Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

ধরলা নদীর ভাঙনে হারিয়ে যাচ্ছে বসতভিটা, কৃষিজমি

মাথাভাঙা-১ ব্লকের জোরপাটকি গ্রাম পঞ্চায়েতের নগর গোপালগঞ্জের লঙ্কারকুটি ধরলা নদীর ভাঙনে বিপর্যস্ত। ইতিমধ্যেই ভাঙনের জেরে কয়েকশো বিঘা চাষের জমি নদীগর্ভে তলিয়ে গিয়েছে।

ধরলা নদীর ভাঙনে হারিয়ে যাচ্ছে বসতভিটা, কৃষিজমি
  • ৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, মাথাভাঙা: মাথাভাঙা-১ ব্লকের জোরপাটকি গ্রাম পঞ্চায়েতের নগর গোপালগঞ্জের লঙ্কারকুটি ধরলা নদীর ভাঙনে বিপর্যস্ত। ইতিমধ্যেই ভাঙনের জেরে কয়েকশো বিঘা চাষের জমি নদীগর্ভে তলিয়ে গিয়েছে। স্থানীয়রা জানান, ভাঙনের জেরে নদীর গতিপথও পাল্টে গিয়েছে। সেচদপ্তর সহ স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের বার বার জানানো হলেও, কোনও পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ। যদিও সেচদপ্তর জানিয়েছে, ওই এলাকাটি ভাঙনপ্রবণ। ইতিমধ্যে বাঁধের জন্য প্ল্যান এস্টিমেট পাঠানো হয়েছে। বৃহস্পতিবার নদীর তীরে স্থানীয় গ্রামবাসীরা জমায়েত হয়ে বাঁধের দাবিতে সরব হন।

Advertisement

প্রসঙ্গত, জোরপাটকি গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকার বেশ কয়েকটি জায়গায় ধরলা নদীর ভাঙন সমস্যা রয়েছে। বিগত কয়েক বছর ধরে নগর গোপালগঞ্জের লঙ্কা এলাকায় ভাঙন ব্যাপক আকার ধারন করেছে। বেশকিছু বাসিন্দা ভাঙনের জেরে অন্যত্র চলে যেতে বাধ্য হয়েছেন। প্রচুর চাষের জমি নদীগর্ভে চলে গিয়েছে। বসতভিটে হারিয়ে ভূমিহীনে পরিণত হয়েছেন অনেকেই। সেচদপ্তরে গণস্বাক্ষর সহ দাবিপত্র দেওয়া হলেও কাজের কাজ কিছুই হয়নি। এলাকার বাসিন্দা তথা তৃণমূল কংগ্রেসের বুথ সভাপতি মহিরুদ্দিন মিয়াঁ বলেন, নদী ভাঙনের জেরে প্রায় পাঁচশোটি পরিবার বিপদের আশঙ্কায় দিন কাটাচ্ছে। কয়েকজনের বাড়ির একাংশ নদীগর্ভে চলে গিয়েছে। অনেকবার এনিয়ে সেচদপ্তরে আবেদন জানানো হয়েছে, কিন্তু বাঁধ নির্মাণে কোনও পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। 
আরএক বাসিন্দা আহম্মেদ হোসেন মিয়াঁ বলেন, আমরা চরম দুশ্চিন্তায় দিন কাটাচ্ছি। নদীর জল বাড়লেও ভাঙন শুরু হয়। আবার জল কমলেও ভাঙন দেখা দেয়। বর্ষার দিনগুলিতে রাতে ঘুমাতে পারছি না আমরা। এলাকায় প্রায় পাঁচশোটি পরিবার রয়েছে। ভাঙন প্রতিরোধে যদি স্থানীয় বাঁধ নির্মাণ না হয় তাহলে আগামী বিধানসভা নির্বাচনে ভোট বয়কট করব আমরা। এ ব্যাপারে সেচদপ্তরের মাথাভাঙার অ্যাসিস্ট্যান্ট ইঞ্জিনিয়ার শ্রীবাস ঘোষ বলেন, নগর গোপালগঞ্জের ওই এলাকাটি ভাঙনপ্রবণ। আমরা প্রায় ৮০০ মিটার স্থায়ী বাঁধের জন্য প্ল্যান এস্টিমেট করে পাঠিয়েছি। বরাদ্দ এলে কাজ শুরু করা হবে। স্থানীয়রা চাইছেন দ্রুত বাঁধের কাজ শুরু করুক সেচদপ্তর। আমরা তৎপর রয়েছি। 

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ