সংবাদদাতা, কাঁথি: দীঘার সমুদ্রসৈকতে আর পসরা সাজিয়ে বসতে পারবেন না হকাররা। পর্যটকদের স্বচ্ছন্দ্যে যাতায়াতের জন্য এই পদক্ষেপ করছে দীঘা-শংকরপুর উন্নয়ন সংস্থা (ডিএসডিএ)। মঙ্গলবার থেকেই এই নির্দেশিকা জারি করেছে ডিএসডিএ। সোমবার রাতে ডিএসডিএ, দীঘা ও দীঘা মোহনা কোস্টাল থানার পক্ষ থেকে দীঘার সৈকতজুড়ে মাইকিং করে নির্দেশিকার কথা জানানো হয়। পসরা সাজিয়ে বসা হকারদের দাপটে সৈকতে পর্যটকদের অনেক সময় কার্যত পা ফেলার জায়গা থাকে না। পর্যটকদের অবাধ যাতায়াতে সুবিধা এবং পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখতে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। মাইকিং করে বলা হচ্ছে, ৩নভেম্বর মঙ্গলবার থেকে দীঘার সৈকতে হকাররা বসতে পারবেন না। দোকানদার-ব্যবসায়ীদের নির্দিষ্ট জায়গাতেই ব্যবসা করতে হবে। যত্রতত্র দোকানপাট বসানো বা পসরা সাজিয়ে বসা যাবে না। সংশ্লিষ্ট সকলকে প্রশাসনের সঙ্গে সহযোগিতা করার আহ্বান জানানো হয়। উল্লেখ্য, সৈকতে বিক্রিবাট্টার জন্য স্টল রয়েছে। কিন্তু বিকেল হলেই সৈকতে পসরা সাজিয়ে সারি সারি কয়েকশো হকাররা বসে যান। ঝিনুকের সামগ্রী বা শো-পিস বিক্রি করেন। কেউ বিভিন্ন খাবারের স্টল দেন। শুধু তাই নয়, অনেকের স্টল থাকা সত্ত্বেও সামনে পসরা সাজিয়ে বসে যান। এরফলে কেনাকাটার জন্য পর্যটকের একাংশের ভিড় জমে যায়। এতে পর্যটকের যাতায়াতে খুবই সমস্যা হয়। তাছাড়া অতিরিক্ত হকার বসার কারণে সৈকতে সৌন্দর্যায়নের ক্ষতি হয়। খাবারের পর আবর্জনা পড়ে থাকে। সামনেই পর্যটনের মরশুম আসছে। এই সময় প্রচুর ভিড় হবে সৈকতে। পর্যটকদের নির্বিঘ্নে যাতায়াতের সুযোগ করে দিতেই এই পদক্ষেপ করা হয়েছে বলে ডিএসডিএর সিইও প্রতীক অশোক ধুমল জানিয়েছেন। তিনি বলেন, পর্যটকরা যাতে সৈকতে স্বাচ্ছন্দ্যে ঘোরাফেরা করতে পারেন, সেই লক্ষ্যেই এই উদ্যোগ।



