাওড়া: হাওড়া শহর কিংবা আশপাশে বিকল্প ডাম্পিং গ্রাউন্ডের সন্ধান চলছিল অনেকদিন ধরে। অবশেষে জাতীয় সড়কের ধারে প্রায় ১৬ একর জমির সন্ধান পেল হাওড়া পুরসভা। আগামী দিনে এই জমিতেই হাওড়া শহরের আবর্জনা এনে ফেলার পরিকল্পনা করেছে পুরসভা। তবে বেলগাছিয়া ভাগাড়ের মতো আবর্জনার পাহাড় সেখানে তৈরি হবে না। নিত্যদিন আবর্জনা নিয়ে আসা হবে। তারপর সঙ্গে সঙ্গেই প্রসেসিং ইউনিটে বর্জ্য ব্যবস্থাপনা প্রক্রিয়া চলবে। এ কাজ শীঘ্রই শুরু করতে চলেছে জেলা প্রশাসন। 

Advertisement

২০ মার্চ বেলগাছিয়া ভাগাড়ে ভয়াবহ ভূমিধসের ঘটনা ঘটে। বছরের পর বছর ধরে জমতে থাকা প্রায় ১০ লক্ষ মেট্রিক টন আবর্জনার বড় আকারের পাহাড় তৈরি হয়েছিল। সে পাহাড়ের প্রবল চাপে নেমেছিল ভূমিধস। এর পর ভাগাড় পরিত্যক্ত হিসেবে ঘোষণা করে আবর্জনা ফেলা সম্পূর্ণ বন্ধ করে দেওয়া হয়। বর্তমানে সেখানে বায়োমাইনিং করে আবর্জনার পাহাড় কেটে সমতল করার কাজ চলছে। অন্যদিকে প্রতিদিন হাওড়া শহরে জমা ৬৫০ মেট্রিক টন আবর্জনা প্রায় ৪০টি ডাম্পারের সাহায্যে কলকাতার ধাপা ও বৈদ্যবাটিতে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। তবে হাওড়া শহরের আবর্জনা যাতে হাওড়াতেই ব্যবস্থাপনা করা যায় সেজন্য ডাম্পিং গ্রাউন্ডের খোঁজ চলছিল দীর্ঘদিন ধরে। জেলা প্রশাসনের তরফে ইতিপূর্বে জগাছা থানা এলাকার আরুপাড়ায় একটি জায়গা চিহ্নিত করা হয়েছিল। কিন্তু সেখানে ডাম্পিং গ্রাউন্ড তৈরিতে বাধা দিয়েছিলেন স্থানীয়রা। এরপর শহরের বাইরে জাতীয় সড়ক সংলগ্ন এলাকায় জায়গা খুঁজতে শুরু করে প্রশাসন।
হাওড়া পুরসভা সূত্রে জানা গিয়েছে, ডানকুনির কিছু আগে ১৬ নম্বর জাতীয় সড়কের পাশে বাইগাছি মৌজা এলাকায় প্রায় ১৬ একর ফাঁকা একটি সরকারি জমি চিহ্নিত হয়েছে। আশপাশে কোনও বসতি না থাকায় সেই জায়গাটি ডাম্পিং গ্রাউন্ড তৈরির জন্য আদর্শ বলে মনে করছে প্রশাসন। সেই জমিতে আগে একটি প্রসেসিং ইউনিট তৈরি করা হবে। এরপর হাওড়া শহরের প্রতিদিনের আবর্জনা নিয়ে এসে ফেলা হবে সেখানে। প্রতিদিনের জমা আবর্জনা প্রসেসিং ইউনিটে ব্যবস্থাপনা করা হবে। ফলে নতুন করে আর আবর্জনার পাহাড় তৈরি হবে না। 
হাওড়া পুরসভার মুখ্য প্রশাসক ডাঃ সুজয় চক্রবর্তী বলেন,‘শহরের প্রতিদিনের আবর্জনা এখন ধাপা ও বৈদ্যবাটিতে ফেলা হচ্ছে। এটা দীর্ঘদিন চলতে পারে না। তাছাড়া পরিবহণ খরচও অনেকটা বেড়ে যাচ্ছিল। জমি চিহ্নিত হওয়ায় এই সমস্যা মিটতে চলেছে।’  নিজস্ব চিত্র

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ