Bartaman Logo
২০ আগস্ট, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

ইলিশের দাম চড়া, খাসির মাংসে জামাইষষ্ঠী বাঙালির, ঊর্ধ্বমুখী পাবদা-চিংড়ি-ভেটকির দরও

শ্বশুর-শাশুড়িরা ব্যাগ ভরতি করে বাজার সেরে ফেলেছিলেন আগেই। শনিবার সকাল থেকে শুরু হয় মেয়ে-জামাইদের নেমন্তন্ন রক্ষার পালা! জামাইষষ্ঠী বলে কথা! জামাইয়ের পাতে এক টুকরো ইলিশ পড়বে না, তা কি হয়!

ইলিশের দাম চড়া, খাসির মাংসে জামাইষষ্ঠী বাঙালির, ঊর্ধ্বমুখী পাবদা-চিংড়ি-ভেটকির দরও
  • ২১ জুন, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: শ্বশুর-শাশুড়িরা ব্যাগ ভরতি করে বাজার সেরে ফেলেছিলেন আগেই। শনিবার সকাল থেকে শুরু হয় মেয়ে-জামাইদের নেমন্তন্ন রক্ষার পালা! জামাইষষ্ঠী বলে কথা! জামাইয়ের পাতে এক টুকরো ইলিশ পড়বে না, তা কি হয়! কিন্তু এবার দেখা গেল অন্য চিত্র। জামাইষষ্ঠীতে অনেকাংশেই ইলিশ মাছের জায়গা নিয়েছে খাসির মাংস। কারণ, ইলিশের চড়া দাম।

Advertisement

দক্ষিণ কলকাতার লেক মার্কেটের মাছ বিক্রেতা সুরজিত্ বলছিলেন, ‘দেড় কিলো ওজনের ইলিশের দাম পড়ছে কেজি প্রতি ১৮০০ টাকা। আর ১ কেজি ২০০ গ্রাম ওজনের ইলিশ বিকোচ্ছে ১৬০০ টাকা কেজি দরে। ২ কেজি বা কিলো বা তার বেশি হলে ২২০০ টাকা। তবে শুক্রবার যা বিক্রি হওয়ার হয়ে গিয়েছে। এদিন খুব একটা বিক্রি নেই।’ অন্যদিকে, খাসির মাংসের দাম কেজি পিছু ১০০০ থেকে ১২০০ টাকা করে গিয়েছে। বর্তমান সময়ে বাড়িতে রান্না করার চেয়ে অনেকেই ‘ক্লাউড কিচেন’ থেকে খাবার অর্ডার দিয়ে আনিয়ে নিতেই স্বচ্ছন্দ। অনেকে আবার সপরিবারে চলে যান রেস্তরাঁয়। কিন্তু সেখানে খরচ তুলনামূলক বেশি। ‘পুষ্পান্ন’ ক্লাউড কিচেনের কর্ণধার শ্যামশ্রী চাকি বলছিলেন, ‘আমি এবারের মেনুতে ইলিশ মাছ রাখিনি। কারণ, মাথা আর ল্যাজা বাদ দিলে এক কেজি ইলিশে সাত-আটটা টুকরো হয়। তার চেয়ে খাসির মাংস কেনা ভালো। কারণ, লোকজন একটা থালির জন্য ৭০০ টাকার বেশি খুব একটা দিতে চায় না।’ এর পাশাপাশি পাবদা, চিংড়ি, ভেটকি মাছের দামও বেশ ঊর্ধ্বমুখী। সেই কারণেই কি এ বছর ইলিশের বিক্রি কম? হাওড়া হোলসেল ফিশ মার্কেটের সম্পাদক সইদ আনোয়ার মাকসুদ বলছিলেন, ‘এ বছর মাছ খুব একটা বিক্রি হচ্ছে না। আগের বছরের তুলনায় বিক্রিও অনেকটা কম। এক কিলো ইলিশ ১২০০ থেকে ১৩০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। সবই মায়ানমারের ইলিশ।’ 
অনেক জামাইয়ের আবার ‘রেড মিট’-এ শারীরিক সমস্যা! সেক্ষেত্রে মাছেই সীমাবদ্ধ থাকতে হয় শ্বশুর-শাশুড়িদের। টালিগঞ্জের বাসিন্দা সুকমল ভট্টাচার্য বলছিলেন, ‘বাঙালিদের মাছ না হলে হয় না। দাম তো বেশিই। কিন্তু এই একটা দিনই তো!’ 

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ