Bartaman Logo
৯ জুন, ২০২৬
বর্তমান / বিদেশ

পণবন্দি নেপালি পড়ুয়ার দেহ ফেরত পাঠাল হামাস, শোকের ছায়া পরিবারে

২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর। ইজরায়েলে হামলা চালিয়ে বহু মানুষকে পণবন্দি করে নিয়ে যায় হামাস। তাঁদের মধ্যে ছিলেন নেপালের পড়ুয়া বিপিন যোশি।

পণবন্দি নেপালি পড়ুয়ার দেহ ফেরত পাঠাল হামাস, শোকের ছায়া পরিবারে
  • ১৫ অক্টোবর, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

তেল আভিভ: ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর। ইজরায়েলে হামলা চালিয়ে বহু মানুষকে পণবন্দি করে নিয়ে যায় হামাস। তাঁদের মধ্যে ছিলেন নেপালের পড়ুয়া বিপিন যোশি। শান্তি চুক্তি অনুযায়ী সোমবার ২০ জন পণবন্দিকে ইজরায়েলে ফেরত পাঠায় প্যালেস্তাইনের সশস্ত্র গোষ্ঠী। সঙ্গে ফেরে বিপিন সহ চারজনের নিথর দেহ। বিপিনের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছেন ইজরায়েলে নিযুক্ত নেপালের রাষ্ট্রদূত ধান প্রসাদ পণ্ডিত। এব্যাপারে ইজরায়েলি সেনার মুখপাত্র এফি ডেফ্রিন  জানিয়েছেন, ডিএনএ পরীক্ষার পর বিপিনের দেহ নেপালে ফেরত পাঠানো হবে। দীর্ঘ উৎকণ্ঠার পর বিপিনের মত্যুর খবরে শোকের ছায়া নেমে এসেছে পরিবারে। 

Advertisement

২০২৩ সালের সেপ্টেম্বরে ইজরায়েলে পৌঁছেছিলেন বিপিন। গাজা লাগোয়া কিবুৎজ আলুমিমে আরও ১৬ জন পড়ুয়ার সঙ্গে কৃষি সংক্রান্ত বিষয়ে গবেষণা করতে গিয়েছিলেন তিনি। কিন্তু ওই বছরের ৭ অক্টোবর ইজরায়েলে হামলা চালায় হামাস। অন্যান্য পড়ুয়াদের সঙ্গে একটি বাঙ্কারে আশ্রয় নেন বিপিন। কিন্ত সেখানে হামাসের ছোড়া গ্রেনেড বিস্ফোরণে বহু পড়ুয়া আহত হন। ফাটার আগে একটি সক্রিয় গ্রেনেড হাতে তুলে বাইরে ছুড়ে দেন বিপিন। ফলে অনেকে প্রাণে বেঁচে যান। কিন্তু  জখম বিপিনকে গাজায় নিয়ে যায় হামাসের হানাদার দল। 
পরে বিপিনের একটি ভিডিও প্রকাশ্যে আনে ইজরায়েলি সেনা। সেখানে তাঁকে টানতে টানতে গাজার শিফা হাসপাতালে নিয়ে যেতে দেখা যায়। সেটাই ছিল বিপিনের শেষ ছবি। ছেলেকে ফেরত পেতে দু’বছর ধরে একাধিকবার কাঠমাণ্ডু, ইজরায়েল-এমনকী আমেরিকাতেও পাড়ি দিয়েছেন বিপিনের মা। সঙ্গে মেয়ে পুষ্প। কিন্তু তাতে কোনও কাজ হয়নি। 

সম্পর্কিত সংবাদ