নয়াদিল্লি: কমলা হ্যারিসকে হারিয়ে দ্বিতীয়বারের জন্য মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মসনদে বসতে চলেছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। সেই ট্রাম্প মনে করেন, তাঁর সাফল্যের পিছনে রয়েছেন বিশ্বের শ্রেষ্ঠ ধনকুবের ‘এক্স’ এবং ‘স্পেসএক্স’-এর সিইও এলন মাস্ক। এবারের নির্বাচনে ট্রাম্পের সমর্থনে গলা ফাটিয়েছেন এলন। বুধবার জয়ের মঞ্চে এলনের সেই সমর্থনের কথা স্বীকার করেছেন কৃতজ্ঞ ট্রাম্প। মাস্ককে ‘নক্ষত্র’ বলেছেন তিনি। এমনকী ডোনাল্ড ট্রাম্পের পারিবারিক অ্যালবামেও ঠাঁই হয়েছে মাস্কের। বুধবার পরিবারের ছবি প্রকাশ করেছেন ডোনাল্ড ট্রাম্পের নাতনি কাই ট্রাম্প। সেখানে দেখা যাচ্ছে, শিশুকে কোলে নিয়ে দাঁড়িয়ে রয়েছেন এলন। সেই ছবিতে ট্রাম্প পত্নী মেলানিয়া না থাকলেও এলনের ঠাঁই পাওয়া নজর কেড়েছে নেটিজেনদের। অনেকেই এই নিয়ে সরস মন্তব্য করেছেন। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে রাজনীতিক এবং শিল্পপতিদের দহরমমহরম নতুন কিছু নয়। বরং এটি একটি স্বীকৃত ব্যবস্থা। সেই সূত্রে অনেকেই বলতে শুরু করেছেন, প্রেসিডেন্টের ‘আশীর্বাদে’ আরও ফুলে ফেঁপে উঠতে চলেছে এলন মাস্কের সাম্রাজ্য।
Advertisement
বহুদিন ধরেই ভারতের ইন্টারনেট বাজারে প্রবেশ করতে সক্রিয় মাস্কের স্টারলিঙ্ক। এই ইন্টারনেট ব্যবস্থা কৃত্রিম উপগ্রহ ভিত্তিক। ভূপৃষ্ঠের উপরে লোয়ার অরবিটে অবস্থান করা উপগ্রহের মাধ্যমে এই ইন্টারনেট ব্যবস্থা চলবে। প্রয়োজন পড়বে না কোনও ভূগর্ভস্থ অপটিক্যাল ফাইবার বা ওভারহেড কেবল। এই স্যাটেলাইট ভিত্তিক ইন্টারনেটের স্পিড হবে অনেক বেশি। এক কথায় যুগান্তকারী। কেবলহীন হওয়ায় প্রাকৃতিক বিপর্যয় সত্ত্বেও নিরবিচ্ছিন্ন ইন্টারনেট পরিষেবা দেওয়া সম্ভব হবে। জয়ের মঞ্চেই এই সম্ভাবনাময় স্টারলিঙ্কের উল্লেখ করেছিলেন ট্রাম্প। চলতি বছরের প্রথম দিকে হ্যারিকেন হেলেনার সময় স্টারলিঙ্ক ‘জীবনদায়ী’ ভূমিকা পালন করেছিল বলে জানিয়েছেন ট্রাম্প। ভারতে নানা কারণে স্টারলিঙ্কের পরিষেবা আটকে রয়েছে। ট্রাম্প ক্ষমতায় এসে স্টারলিঙ্কের প্রসারে বড় ভূমিকা নেবেন বলেই ধারণা বিশেষজ্ঞদের।
সেই ২০২১ সাল থেকে ভারতের বাজারে প্রবেশের চেষ্টা করছে স্টারলিঙ্ক। এমনকী তারা প্রি-অর্ডারের আবেদন করে বিজ্ঞপ্তিও দেয়। সরকারের পক্ষ থেকে তখন জানানো হয়, ওই সংস্থার ভারতে ব্যবসা করার অনুমতি নেই। ব্যবসা করতে গেলে লাইসেন্স নিতে হবে। ভারতে স্টারলিঙ্ক নিয়ে আপত্তি তুলেছে চালু টেলিকম পরিষেবা সংস্থাগুলি। তবে ট্রাম্পের পৃষ্ঠপোষকতায় সরকারি এবং চলতি টেলিকম পরিষেবা সংস্থাগুলির বাধা কাটবে বলে অনেকেই মনে করছেন।
সেই ২০২১ সাল থেকে ভারতের বাজারে প্রবেশের চেষ্টা করছে স্টারলিঙ্ক। এমনকী তারা প্রি-অর্ডারের আবেদন করে বিজ্ঞপ্তিও দেয়। সরকারের পক্ষ থেকে তখন জানানো হয়, ওই সংস্থার ভারতে ব্যবসা করার অনুমতি নেই। ব্যবসা করতে গেলে লাইসেন্স নিতে হবে। ভারতে স্টারলিঙ্ক নিয়ে আপত্তি তুলেছে চালু টেলিকম পরিষেবা সংস্থাগুলি। তবে ট্রাম্পের পৃষ্ঠপোষকতায় সরকারি এবং চলতি টেলিকম পরিষেবা সংস্থাগুলির বাধা কাটবে বলে অনেকেই মনে করছেন।



