নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: একটি ফ্ল্যাটের বেআইনি অংশ ভাঙতে নির্দেশ জারি করেছিল হাওড়া পুরসভা। কিন্তু তিন বছর পেরিয়ে গেলেও দখলদারির জেরে ওই নির্দেশিকা কার্যকর করতে পারেনি হাওড়া পুরসভা। এবার সেই বেআইনি অংশ ভাঙতে হাওড়ার পুলিস কমিশনারকে পর্যাপ্ত পুলিস মোতায়েনের নির্দেশ দিল কলকাতা হাইকোর্ট।
Advertisement
মামলার বয়ান সূত্রে জানা গিয়েছে, হাওড়ার চ্যাটার্জিহাট থানা এলাকার দীনবন্ধু মুখার্জি লেনের ৭/এফ নম্বর আবাসনের তৃতীয় তলটি বসবাসের (রেসিডেন্সিয়াল স্যাংশন) জন্য পুরসভা অনুমতি দিলেও সেটিকে ব্যবসায়িক উদ্দেশ্যে (কমার্শিয়াল স্যাংশন) রূপান্তর করা হয়। ওই ফ্ল্যাটের অন্য বাসিন্দারা বিষয়টি নিয়ে আপত্তি জানালেও তাতে ভ্রুক্ষেপ করেননি তৃতীয় তলের মালিক। এরপর বাধ্য হয়ে হাওড়া পুরসভায় অভিযোগ জানান অন্যন্য আবাসিকরা। অভিযোগ পাওয়ার পর হাওড়া পুরসভা ওই ফ্ল্যাটের সমস্ত বাসিন্দাদের নিয়ে শুনানি করে। সেখানে প্রমাণ হয়ে যায়, পুরসভার কোনও অনুমতি ছাড়াই তৃতীয় তলটি ব্যবসায়িক উদ্দেশ্যে ব্যবহার করা হচ্ছে। যে কারণে পুরসভার তরফে ওই নির্মাণের বেআইনি অংশ ভেঙে ফেলার নির্দেশ জারি করে পুরসভা।
কিন্তু তারপর তিন বছর কেটে গেলেও দখলদারির জেরে ওই নির্মাণের বেআইনি অংশ ভাঙতে পারেনি পুরসভা। যে কারণে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন ফ্ল্যাটের অন্য বাসিন্দারা। সেই মামলার শুনানির পর বিচারপতি অমৃতা সিনহা নির্দেশে জানিয়েছেন, ওই বেআইনি অংশ থেকে দখলদারকে উচ্ছেদ করতে হাওড়ার পুলিস কমিশনারকে পর্যাপ্ত বাহিনী নিয়োগ করতে হবে। দখলদার উচ্ছেদ হলেই ওই বেআইনি অংশ ভাঙার কাজ করতে হবে পুরসভাকে। যতদিন না ভাঙার কাজ সম্পূর্ণ শেষ হচ্ছে, ততদিন পর্যাপ্ত সংখ্যক পুলিসের উপস্থিতি নিশ্চিত করবেন কমিশনার।
কিন্তু তারপর তিন বছর কেটে গেলেও দখলদারির জেরে ওই নির্মাণের বেআইনি অংশ ভাঙতে পারেনি পুরসভা। যে কারণে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন ফ্ল্যাটের অন্য বাসিন্দারা। সেই মামলার শুনানির পর বিচারপতি অমৃতা সিনহা নির্দেশে জানিয়েছেন, ওই বেআইনি অংশ থেকে দখলদারকে উচ্ছেদ করতে হাওড়ার পুলিস কমিশনারকে পর্যাপ্ত বাহিনী নিয়োগ করতে হবে। দখলদার উচ্ছেদ হলেই ওই বেআইনি অংশ ভাঙার কাজ করতে হবে পুরসভাকে। যতদিন না ভাঙার কাজ সম্পূর্ণ শেষ হচ্ছে, ততদিন পর্যাপ্ত সংখ্যক পুলিসের উপস্থিতি নিশ্চিত করবেন কমিশনার।



