


নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: ‘ভূতুড়ে শিক্ষক’ দেখালেই ১০ লক্ষ টাকার জরিমানা। এমনই নির্দেশ জারি করল দেশজুড়ে হোমিওপ্যাথির শীর্ষ নিয়ন্ত্রক সংস্থা ন্যাশনাল কমিশন ফর হোমিওপ্যাথি (এনসিএইচ)। কারা এই ‘ভূতুড়ে শিক্ষক’? সূত্রের খবর, কলেজের অনুমোদন বা আসন বৃদ্ধির সময় সেখানকার শিক্ষকই নয়, এমন অনেককে ‘ভাড়া’ করে আনে দেশের বহু হোমিওপ্যাথিক মেডিকেল কলেজ। তাঁরাই ‘ভূতুড়ে’। এরকম ঘটনা ধরা পড়লে এরপর থেকে কলেজকে এমন প্রতি ‘শিক্ষক’ পিছু ১০ লক্ষ টাকা এবং অভিযুক্ত ‘ভূতুড়ে শিক্ষক’কে ৫ লক্ষ টাকা জরিমানা দিতে হবে। এছাড়া নিট বা স্নাতকোত্তর পরীক্ষায় পাশ না করা ছাত্রছাত্রীকে ভর্তি করালে পড়ুয়া পিছু ১০ লক্ষ টাকা জরিমানার মুখোমুখি হতে হবে অভিযুক্ত কলেজকে।
এখানেই শেষ নয়। জাল ডিগ্রি দেখালে বা কলেজে কোনোদিন না পড়ালেও জাল নথিপত্র পেশ করে শিক্ষকতার অভিজ্ঞতা যোগ করার চেষ্টা করলে ৫ লক্ষ টাকা জরিমানা দিতে হবে। পরিদর্শনে নজরে আসা খামতিগুলি বেঁধে দেওয়া সময়সীমার মধ্যে পূরণ করতে না পারলেও হোমিওপ্যাথিক মেডিকেল কলেজকে ছাড়া হবে না। ৫ লক্ষ টাকা জরিমানা করা হবে সেক্ষেত্রেও। এনসিএইচ-এর মেডিকেল অ্যাসেসমেন্ট অ্যান্ড রেটিং বোর্ড এই নির্দেশ জারি করেছে। এদিকে, সংস্থার মেডিকেল এডুকেশন বোর্ডের প্রেসিডেন্ট ডাঃ রজত চট্টোপাধ্যায় দেশের ২৯১টি হোমিওপ্যাথিক মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষকে অন্য এক নির্দেশে স্পষ্ট বার্তা দিয়েছেন, আউটডোর-ইনডোরের রোগী এবং পাঠ্যক্রমের বইপত্র নির্ভর করতে হবে পড়াশোনা। অনলাইন ও ডিজিটাল তথ্যকে প্রধান বলে মনে করলে হবে না।