Bartaman Logo
৩ জুলাই, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

বেহালা পূর্ব-পশ্চিমে এবার হেল্পলাইন নম্বর চালু বিজেপির দুই জয়ী প্রার্থীর

তৃণমূলের ১৫ বছরের রাজত্বের অবসান। নীল-সাদা জমানা শেষ হওয়ায় বেহালা এখন ভরসা করছে গেরুয়া রংকে। এই পরিস্থিতিতে সাধারণ মানুষের স্বার্থে দু’হাত বাড়িয়ে দিতে প্রস্তুত বেহালার দু’টি বিধানসভা কেন্দ্রের নবনির্বাচিত দুই বিজেপি প্রার্থী।

বেহালা পূর্ব-পশ্চিমে এবার হেল্পলাইন নম্বর চালু বিজেপির দুই জয়ী প্রার্থীর
  • ১৮ মে, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: তৃণমূলের ১৫ বছরের রাজত্বের অবসান। নীল-সাদা জমানা শেষ হওয়ায় বেহালা এখন ভরসা করছে গেরুয়া রংকে। এই পরিস্থিতিতে সাধারণ মানুষের স্বার্থে দু’হাত বাড়িয়ে দিতে প্রস্তুত বেহালার দু’টি বিধানসভা কেন্দ্রের নবনির্বাচিত দুই বিজেপি প্রার্থী। বেহালা পূর্ব ও বেহালা পশ্চিম বিধানসভা কেন্দ্রে চালু হল বিধায়কের হেল্পলাইন নম্বর। দিনে ২৪ ঘণ্টাই খোলা থাকছে সেই নম্বর। কোনো সমস্যা বা অভিযোগের কথা জানানো যাবে এক ফোনে। কোনো নথিপত্রে জনপ্রতিনিধির সই লাগলে ওই নম্বরেই যোগাযোগ করতে পারবেন সাধারণ মানুষ। নির্বাচিত হওয়ার পর জনসংযোগে কোনো ত্রুটি রাখতে চান না বেহালা পূর্বের শংকর সিকদার ও বেহালা পশ্চিমের ডাঃ ইন্দ্রনীল খাঁ। এটাই তাঁদের অঙ্গীকার। এক ফোনে জনসংযোগের এই পন্থায় খুশি এলাকাবাসী। 

Advertisement

বেহালা পূর্ব থেকে নির্বাচিত বিজেপি প্রার্থী শংকর সিকদারের হেল্পলাইন নম্বর হল— ৯৬৭৪৬৫৭৫৬৫। ডায়মন্ডহারবার রোডের ঠিক উল্টোদিকে বেহালা পশ্চিমে বিজেপির জয়ী প্রার্থী ডাঃ ইন্দ্রনীল খাঁয়ের হেল্পলাইন নম্বর হল— ৮১১৬৪৬৭০০২। সোমবার থেকেই এই নম্বর দু’টি চালু হয়ে গিয়েছে। এলাকার পার্টি অফিস থেকেও এই হেল্পলাইন নম্বর সংগ্রহ করতে পারবেন স্থানীয় বাসিন্দারা। শুধু তাই নয়, বিজেপি নেতৃত্ব সূত্রে খবর, এই হেল্পলাইন নম্বর সোশ্যাল মিডিয়ায় শংকর সিকদার ও ইন্দ্রনীল খাঁর পেজেও পোস্ট করা হয়েছে। সেখান থেকেও মানুষ সংগ্রহ করতে পারেন। ইতিমধ্যেই বেহালা পূর্ব ও পশ্চিমের মানুষ তাঁদের অভাব-অভিযোগ নিয়ে ফোন করতে শুরু করেছেন। গত ৪৮ ঘণ্টায় প্রায় দু’শতাধিক ফোন এসেছে বলে জানা গিয়েছে। সবার বক্তব্যই গুরুত্ব দিয়ে শোনা হচ্ছে। এইসব সমস্যা মেটানোর আশ্বাস দেওয়া হচ্ছে। অনেকে আবার ফোন করছেন নিছকই অভিনন্দন জানাতে। বেহালা পূর্ব ও পশ্চিম বিধানসভা কেন্দ্রে আগে বিধায়কের কোনো হেল্পলাইন নম্বর ছিল না। ফলে এই আমলে সরাসরি বিধায়কের সঙ্গে যোগসূত্র তৈরি হওয়ায় উৎসাহী এলাকাবাসী। তাঁরা একযোগে বলছেন— ‘ভরসা ইন’। বেহালার পর্ণশ্রীর বাসিন্দা কুহেলি চট্টোপাধ্যায় বলেন, ‘তৃণমূলের বিধায়ক সিংহভাগ সময় জেলে ছিলেন। যাঁকে বিধায়কের কাজকর্ম দেখভালের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। তাঁকে এলাকায় দেখা যেত না। এবার অন্তত কোনো প্রয়োজনে বিধায়ককে ফোনে পাওয়া যাবে।’
নতুন হেল্পলাইন নম্বর প্রসঙ্গে বেহালা পূর্বের জয়ী প্রার্থী শংকর সিকদারের বক্তব্য, ‘মানুষ ভরসা রেখেছেন। আমরা জনপ্রতিনিধি হয়েছি। এবার আমাদের প্রতিশ্রুতি পালনের পালা। জনপ্রতিনিধির কাজ মানুষকে পরিষেবা দেওয়া। তার জন্যই বেহালা পূর্বের প্রতিটি মানুষের কাছে আমি যেতে চাই।’ একই সুরে সুর মিলিয়েছেন ইন্দ্রনীল খাঁ’ও। তিনি বলেন, ‘এখানে অভিনবত্বের কিছু নেই। কোনো প্রয়োজনে মানুষ যাতে আমাকে সব সময় পান, তা নিশ্চিত করব।’

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ