Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬

হাইভোল্টেজ ভোটেও নিরুত্তাপ বাঙালি মহল্লা

হাইভোল্টেজ ভোটেও নিরুত্তাপ বাঙালি মহল্লা
  • ৩০ জানুয়ারি, ২০২৫ ০০:০০
Prefer us on Google
নিজস্ব প্রতিনিধি, নয়াদিল্লি: এলাকায় ভরপুর বাঙালি। তা সত্ত্বেও আমবাংলার গড়পড়তা ভোট আবহের সঙ্গে এর ছবি কোনওমতেই মিলবে না। সকাল-সন্ধ্যার অল্পবিস্তর চায়ে পে চর্চায় যে রাজনীতির কথা ওঠে না, তা নয়। তবে তার স্থায়িত্ব বেশিক্ষণ টেকে না। চা শেষ। চর্চাও। বাঙালি এলাকা হলেও ভোট এখানে তাই কোনও ‘উৎসব’ নয়। বরং প্রবাসের আমবাঙালির কাছে তা একদিনের ব্যস্ত ‘শিডিউল’ মাত্র। উত্তর কলকাতায় কোনও গলির রোয়াকের আড্ডায় কিংবা দূর মফঃস্বলে পরের পর পথসভায় যে ভোট-আবহ কল্পনা করাও মুশকিল। 
Advertisement
লোকসভা, বিধানসভা বা পুরভোট। এখানে সাধারণ বাঙালির মানসিকতা বিশেষ পাল্টায় না। তাই রাস্তাঘাটে বিশেষ রাজনৈতিক পোস্টার-ব্যানার চোখে পড়বে না। বাড়ির দেওয়ালে কোনও পোস্টার সাঁটিয়ে গেলেও তা খুলে দেবেন বাসিন্দারা। ‘উৎসব’ না হলেও রাজনীতি সম্পর্কে দিব্যি সচেতন প্রবাসী বাঙালি। আর মূলত সেই সচেতনতারই সুফল তুলতে মরিয়া সবক’টি রাজনৈতিক দল। ‘যখন ডাকি, তখন পাই’য়ের নীতিতে দিল্লির বাঙালি অধ্যুষিত গ্রেটার কৈলাস, সিআর পার্কের মতো অভিজাত এলাকায় তাই অনেকটাই এগিয়ে থেকে শুরু করছে আম আদমি পার্টি (আপ)। 
সিআর পার্ক এলাকা গ্রেটার কৈলাস বিধানসভা কেন্দ্রের আওতায়। আপের বিধায়ক-মন্ত্রী গ্রেটার কৈলাস কেন্দ্রের তিনবারের বিধায়ক। এবার একই কেন্দ্র থেকে একটানা চারবার জয়ের রেকর্ড গড়তে তিনি মরিয়া। বিজেপি গ্রেটার কৈলাস কেন্দ্র থেকে প্রার্থী করেছে শিখা রাইকে। এলাকার বাসিন্দারা বলছেন, গত লোকসভা নির্বাচনে প্রার্থী বাঁশুরি স্বরাজের হয়ে তাঁর কিছুটা দেখা মিলেছিল। তারপর থেকে তিনি সেভাবে আর দৃষ্টিগোচরই হননি। বিজেপির শিখা রাই বা কংগ্রেসের গর্বিত সিংভি— প্রত্যেকের বিরুদ্ধেই অভিযোগ একটিই। তাঁরা কেউই ‘দৃশ্যমান’ নন। যদিও সব দলের কাছেই বাঙালি অধ্যুষিত এলাকার বাসিন্দাদের বড় অংশের প্রশ্ন একটিই। একজন বাঙালি প্রার্থীও কেন মেলে না? রাজনৈতিক দলগুলির অবশ্য সাফাই, বাঙালি অধ্যুষিত এলাকা হলেও তাদের মাথায় রাখতে হয় অবাঙালি ভোটারদের কথাও। তাছাড়া যোগ্য বাঙালি প্রার্থীও মেলে না।
Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ