নিজস্ব প্রতিনিধি, বারাসত: শনিবার সকালে এক গৃহবধূর ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার হল হাবড়ার কাশীপুরে। মৃতার নাম, ঋতু সরকার(২৫)। প্রাথমিক তদন্তের পর পুলিসের অনুমান, বধূ আত্মঘাতী হয়েছেন। দেহ ময়নাতদন্তে পাঠানো হয়েছে। মৃতার পরিবারের অভিযোগ, মানসিক অত্যাচার চালানো হতো মেয়ের উপর। ফোনে কারও সঙ্গে কথা বললে সন্দেহ করতেন স্বামী। তখন বেড়ে যেত অত্যাচারের মাত্রা। ঋতুদেবীর স্বামী সুমন বিশ্বাস বিএসএফে কর্মরত।
Advertisement
জানা গিয়েছে, ঋতুদেবীর বাপের বাড়ি হাবড়ার কুমড়া পঞ্চায়েতের কাশীপুরে। সুমনের সঙ্গে তাঁর বিয়ে প্রেম করে। শ্বশুরবাড়ি পাশের গ্রামে। এক বছর আগে তাঁদের বিয়ে হয়। স্বামী ফোনে নিয়মিত কথা বলতেন স্ত্রীর সঙ্গে। তবে স্ত্রীর ফোন ব্যস্ত থাকলে অন্য কারও সঙ্গে প্রেম করছে বলে সন্দেহ করতেন। এ নিয়ে বিয়ের কিছুদিন পর থেকেই দাম্পত্য অশান্তি শুরু হয়।
ঋতুদেবীর উপর ফোন করে মানসিক অত্যাচার শুরু করেন সুমন। এদিন মেয়ের মৃত্যুর খবর পেয়ে তাঁর পরিবারের সদস্যরা আসেন। দেখতে পান ঘরের সিলিং ফ্যান থেকে ঝুলছেন ঋতুদেবী। শ্বশুরবাড়ির পক্ষ থেকে তাঁদের জানানো হয়, গলায় দড়ি দিয়ে আত্মঘাতী হয়েছেন ঋতু। খবর পেয়ে হাবড়া থানার পুলিস দেহ উদ্ধার করে। মৃতার মাসি কঙ্কনা বিশ্বাস বলেন, ‘ফোনে ব্যস্ত পেলেই সুমন সন্দেহ করত। গালিগালাজ করত। অশান্তির কারণে কিছুদিন ঋতু বাপের বাড়ি চলে গিয়েছিল। সুমন ভুল স্বীকার করে ফিরিয়ে আনে। কিন্তু দোষ শুধরে নেয়নি। আমরা দোষীর শাস্তি চাই।’
ঋতুদেবীর উপর ফোন করে মানসিক অত্যাচার শুরু করেন সুমন। এদিন মেয়ের মৃত্যুর খবর পেয়ে তাঁর পরিবারের সদস্যরা আসেন। দেখতে পান ঘরের সিলিং ফ্যান থেকে ঝুলছেন ঋতুদেবী। শ্বশুরবাড়ির পক্ষ থেকে তাঁদের জানানো হয়, গলায় দড়ি দিয়ে আত্মঘাতী হয়েছেন ঋতু। খবর পেয়ে হাবড়া থানার পুলিস দেহ উদ্ধার করে। মৃতার মাসি কঙ্কনা বিশ্বাস বলেন, ‘ফোনে ব্যস্ত পেলেই সুমন সন্দেহ করত। গালিগালাজ করত। অশান্তির কারণে কিছুদিন ঋতু বাপের বাড়ি চলে গিয়েছিল। সুমন ভুল স্বীকার করে ফিরিয়ে আনে। কিন্তু দোষ শুধরে নেয়নি। আমরা দোষীর শাস্তি চাই।’



