নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: একটি ধর্ষণের মামলায় দুই চিকিৎসকের ভিন্ন রিপোর্টে বিস্মিত হাইকোর্ট। বুধবার মামলার শুনানিতে বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষের প্রশ্ন, একই ঘটনায় মেদিনীপুর মেডিক্যাল কলেজের রিপোর্ট এবং কল্যাণী এইমসের রিপোর্ট আলাদা হয় কী করে?
নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: একটি ধর্ষণের মামলায় দুই চিকিৎসকের ভিন্ন রিপোর্টে বিস্মিত হাইকোর্ট। বুধবার মামলার শুনানিতে বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষের প্রশ্ন, একই ঘটনায় মেদিনীপুর মেডিক্যাল কলেজের রিপোর্ট এবং কল্যাণী এইমসের রিপোর্ট আলাদা হয় কী করে?
অভিযোগ, কাজ দেওয়ার টোপ দিয়ে এক যুবতীকে হুগলি থেকে পশ্চিম মেদিনীপুরের ডেবরায় নিয়ে যাওয়া হয়। তারপর নির্জন জায়গায় নিয়ে গিয়ে তাঁকে গণধর্ষণ করা হয় বলে অভিযোগ। অভিযোগ, তিন যুবক ওই যুবতীকে লাগাতার ধর্ষণ করে। ওই তিন যুবক বন্ধু। পরিকল্পনা করেই নাকি এই কাণ্ড।
এই ব্যাপারে মামলা দায়ের হওয়ার পর কল্যাণী এইমসের চিকিৎসককে রিপোর্ট দিতে নির্দেশ দেন বিচারপতি ঘোষ। সেই রিপোর্টে ভিন্ন তথ্য উঠে এসেছে। এ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন বিচারপতি। রাজ্যকে বিচারপতি প্রশ্ন করেন, ‘এটা কীভাবে সম্ভব?’
দুই চিকিৎসকের বয়ান রেকর্ড করা হয়েছে কি না, তা জানতে চান বিচারপতি। রাজ্যের তরফে জানানো হয়, মেদিনীপুর মেডিক্যাল কলেজের চিকিৎসকের বয়ান নেওয়া হয়েছে, কল্যাণী এইমসের চিকিৎসকের বয়ান এখনও নেওয়া হয়নি। আগামী শুক্রবার পরবর্তী শুনানি। ওইদিন রাজ্যকে ফের রিপোর্ট দিতে হবে।