Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

হাওড়া শহরকে জঞ্জালমুক্ত করতে একমাস সময় দিল গ্রিন ট্রাইবুনাল

হাওড়া শহরকে জঞ্জালমুক্ত করতে একমাস সময় দিল গ্রিন ট্রাইবুনাল
  • ২৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫ ০০:০০
Prefer us on Google
নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: সম্প্রতি দেশজুড়ে একটি সমীক্ষা হয়েছে। সে সমীক্ষার রিপোর্টে প্রকাশ, দেশের মধ্যে সবথেকে ‘নোংরা’ শহর পশ্চিমবঙ্গের হাওড়া। এবার সে ‘নোংরা’ হাওড়াকে পুরোপুরি জঞ্জালমুক্ত করতে এক মাস সময় বেঁধে দিল ন্যাশনাল গ্রিন ট্রাইবুনাল। গঙ্গার পাড় ঘেঁষা এই প্রাচীন শহরকে পুরোপুরি জঞ্জালমুক্ত করে ছবি সহ রিপোর্ট জমা দিতেও নির্দেশ ট্রাইবুনালের। 
Advertisement
অভিযোগ, হাওড়ায় যত্রতত্র জঞ্জাল পড়ে থাকতে দেখা যায়। জঞ্জালের সঙ্গে সহাবস্থান করতে একপ্রকার বাধ্য  হাওড়ার বাসিন্দারা। এই বিষয় তুলে ধরে একাধিক ছবি প্রমাণ হিসেবে দিয়ে ট্রাইবুনালে মামলা করেছিলেন পরিবেশকর্মী সুভাষ দত্ত। মামলায় তাঁর বক্তব্য, হাওড়ার খোলা নিকাশিগুলিতে প্রতিদিন জঞ্জাল ফেলা হয়। যার ফলে ড্রেনের স্বাভাবিক নিকাশি ব্যবস্থা বিপর্যস্ত হয়ে পড়ছে। ফলস্বরূপ ফি বছর বর্ষার সময় রাস্তায় জল জমে। মানুষকে নরকযন্ত্রণা পোহাতে হয়। এ সংক্রান্ত একাধিক ছবি প্রমাণস্বরূপ পেশ করে সুভাষবাবু মামলার সওয়ালে দাবি করেন, বিশেষত সান্ধ্যকালীন বাজার, পঞ্চাননতলা রোড, বেলিলিয়াস লেন পয়েন্ট, গোরাবাজার, নিত্যধন মুখার্জি রোড, জে রোড, বেলগাছিয়া ডাম্পিং গ্রাউন্ড, কাজিপাড়া থেকে নবান্ন এলাকা, চ্যাটার্জ্জি হাট বাজার ও শিবপুর বাজারের মত এলাকায় খোলা জায়গায় জঞ্জাল ফেলার জেরে বেহাল পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। এই অভিযোগ পাওয়ার পর বিচারপতি অমিত স্থালেকর ও বিশেষজ্ঞ সদস্য অরুণকুমার বর্মা পুরসভা এবং নগরোন্নয়ন দপ্তরের সঙ্গে বৈঠক করার নির্দেশ দেন হাওড়ার জেলাশাসককে। তারপর রিপোর্ট জমা দিতে বলেন। বৈঠকে বসে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। ট্রাইবুনালে রিপোর্ট জমা করে হাওড়াকে জঞ্জালমুক্ত করতে একাধিক পদক্ষেপের কথাও জানায়। কিন্তু এরপর বাস্তব চিত্র সঠিক নয় বলে দাবি করেন সুভাষবাবু। ফের তিনি শহরের একাধিক জায়গার জঞ্জালের ছবি তুলে ট্রাইবুনালে জমা দেন। যার ভিত্তিতে ট্রাইবুনাল জানায়, সলিড ওয়েস্ট ম্যানেজমেন্ট রুলস ২০১৬ অনুযায়ী, হাওড়া পুরসভার তরফে একাধিক পদক্ষেপের কথা বলা হলেও বাস্তবে তা রূপায়িত হয়নি। এরপরই পুর কমিশনারকে বেঞ্চের নির্দেশ, এক মাসে হাওড়া শহরকে জঞ্জালমুক্ত করতে হবে। আর ১৫ এপ্রিলের মধ্যে ছবি সহ রিপোর্ট পেশ করতে হবে।
Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ