ওয়াশিংটন, ১০ জুন: ট্রাম্প প্রশাসনের অবৈধ অভিবাসীদের ধরপাকড়ের ঘটনাকে কেন্দ্র করে উত্তপ্ত ক্যালিফোর্নিয়ার লস এঞ্জেলস। বেশ কয়েকদিন ধরেই আগুন জ্বলছে লস এঞ্জেলসে। রাস্তায় নেমে প্রতিবাদ দেখানো, ফেডেরাল কর্মী ও তাঁদের সম্পত্তি ধ্বংস করা। গাড়িতে অগ্নিকাণ্ড, সরকারি সম্পত্তি নষ্টের মতো ঘটনা ঘটছে লস এঞ্জেলসে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থ ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর গেভিন নিউসম। এমনটাই দাবি করেছেন আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। আর সেই ব্যর্থতার কথা বলেই লস এঞ্জেলসে দু’হাজার ন্যাশনাল গার্ড মোতায়েন করেছেন তিনি। জানা গিয়েছে, আজ থেকেই সাময়িকভাবে মেরিনবাহিনীর ৭০০ জন সদস্যকে লস এঞ্জেলসে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। পরিস্থিতি আরও জটিল হচ্ছে বুঝেই এই সিদ্ধান্ত ট্রাম্পের।
এই বিষয়ে আমেরিকার সেনাবাহিনীর তরফে জানানো হয়েছে, লস এঞ্জেলসের বিস্তৃত এলাকায় ফেডেরাল কর্মী ও তাঁদের সম্পত্তির সুরক্ষা নিশ্চিত করতে ন্যাশনাল গার্ড যেভাবে কাজ করছে মেরিন সেনারা তাঁদের সঙ্গেই কাজ করবে। ওই এলাকায় নজরদারি অব্যাহত রাখতে পর্যাপ্ত সংখ্যক বাহিনীর প্রয়োজন। তাই মেরিন সেনাকে মোতায়েন করা হয়েছে। টাস্ক ফোর্স ৫১–এর মধ্যে ২ হাজার ১০০ ন্যাশনাল গার্ড সদস্য এবং ৭০০ মেরিন সেনা রয়েছেন। ট্রাম্প প্রশাসন জানিয়েছে, আরও দু’হাজার অতিরিক্ত ন্যাশনাল গার্ড রওনা দিচ্ছে লস এঞ্জেলসের উদ্দেশে। যদিও ন্যাশনাল গার্ড মোতায়েনের সিদ্ধান্তের তীব্র বিরোধিতা করেছেন ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর। ট্রাম্প প্রশাসনের এই নির্দেশের বিরুদ্ধে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছেন তিনি। পাল্টা ট্রাম্প ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর তথা ডেমোক্র্যাট নেতাকে গ্রেপ্তারির হুঁশিয়ারিও দিয়েছেন।