শিবাজী চক্রবর্তী, কলকাতা: যত দোষ নন্দ ঘোষ। আইএফএ সচিবের চেয়ার নাকি এমনটাই। প্রশংসা কম, সমালোচনা প্রচুর। সুতারকিন স্ট্রিটের হটসিট সামলানো কতটা কঠিন? বর্তমানের যাবতীয় প্রশ্নের খোলামেলা উত্তর দিলেন আইএফএ সচিব অনির্বাণ দত্ত।
শিবাজী চক্রবর্তী, কলকাতা: যত দোষ নন্দ ঘোষ। আইএফএ সচিবের চেয়ার নাকি এমনটাই। প্রশংসা কম, সমালোচনা প্রচুর। সুতারকিন স্ট্রিটের হটসিট সামলানো কতটা কঠিন? বর্তমানের যাবতীয় প্রশ্নের খোলামেলা উত্তর দিলেন আইএফএ সচিব অনির্বাণ দত্ত।
প্রশ্ন: ভারতীয় ফুটবলে ব্লু রিবনের অন্যতম ছিল আইএফএ শিল্ড। আগের উন্মাদনা ফেরানো সম্ভব?
অনির্বাণ: চলতি মরশুমে ঘরোয়া লিগে পুরানো উদ্দীপনা ফিরেছে। শেষ ম্যাচ পর্যন্ত টেনশন জিইয়ে ছিল। মিলিয়ে নেবেন, শিল্ডও দারুণ সফল হবে। শুধু মাঠে বল পড়ার অপেক্ষা। ভিনরাজ্যের দল আসছে। আইএসএল ও আই লিগের আগে দল সেট করার সুযোগ কেউ হাতছাড়া করতে চাইবে না।
প্রশ্ন: এত বছর পরেও আইএফএ আর্থিকভাবে স্বাবলম্বী নয়। এই হাল কেন?
অনির্বাণ: শুধু আইএফএ কেন? ভারতীয় ফুটবলের সর্বত্র একই হাল। অধিকাংশ ক্লাব আর্থিক সমস্যায় ধুঁকছে। তবে আমার বিশ্বাস, বাংলার ফুটবলের স্বার্থে নিশ্চয়ই বড় কোম্পানি আমাদের পাশে দাঁড়াবে।
প্রশ্ন: বঙ্গ ফুটবল সংস্থায় নাকি ঘরের ভিতর ঘর। চোরাবালির উপর দাঁড়িয়ে আইএফএ?
অনির্বাণ: একসঙ্গে কাজ করলে মত পার্থক্য থাকবেই। তবে সংস্থার ভালোর জন্য গঠনমূলক সমালোচনা প্রয়োজন। কিন্তু বুঝতে হবে, পিছন থেকে ছুরি মারলে আখেরে ফুটবলেরই ক্ষতি।
প্রশ্ন: আপনার বিরুদ্ধে চেয়ার আটকে রাখার অভিযোগ রয়েছে। অনেকেরই ধারণা, ইচ্ছাকৃতভাবে নির্বাচন পদ্ধতি দেরি করিয়ে দেওয়া হচ্ছে। কী বলবেন?
অনির্বাণ: নতুন সংবিধান লাগু করতে একটু সময় তো লাগবেই। বিষয়টা এত সহজ নয়। রীতিমতো আইনি পরামর্শ মেনে নির্দিষ্ট কমিটি কাজ করছে। চেয়ার ধরে রাখার প্রশ্নই নেই। খুব দ্রুত নির্বাচন প্রক্রিয়া শুরু হবে। (হেসে)আইএফএ থেকে আমার পাওয়ার কিছুই নেই।
প্রশ্ন: সচিব হিসাবে মার্কশিটে নিজেকে কত নম্বর দেবেন?
অনির্বাণ: নম্বরে বিশ্বাস করি না। তবে সন্তোষ ট্রফি থেকে শুরু করে সাব জুনিয়রে চ্যাম্পিয়ন বাংলা। ক্লাব ফুটবলেও বাংলার জয়জয়কার। আর হ্যাঁ, ফেডারেশনের বিচারে সেরা সংগঠকও কিন্তু আইএফএ। আমাদের সাধ্য সীমিত। কিন্তু আইএফএ’র আন্তরিকতায় কমতি নেই।
প্রশ্ন: পরিকাঠামোর উন্নতি কীভাবে সম্ভব?
অনির্বাণ: ময়দানে খোলা মাঠের সংস্কার অবিলম্বে করা দরকার। ক্রীড়ামন্ত্রীর সঙ্গেও আলোচনা হয়েছে এবিষয়ে। সরকার সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিলে সবার আগে মাঠের উন্নতি করতে চাই।