ওয়াশিংটন: আমেরিকায় ক্ষমতার পালাবদলের পর চূড়াম্ত বেকায়দায় পড়তে চলেছেন বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান ইউনুস। তাঁর বিরুদ্ধে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন তদন্ত শুরুর প্রস্তুতি নিচ্ছে বলে জানা গিয়েছে। বাদ যাচ্ছেন না তাঁর মেয়ে মনিকাও। ইউনুসের বিরুদ্ধে অভিযোগ একাধিক। যার জন্য দায়ী তাঁর হিলারি ক্লিন্টনের সঙ্গে সখ্য। শুধু তাই নয়, হিলারি বিদেশ সচিব থাকাকালীন অনৈতিক উপায়ে ইউনুস কয়েক লক্ষ ডলারে ঋণ পেয়েছিলেন বলেও অভিযোগ।
Advertisement
নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ ইউনুসের সঙ্গে ডেমোক্র্যাটদের সুসম্পর্ক কারও অজানা নয়। হিলারি ক্লিটনের সঙ্গে তাঁর যথেষ্ট সখ্য ছিল। বাইডেন প্রশাসনে গুরুত্বপূর্ণ পদে ছিলেন ইউনুসের মেয়ে মনিকা। শুধু তাই নয়, ট্রাম্পের বিরুদ্ধেও মুখ খুলেছিলেন ইউনুস। এই ডেমোক্র্যাট ঘনিষ্ঠতাই বিপদে ফেলেছে বাংলাদেশের বর্তমান সরকারের প্রধানকে। যার সূত্রপাত ২০১৬ সালে। সেবছর আমেরিকার প্রেসেডেন্ট নির্বাচনে ট্রাম্পের বিরুদ্ধে ডেমোক্র্যাট প্রার্থী হিলারি ক্লিন্টনের প্রচারে অর্থ ঢেলেছিলেন ইউনুস। হিলারি ক্লিন্টন ফাউন্ডেশনে দান করেছিলেন ৩ লক্ষ মার্কিন ডলার। ভারতীয় মুদ্রায় যা ২ কোটি ৫০ লক্ষ টাকা। যদিও পরে ফাউন্ডেশনের ওয়েবসাইট থেকে সেই তথ্য মুছে ফেলা হয়।
এখানেই শেষ নয়। মার্কিন কংগ্রেসের বক্তব্য অনুযায়ী, শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন তৎকালীন আওয়ামি লিগ সরকার যাতে ইউনুসের বিরুদ্ধে কোনও ব্যবস্থা না নেয়, তার জন্য সরাসরি চাপ সৃষ্টি করেছিলেন হিলারি ক্লিন্টন। তখন তিনি আমেরিকার বিদেশ সচিব। পদ্মা ব্রিজ তৈরির জন্য ঢাকাকে ১২০ কোটি মার্কিন ডলার অর্থ সাহায্যে রাজি হয়েছিল বিশ্ব ব্যাঙ্ক। অভিযোগ, সেই অনুমোদন বাতিল করার জন্য এফবিআই ও সিআইএ আধিকারিকদের মাধ্যমে বিশ্ব ব্যাঙ্কের একাধিক আধিকারিকের উপরে চাপ সৃষ্টি করেছিলেন ক্লিন্টন। পিছনে থেকে যার কলকাঠি নেড়েছিলেন ইউনুস।
দ্বিতীয়বার ক্ষমতায় আসার পরে সেই সমস্ত অভিযোগ একত্রিত করা শুরু করেছেন ট্রাম্প। ফলে আগামী দিনে মহম্মদ ইউনুস ও তাঁর মেয়ে মনিকা ইউনুস বড় চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে পারেন।
এখানেই শেষ নয়। মার্কিন কংগ্রেসের বক্তব্য অনুযায়ী, শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন তৎকালীন আওয়ামি লিগ সরকার যাতে ইউনুসের বিরুদ্ধে কোনও ব্যবস্থা না নেয়, তার জন্য সরাসরি চাপ সৃষ্টি করেছিলেন হিলারি ক্লিন্টন। তখন তিনি আমেরিকার বিদেশ সচিব। পদ্মা ব্রিজ তৈরির জন্য ঢাকাকে ১২০ কোটি মার্কিন ডলার অর্থ সাহায্যে রাজি হয়েছিল বিশ্ব ব্যাঙ্ক। অভিযোগ, সেই অনুমোদন বাতিল করার জন্য এফবিআই ও সিআইএ আধিকারিকদের মাধ্যমে বিশ্ব ব্যাঙ্কের একাধিক আধিকারিকের উপরে চাপ সৃষ্টি করেছিলেন ক্লিন্টন। পিছনে থেকে যার কলকাঠি নেড়েছিলেন ইউনুস।
দ্বিতীয়বার ক্ষমতায় আসার পরে সেই সমস্ত অভিযোগ একত্রিত করা শুরু করেছেন ট্রাম্প। ফলে আগামী দিনে মহম্মদ ইউনুস ও তাঁর মেয়ে মনিকা ইউনুস বড় চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে পারেন।



