তেল আভিভ: যুদ্ধের জেরে ইতিমধ্যে প্রাণ হারিয়েছেন হাজারের বেশি মানুষ। গৃহহীন লক্ষাধিক। এক বছরেরও বেশি সময় পর অবশেষে আশার আলো। ইজরায়েল ও লেবাননের সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লার মধ্যে সম্পন্ন হল যুদ্ধবিরতির চুক্তি। মঙ্গলবার রাতেই যুদ্ধবিরতির পক্ষে সায় দেয় ইজরায়েলের মন্ত্রিসভা। সাময়িকভাবে সংঘর্ষবিরতির পক্ষে ১০টি ভোট পড়েছে। বিপক্ষে মাত্র একটি। পরে সরকারিভাবে সেই চুক্তি অনুমোদন করেন প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু। হিজবুল্লার তরফে বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন লেবানন পার্লামেন্টের স্পিকার নাবি বেরি। বুধবার স্থানীয় সময় ভোর চারটে থেকেই কার্যকর হয়েছে যুদ্ধবিরতি। চুক্তি অনুযায়ী, আপাতত দু’মাসের (৬০ দিন) জন্য একে অপরের উপর হামলা চালাবে না ইজরায়েল-হিজবুল্লা। পরবর্তীতে পরিস্থিতি বুঝে বাড়ানো হতে পারে চুক্তির মেয়াদ। তবে শর্ত লঙ্ঘন করলেই পাল্টা হামলার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু। তিনি আরও জানিয়েছেন, ‘এবার আমরা হামাসকে নিশ্চিহ্ন করার কাজে মন দিতে পারব। গাজায় থাকা ইজরায়েলি বন্দিদের ফিরিয়ে আনব।’ এই সমঝোতাকে স্বাগত জানিয়েছে ভারত। বুধবার বিবৃতি দিয়ে বিদেশ মন্ত্রক জানিয়েছে, ‘ইজরায়েল ও লেবাননের যুদ্ধবিরতির এই সিদ্ধান্ত অত্যন্ত ইতিবাচক। ভারত শুরু থেকেই যুদ্ধ থামিয়ে আলোচনা ও কূটনীতির পক্ষে সওয়াল করেছে। আশা করি, এর মাধ্যমে শান্তি ফিরে আসবে।’
Advertisement
এই যুদ্ধবিরতি চুক্তি নিয়ে এক্স হ্যান্ডলে পোস্ট করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনও সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেন, ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী ও লেবাননের কেয়ারটেকার প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ইতিমধ্যে কথা হয়েছে। বাইডেনের কথায়, ‘আজ মধ্যপ্রাচ্য নিয়ে আমার কাছে ভালো খবর আছে। বুধাবার স্থানীয় সময় ভোর চারটে থেকেই লেবানন-ইজরায়েল সীমান্তে যুদ্ধ বন্ধ হয়ে যাবে। এই চুক্তির মাধ্যমেই এই দীর্ঘদিনের এই সংঘর্ষে ইতি টানা সম্ভব হবে।’
চুক্তি অনুযায়ী, দু’মাসের মধ্যে নিরাপত্তার জন্য নিজেদের এলাকায় বাহিনী মোতায়েন করতে পারবে লেবানন। ধাপে ধাপে লেবানন থেকে সেনা প্রত্যাহার করবে ইজরায়েল। অন্যদিকে, দক্ষিণ সীমান্ত থেকে অন্যত্র সরে যাবে হিজবুল্লা।
চুক্তি অনুযায়ী, দু’মাসের মধ্যে নিরাপত্তার জন্য নিজেদের এলাকায় বাহিনী মোতায়েন করতে পারবে লেবানন। ধাপে ধাপে লেবানন থেকে সেনা প্রত্যাহার করবে ইজরায়েল। অন্যদিকে, দক্ষিণ সীমান্ত থেকে অন্যত্র সরে যাবে হিজবুল্লা।



