Bartaman Logo
৩১ জুলাই, ২০২৬
বর্তমান / হেলথ

সারভাইক্যাল ক্যান্সারের টিকা নিতে অনীহা ছাত্রীদের, উদ্বিগ্ন স্বাস্থ্যকর্তারা

মহিলাদের মধ্যে জরায়ুর ক্যান্সারে আক্রান্তের সংখ্যা ব্যাপক হারে বাড়ছে। এই সম্ভাবনাকে অচিরেই নির্মূল করতে চাইছে সরকার।

সারভাইক্যাল ক্যান্সারের টিকা নিতে অনীহা ছাত্রীদের, উদ্বিগ্ন স্বাস্থ্যকর্তারা
  • ৩১ জুলাই, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, দক্ষিণ ২৪ পরগনা: মহিলাদের মধ্যে জরায়ুর ক্যান্সারে আক্রান্তের সংখ্যা ব্যাপক হারে বাড়ছে। এই সম্ভাবনাকে অচিরেই নির্মূল করতে চাইছে সরকার। তাই সারভাইক্যাল ক্যান্সার রোধে টিকা নেওয়ার জন্য ছাত্রীদের মধ্যে ব্যাপক প্রচার চালানো হচ্ছে। তবে প্রচার করলে কী হবে, অনেক জায়গাতেই দেখা যাচ্ছে, টিকা নিতে ব্যাপক অনীহা। দক্ষিণ ২৪ পরগনা স্বাস্থ্য জেলার বিভিন্ন জায়গায় এই ছবি উঠে এসেছে। অভিযোগ, ছাত্রীরা নাম রেজিস্টার করলেও পরে আর টিকা নিতে সেন্টারে আসছে না। স্বাভাবিকভাবেই এ নিয়ে চিন্তায় স্বাস্থ্য আধিকারিকরা। তাঁদের দাবি, ছাত্রীদের একাংশের মধ্যে এ নিয়ে ভুল ধারণা রয়েছে। ফলে আরও বেশি সমস্যা হচ্ছে। বিভিন্ন এলাকা, স্কুলে এ নিয়ে প্রচার চালাচ্ছে স্বাস্থ্য জেলা। কিন্তু তাতে আশানুরূপ ফল হচ্ছে না বলেই জানা গিয়েছে।

Advertisement

স্বাস্থ্য বিভাগের পরিসংখ্যান বলছে (২৩ জুলাই পর্যন্ত), পুরসভা এলাকায় সবচেয়ে করুণ অবস্থা। রাজপুর সোনারপুর পুরসভায় মাত্র তিন শতাংশ ছাত্রীকে সারভাইক্যাল ক্যান্সারের টিকা দেওয়া সম্ভব হয়েছে। মহেশতলায় এই কর্মসূচি এখনও শুরুই করা যায়নি। জয়নগর মজিলপুর পুরসভা এলাকায় টিকাকরণের হার ১০ শতাংশের সামান্য বেশি। গ্রামাঞ্চলেও একই হাল। ভাঙড় ২, বারুইপুর, ক্যানিং ১, বাসন্তী সহ একাধিক ব্লকে এখনও পর্যন্ত ২০ শতাংশের কম ছাত্রীকে এই টিকা দেওয়া গিয়েছে।
স্বাস্থ্য দপ্তরের নির্দেশ, তিনমাসের মধ্যে টিকাকরণের কাজ শেষ করতে হবে জেলাগুলিকে। ইতিমধ্যেই এক মাস হয়ে এল, অথচ দক্ষিণ ২৪ পরগনা স্বাস্থ্য জেলায় ২২ শতাংশের সামান্য বেশি ছাত্রীকে এই টিকা দেওয়া সম্ভব হয়েছে। এই স্বাস্থ্য জেলায় প্রায় ৪০ হাজার ছাত্রীকে টিকা দেওয়ার কথা। কিন্তু এখনও পর্যন্ত সেই সংখ্যা দাঁড়িয়েছে সাত হাজার। বাকি দু’মাসে লক্ষ্যমাত্রা পূরণ করতে মরিয়া স্বাস্থ্যকর্তারা। একারণে লাগাতার প্রচারে জোর দেওয়া হয়েছে। এক আধিকারিক বলেন, আমরা স্কুলগুলিকে বলেছি, ছাত্রীদের টিকা নেওয়া কেন জরুরি, তা তাদের বোঝাতে হবে। আশাকর্মীরাও নিজের নিজের এলাকায় প্রচার চালাচ্ছেন। যত বেশি ছাত্রীকে আমরা এই টিকা দিতে পারব, ততই লাভ। সেই চেষ্টাই চালিয়ে যাচ্ছি।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ