নিজস্ব প্রতিনিধি, বারাসত: আচমকা পরিবর্তন করা হয় মদের আসরের জায়গা। শীতের রাতে মাঠ দিয়ে নিয়ে যাওয়ার সময়ই খুন করা হয় হজরতকে। এক সপ্তাহ আগেই এমন পরিকল্পনা করা হয়েছিল। দত্তপুকুরের খুনকাণ্ড নিয়ে বৃহস্পতিবার এমনই জানালেন বারাসত পুলিস জেলার সুপার প্রতীক্ষা ঝাড়খাড়িয়া। খুনের ঘটনায় গ্রেপ্তার হয়েছে মহঃ জলিল গাজি ও তার স্ত্রী সুফিয়া বিবি। তবে সুফিয়া পুলিসের কাছে দাবি করে বলেছে, জলিলের চাপেই সে হজরতের মাথায় হাতুড়ি দিয়ে আঘাত করতে বাধ্য হয়। তা না করলে তাকেও কুপিয়ে খুনের হুমকি দিয়েছিল স্বামী জলিল। ও আমাকে ফাঁসাল। হজরতকে খুন করার ইচ্ছা ছিল না বলেই পুলিসি হেফাজতে এভাবে আক্ষেপ করেছে ধৃত সুফিয়া। এদিকে, হজরত খুনে ব্যবহৃত ধারালো দা ও হাতুড়ি উদ্ধার করেছে দত্তপুকুর থানার পুলিস। উদ্ধার হয়নি নিহতের মোবাইল। পুলিস সুপার প্রতীক্ষা ঝাড়খড়িয়া বলেন, খুনের ঘটনাটি ঘটে রাত সাড়ে সাতটা নাগাদ। সাতদিন আগেই পরিকল্পনা করা হয়েছিল। ২ ফেব্রুয়ারি দুপুরে সুফিয়াকে দিয়ে হজরতকে ফোন করে পার্টি করার জন্য আসতে বলে বামনগাছির বাগানবাড়িতে। তারা একসঙ্গে দেখা করে। পরিকল্পনামাফিক আসর বাজিতপুরের বাড়িতে করার কথা ওঠে। সুফিয়া, হজরত ও জলিলরা একসঙ্গে মাঠ দিয়ে যাচ্ছিল বাজিতপুরের বাড়িতে পার্টি করতে। অন্ধকারে মাঠে খুন করা হয়।



