Bartaman Logo
৯ জুন, ২০২৬

‘এলপিজির অভাবে হোটেল বন্ধ’, তামিলনাড়ুর একাধিক হোটেলে ঝুলছে নোটিশ

যুদ্ধ শুরুর প্রক্কালেই মোদি সরকারের আশ্বাসে জল। তাঁর আশ্বাস ছিল যুদ্ধকালীন পরিস্থিতিতেও সাধারণের জ্বালানি নিয়ে ভয় পাওয়ার কোনো কারণই  নেই, কিন্তু হল তার বিপরীত

‘এলপিজির অভাবে হোটেল বন্ধ’, তামিলনাড়ুর একাধিক হোটেলে ঝুলছে নোটিশ
  • ১১ মার্চ, ২০২৬ ১২:০৩
Prefer us on Google

চেন্নাই, ১১ মার্চ: যুদ্ধ শুরুর প্রক্কালেই মোদি সরকারের আশ্বাসে জল। তাঁর আশ্বাস ছিল যুদ্ধকালীন পরিস্থিতিতেও সাধারণের জ্বালানি নিয়ে ভয় পাওয়ার কোনো কারণই  নেই, কিন্তু হল তার বিপরীত। চরম সংকটে বানিজ্যিক গ্যাস। মাথায় হাত হোটেল ও রেস্তোরাঁ মালিকদের। এর চরমতম প্রভাব দেখা গিয়েছে তামিলনাড়ুর চেন্নাই সহ রাজ্যের একাংশে। বন্ধ রাখা হয়েছে বহু হোটেল ও রেস্তোরাঁ। পর্যাপ্ত গ্যাস না পাওয়ায় একদিনের জন্য ‘ছুটি’ ঘোষণা করতে বাধ্য হয়েছেন ব্যবসায়ীরা। এমনকী সামান্য চা-কফি খেতে এসেও ঘুরে যেতে হচ্ছে অনেক মানুষকে। শহরের জনপ্রিয় হোটেলের সামনে ঝুলছে নোটিস, ‘এলপিজি অভাবের কারণে ১১ মার্চ ২০২৬ তারিখে বন্ধ হোটেল’। 

Advertisement

এর প্রভাব শুধু হোটেল ও রেস্তোরাঁতে নয়। প্রভাব পড়ছে বাড়ির রান্না ঘরেও। ইতিমধ্যেই রাজ্যে ঘরোয়া এলপিজি বুকিংয়ের ব্যবধান ২১ দিন থেকে বাড়িয়ে ২৫ দিন করা হয়েছে বলে দাবি স্থানীয়দের। কঠিন পরিস্থিতির শিকার সাধারণ মানুষ। হোটেল মালিকদের সংগঠনের তরফ থেকে জানা যায়, বর্তমান যা গ্যাস মজুত আছে তা দিয়ে বড়জোর এক-দু’দিন ব্যবসা চালানো সম্ভব। বাধ্য হয়ে অনের হোটেল-রেস্তোরাঁ  মেনুতে খাবারের সংখ্যাই কমিয়ে ফেলেছেন। তাঁরা এমন খাবার তৈরি করতে বাধ্য হচ্ছেন যেই খাবারে কম গ্যাস ব্যাবহৃত হয়। 

এই সংকটমূলক পরিস্থিতি নিয়ে সরব হয়েছে তামিলনাড়ু হোটেল মালিক সংগঠন। তাঁরা মুখ্যমন্ত্রী এম.কে স্ট্যালিনের সঙ্গে দেখা করেন এবং তাঁদের সমস্যার কথা জানান। স্ট্যালিন তাঁদের আশ্বাস দেন  এলপিজির ঘাটতি যাতে ব্যবসায়িক ক্ষেত্রে কোনও প্রভাব না ফেলে সে বিষয়ে তিনি কেন্দ্র সরকারের কাছে পদক্ষেপ নেওয়ার অনুরোধ রাখবেন। 

সম্পর্কিত সংবাদ