Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

বিহারে নির্বাচনী প্রচারে ব্রাত্য বঙ্গ বিজেপির ‘হেভিওয়েট’ নেতারাও

বাংলার মসনদ দখলের লড়াই হতে সাতমাস বাকি। তার আগে পড়শি রাজ্য বিহারে বিধানসভা ভোট। ভোট নেওয়া হবে ৬ ও ১১ নভেম্বর দু-দফায়।

বিহারে নির্বাচনী প্রচারে ব্রাত্য বঙ্গ  বিজেপির ‘হেভিওয়েট’ নেতারাও
  • ১৮ অক্টোবর, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: বাংলার মসনদ দখলের লড়াই হতে সাতমাস বাকি। তার আগে পড়শি রাজ্য বিহারে বিধানসভা ভোট। ভোট নেওয়া হবে ৬ ও ১১ নভেম্বর দু-দফায়। ১৪ নভেম্বর লালু-নীতীশের রাজ্যে ভোটের ফলাফল ঘোষিত হবে। পাশের রাজ্য পশ্চিমবঙ্গের প্রধান বিরোধী দল বিজেপি। অথচ বিহারে ভোট প্রচার বাংলা থেকে একজন নেতার নামও কেন্দ্রীয় বিজেপির তরফে পাঠানো হয়নি। সেখানে আসন্ন নির্বাচন পর্বে ৪০ জন ভোট প্রচারকের নাম নির্বাচন কমিশনে পাঠানো হয়েছে। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, সর্বভারতীয় সভাপতি জগৎপ্রকাশ নাড্ডাসহ অনেক জাতীয় ও আঞ্চলিক নেতা। কিন্তু সেই তালিকায় ব্রাত্য বঙ্গ বিজেপির ‘তাবড়’ নেতৃত্ব। পশ্চিমবঙ্গের দুই কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার ও শান্তনু ঠাকুরও ডাক পাননি। সুকান্তবাবু রাজ্য বিজেপির প্রাক্তন সভাপতি ও কেন্দ্রীয় শিক্ষা রাষ্ট্রমন্ত্রী। শান্তনুবাবু মতুয়া মহাসংঘের অন্যতম সর্বোচ্চ নেতা। পাশাপাশি তিনি কেন্দ্রীয় জাহাজ রাষ্ট্রমন্ত্রী। এহেন জোড়া হেভিওয়েট নেতাকেও বিহারে ভোটের প্রচারে পাঠাচ্ছে না গেরুয়া পার্টি।

Advertisement

অন্যদিকে, রাজ্যের বিরোধী দলনেতা নামও রাখা হয়নি এই তালিকায়। গত কয়েকবছরে রাজ্য থেকে একাধিক নেতাকে দেশের বিভিন্ন রাজ্যের বিধানসভা ভোটের প্রচারে পাঠানো হয়েছিল। উত্তরাখণ্ডে গিয়েছিলেন লকেট চট্টোপাধ্যায়। দিল্লি বিধানসভা নির্বাচনে গিয়েছিলেন বিরোধী দলনেতা। তবে বিহারে কেউই কল্কে পাননি। উল্লেখ্য, বিহারের বিভিন্ন জেলায় উল্লেখযোগ্য সংখ্যায় বাঙালি ভোটার রয়েছেন। পাশাপাশি, বাংলায় কর্মসূত্রে থাকলেও হাজার হাজার মানুষের বাস এখনও বিহারে। স্বভাবতই সেসব অঞ্চলে বঙ্গ নেতাদের প্রভাব যথেষ্ট থাকারই কথা। কিন্তু মোদি-শাহদের মনে বাঙালি নেতাদের যোগ্যতা নিয়েই সংশয় রয়েছে বলে মত দলের একাংশের। তাঁদের কথায়, বাংলা-বিহার কার্যত সমার্থক। এক্ষেত্রে বিহার ভোটে বঙ্গ বিজেপি নেতাদের দূরে সরিয়ে রখার ঘটনা রীতিমতো অপমানজনক। যদিও পার্টির অপর অংশের দাবি, এখানকার নেতাদের রাজনৈতিক পরিপক্বতা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। টিভিতে কিংবা সামাজিক মাধ্যমে গলা ফাটানো আর সংগঠন মজবুত করে জনমানসে প্রভাব বিস্তারে ফারাক রয়েছে। বিহার ভোটে রাজ্য বিজেপি নেতাদের স্বরূপটাই তুলে ধরা হয়েছে, মন্তব্য দলের একাংশের।   

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ