জেরুজালেম, ২৩ মার্চ: সবে তো শুরু, গাজায় হামলা প্রসঙ্গে বলতে গিয়ে চারদিন আগে এমনটাই মন্তব্য করেন ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু। তারপরেই আশঙ্কার কালো মেঘ দেখা দিতে থাকে গাজার উপরে। কারণ নেতানিয়াহুর মন্তব্যের অর্থ কী তা ধীরে ধীরে বোঝাচ্ছে ইজরায়েলি সেনা। গাজাজুড়ে বোমা বর্ষণ, এয়ারস্ট্রাইক, স্থলভাগে অভিযান সবটাই আরও জোরকদমে শুরু করেছে তেল আবিব। প্রথম দফার যুদ্ধবিরতি চুক্তি শেষ হতেই হামলার তীব্রতা বাড়িয়েছে ইজরায়েল। সূত্রের খবর, তাঁদের লক্ষ্য একটাই, হামাসের সামরিক ও প্রশাসনিক অস্তিত্বকে দুরমুশ করে দেওয়া। আর সেই লক্ষ্যেই নেমেছে ইজরায়েলি সেনা।
গত মঙ্গলবার থেকে গাজার বিভিন্ন প্রান্তে লাগাতার হামলা চালাচ্ছে তাঁরা। আর সেই হামলার জেরে সস্ত্রীক মৃত্যু হয়েছে হামাসের রাজনৈতিক নেতা সালাহ-আল-বারদাওয়েলের। গাজার দক্ষিণপ্রান্তে খান ইউনিসে মৃত্যু হয়েছে তাঁর। আজ, রবিবার সকালে এমনটাই জানিয়েছে একাধিক আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম। হামাস সূত্রে খবর, সালাহ-আল-বারদাওয়েলের বাড়িতে এয়ারস্ট্রাইক করে ইজরায়েলি সেনা। সেই হামলার জেরেই সস্ত্রীক মৃত্যু হয়েছে তাঁর। গত মঙ্গলবার তেল আবিবের হামলায় মৃত্যু হয়েছে গাজায় হামাস প্রশাসনের একাধিক উচ্চপদস্থ আধিকারিক ও মন্ত্রীর। তারপরেও হামলার গতি থামায়নি তেল আবিব। এদিকে হামাসের হাতে এখনও পণবন্দি রয়েছে বহু ইজরায়েলি।
তাঁদের শেষ করে দেওয়ার প্রচ্ছন্ন হুমকিও দিয়েছে হামাস। কিন্তু তাতে পরোয়া না করেই লাগাতার গাজায় হামলা চালাচ্ছে ইজরায়েল। এই অবস্থায় হামাসের সঙ্গে দ্বিতীয় দফার যুদ্ধবিরতিতে তেল আবিব যাবে কিনা সেই বিষয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেছেন বিশেষজ্ঞরা।