Bartaman Logo
৩০ আগস্ট, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

অঙ্ক কী কঠিন! মাত্র একজন নিয়েই স্নাতকের ক্লাস শুরু গণিত বিভাগে!

অঙ্ক কী কঠিন! কখনও পড়ুয়া, কখনও অভিভাবক, এমনকি শিক্ষকদের মুখেও এমন কথা শোনা যায় আকছার। অ্যালজেবরা, ট্রিগোনোমেট্রি, ক্যালকুলাসের জটিল সমস্যার সমাধান করতে গিয়ে কখনও ঘাবড়ায়নি—এমন উদাহরণও বিরল!

অঙ্ক কী কঠিন! মাত্র একজন নিয়েই স্নাতকের ক্লাস শুরু গণিত বিভাগে!
  • ৩১ অক্টোবর, ২০২৫ ১৬:১০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, দক্ষিণ ২৪ পরগনা: অঙ্ক কী কঠিন! কখনও পড়ুয়া, কখনও অভিভাবক, এমনকি শিক্ষকদের মুখেও এমন কথা শোনা যায় আকছার। অ্যালজেবরা, ট্রিগোনোমেট্রি, ক্যালকুলাসের জটিল সমস্যার সমাধান করতে গিয়ে কখনও ঘাবড়ায়নি—এমন উদাহরণও বিরল! এসবই মাধ্যমিক, উচ্চ মাধ্যমিক স্তরের অভিজ্ঞতা। কিন্তু সেই গণ্ডি পেরিয়ে আসার পরও কি অঙ্কের ভীতি কাজ করে? ডায়মন্ডহারবার মহিলা বিশ্ববিদ্যালয়ে সম্প্রতি এই জল্পনা জোরালো হয়েছে। কারণ, এই বিষয় নিয়ে সেভাবে কেউ ভর্তি হতেই ইচ্ছুক নয়! গত বছর থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ে স্নাতক স্তরে গণিত চালু হয়েছে। মোট আসন ২০টি। ভর্তি হয়েছিলেন মাত্র পাঁচজন। পরে দু’জন ছেড়েও দেন। আর এবার তিনজন ভর্তি হলেও পরে দু’জন ছেড়ে দিয়েছেন। রইলেন মাত্র একজন! তাঁকে নিয়েই ক্লাস করাচ্ছেন বিভাগের পাঁচ অধ্যাপক। তাঁদের কথায়, ‘ক্লাসে একজন মাত্র পড়ুয়া—এটা একটু অস্বাভাবিক লাগছে। তবে এর পিছনে অঙ্কের প্রতি কোনও ভয়ভীতি কাজ করছে বলে মনে হয় না। নতুন বিভাগ বলে অনেকে হয়তো জানেন না। আশা করছি, আগামী দিনে আরও বেশি ছাত্রী ভর্তি হবেন।’

Advertisement

বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গিয়েছে, এবারে গণিত বিভাগে ভর্তির জন্য ৩৫-৪০টি ফর্ম জমা পড়েছিল। প্রথম পছন্দ হিসেবে গণিতকে বেছে নিয়েছিলেন সাতজন। কিন্তু শেষমেশ একজনই রইলেন। তবে স্নাতক স্তরে
এবার এই বিশ্ববিদ্যালয়ে সার্বিকভাবে ভর্তির হার কিছুটা বেড়েছে। কিছু কিছু বিষয়ে হাতেগোনা কয়েকটি আসন ভরেছে। যেমন সংস্কৃত, দর্শন। তবে গণিতের মতো খারাপ হাল অন্য কোনও বিষয়ের ক্ষেত্রে হয়নি। জানা গিয়েছে, তিন দফা অনলাইন ভর্তির প্রক্রিয়ার পর অফলাইনেও ছাত্রী ভর্তির চেষ্টা চালিয়েছিল কর্তৃপক্ষ। তাতে কয়েকজন ভর্তি হলেও এখনও বড় সংখ্যক আসন ফাঁকা। বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে খবর, ৩৮৩টির মধ্যে প্রায় ৪০ শতাংশ আসন পূরণ হয়েছে। এর মধ্যে সব থেকে বেশি ভর্তি হয়েছে ভূগোল ও ইংরেজি বিভাগে। ইতিহাস বিভাগে উল্লেখযোগ্য উন্নতি হয়েছে। গতবার যেখানে ৮-৯ জন ভর্তি হয়েছিলেন, সেখানে এবার ২৩ জন ক্লাস করছেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার সইদুর রহমান বলেন, ‘গত বারের থেকে এবার সামগ্রিকভাবে ভর্তি সামান্য বেড়েছে। অনেক জায়গাতেই আসন ফাঁকা রয়েছে। আশা করা যাচ্ছে, আগামী দিনে এখানে ভর্তির হার বাড়বে।’

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ