নিজস্ব প্রতিনিধি, হাওড়া: রবিনসন স্ট্রিটের ছায়া এবার হাওড়ার বালিটিকুড়িতে। রবিবার রাতে বালিটিকুড়িতে একটি দোতলা বাড়ির নীচের ঘর থেকে এক বৃদ্ধার পচাগলা দেহ উদ্ধার হয়েছে। মৃতার নাম রাসমণি নন্দী (৬৫)। প্রায় পাঁচ দিন ধরে বৃদ্ধার মৃতদেহ আগলে বসেছিলেন তাঁর মানসিক ভারসাম্যহীন ছেলে সুরজ নন্দী। রাতেই দাশনগর থানার পুলিস বৃদ্ধার দেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠিয়ে তাঁর ছেলেকে হাওড়া হাসপাতালে নিয়ে যায় চিকিৎসার জন্য। তবে তাঁকেও বাঁচানো যায়নি। সোমবার সকালে হাসপাতালেই মৃত্যু হয়েছে সুরজের। এদিন একইসঙ্গে শেষকৃত্য হয় মা ও ছেলের।
Advertisement
দাশনগরের বালিটিকুড়ির জেলেপাড়ায় অসুস্থ মা রাসমণিদেবীর সঙ্গেই থাকতেন তাঁর ছেলে বছর তিরিশের সুরজ। রাসমণিদেবী দীর্ঘদিন ধরেই শয্যাশায়ী। ছেলেও তেমন কিছু কাজ করতেন না। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, পরিবারের কাউকে বাড়ির বাইরে দেখা যেত না। প্রতিবেশীদের সঙ্গেও মিশতেন না তাঁরা। স্থানীয় বাসিন্দাদের বক্তব্য, দিন পনেরো আগে সুরজকে শেষবার বাজার করতে যেতে দেখেছিলেন তাঁরা। শনিবার সকাল থেকেই ওই বাড়ির আশপাশ দিয়ে গেলে দুর্গন্ধ নাকে আসছিল। রবিবার প্রতিবেশীদের সন্দেহ হওয়ায় তাঁরা থানায় খবর দেন। দাশনগর থানার পুলিস এসে বহুবার ডাকাডাকি করলেও ভিতর থেকে কেউ সাড়া দেননি। শেষমেশ দরজা ভেঙে ঢুকে একতলার একটি ঘরে বৃদ্ধার পচাগলা দেহ পাওয়া যায়। দেহটি বিছানার উপরেই ছিল। অন্য ঘরে শুয়েছিলেন মানসিক ভারসাম্যহীন সুরজ। তিনিও শারীরিকভাবে অসুস্থ। দেহটি ময়নাতদন্তের জন্য পাঠিয়ে পুলিস সুরজকে হাওড়া হাসপাতালে নিয়ে যায় চিকিৎসার জন্য। এদিন সকালে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু হয়েছে তাঁর।
পুলিস জানিয়েছে, সম্ভবত দিন পাঁচেক আগে মৃত্যু হয়েছে বৃদ্ধার। ছেলে মানসিকভাবে অসুস্থ হওয়ায় তিনি সম্ভবত বুঝে উঠতে পারেননি। তাই কারও সঙ্গে যোগাযোগও করেননি। এদিন মা ও ছেলের দেহ একসঙ্গেই শেষকৃত্যের ব্যবস্থা করে পুলিস। স্থানীয় বাসিন্দারা জাবলেন, এই পরিবারের সঙ্গে কোনও আত্মীয় যোগাযোগ রাখতেন না। গত কয়েক বছরে ধরে এই বাড়িতে কাউকে যাতায়াত করতেও দেখা যায়নি।
পুলিস জানিয়েছে, সম্ভবত দিন পাঁচেক আগে মৃত্যু হয়েছে বৃদ্ধার। ছেলে মানসিকভাবে অসুস্থ হওয়ায় তিনি সম্ভবত বুঝে উঠতে পারেননি। তাই কারও সঙ্গে যোগাযোগও করেননি। এদিন মা ও ছেলের দেহ একসঙ্গেই শেষকৃত্যের ব্যবস্থা করে পুলিস। স্থানীয় বাসিন্দারা জাবলেন, এই পরিবারের সঙ্গে কোনও আত্মীয় যোগাযোগ রাখতেন না। গত কয়েক বছরে ধরে এই বাড়িতে কাউকে যাতায়াত করতেও দেখা যায়নি।



