Bartaman Logo
৯ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

কুষ্ঠরোগী চিহ্নিত করার লক্ষ্যে বাড়ি বাড়ি যাচ্ছেন স্বাস্থ্যকর্মীরা

গায়ে সাদা ছোপ ছোপ দাগ আছে? পায়ের নীচে বা হাতে বার বার ফোস্কা পড়ছে? এগুলি কুষ্ঠ হওয়ার অন্যতম লক্ষণ, বলছেন চিকিৎসকরা।

কুষ্ঠরোগী চিহ্নিত করার লক্ষ্যে বাড়ি বাড়ি যাচ্ছেন স্বাস্থ্যকর্মীরা
  • ৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, দক্ষিণ ২৪ পরগনা: গায়ে সাদা ছোপ ছোপ দাগ আছে? পায়ের নীচে বা হাতে বার বার ফোস্কা পড়ছে? এগুলি কুষ্ঠ হওয়ার অন্যতম লক্ষণ, বলছেন চিকিৎসকরা। কারও এমন উপসর্গ আছে কি না, দেখতে মঙ্গলবার থেকে দক্ষিণ ২৪ পরগনায় বিশেষ অভিযান শুরু হল। মূলত আটটি ব্লকে এই কর্মসূচি করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সেগুলি হল: ক্যানিং ১ এবং ২, ভাঙড় ১, ২, বিষ্ণুপুর ১, ২, গোসাবা এবং জয়নগর ২। আগে এইসব জায়গায় তুলনামূলকভাবে বেশি আক্রান্তের খোঁজ পাওয়া গিয়েছিল বলেই দাবি চিকিৎসকদের। 

Advertisement

তাঁদের মতে, আগাম এই রোগ ধরা গেলে চিকিৎসা দ্রুত শুরু করা যাবে। ফলে রোগীও তাড়াতাড়ি সুস্থ হয়ে উঠবেন। যত দেরি হবে ততই জটিলতা বাড়বে। তাছাড়া জেলাজুড়ে গত কয়েক বছর ধরে কুষ্ঠরোগীর সংখ্যা একটু একটু করে বেড়েছে। কারণ অনেকেরই এই রোগ দেরিতে ধরা পড়েছে। তাই দ্রুত এই রোগ চিহ্নিত করার ব্যবস্থা চাইছে স্বাস্থ্যবিভাগ। সেই লক্ষ্য নিয়েই বাড়ি বাড়ি খোঁজ নেবেন স্বাস্থ্যকর্মীরা। পুরুষ, মহিলা উভয়েরই শরীরের নানা অংশ পরীক্ষা করা হবে। এই কর্মসূচি ১৮ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত চলবে। একে বলা হচ্ছে লেপ্রসি ডিটেকশন ক্যাম্পেইন। 
দক্ষিণ ২৪ পরগনা স্বাস্থ্য জেলায়২০২১-২২ সালে কুষ্ঠরোগীর সংখ্যা ছিল ২৭। সেটা প্রতি বছর বেড়েছে। কোনও বছর ৬৭ হয়েছে, কোনও বছর ৮০ ছড়িয়ে গিয়েছে। চলতি বছরে এখনও ৭১ জন আক্রান্ত হয়েছেন। বিভিন্ন স্বাস্থ্যকেন্দ্রেও পরীক্ষা করাতে আসা রোগীদের মধ্যে রোগটি চিহ্নিত হয়েছে। কুষ্ঠ যাতে বেশি ছড়িয়ে না পড়ে, সেজন্যও বিশেষ পদক্ষেপ করা হচ্ছে। এই নিয়ে মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক মুক্তিসাধন মাইতি বলেন, যে ক’জনের এই রোগ চিহ্নিত হয়েছে, সেই সংখ্যাটি এখনই উদ্বেগজনক নয়। তবে আগাম চিহ্নিত করা গেলে রোগী দ্রুত সুস্থ হতে পারবেন। তাই এই কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ