Bartaman Logo
৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

স্নাতকোত্তরে অর্ধেক আসন ফাঁকা রয়েছে, ফের ভর্তির বিজ্ঞাপন আজ

যে বিশ্ববিদ্যালয় একসময় ছাত্রছাত্রীদের ভিড়ে গমগম করত সেখানে এখন আসন সংখ্যা পূরণ করাই দুষ্কর হয়ে দাঁড়িয়েছে

স্নাতকোত্তরে অর্ধেক আসন ফাঁকা রয়েছে, ফের ভর্তির বিজ্ঞাপন আজ
  • ৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

সুকান্ত গঙ্গোপাধ্যায়, শিলিগুড়ি: যে বিশ্ববিদ্যালয় একসময় ছাত্রছাত্রীদের ভিড়ে গমগম করত সেখানে এখন আসন সংখ্যা পূরণ করাই দুষ্কর হয়ে দাঁড়িয়েছে। চলতি শিক্ষাবর্ষে স্নাতকোত্তর স্তরের প্রথম সেমেস্টারে ভর্তির বৃহস্পতিবারই ছিল শেষ দিন। বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নাতকোত্তর বিভাগে ৩৪টি বিভাগে প্রায় এক হাজার আসন রয়েছে। এদিন ভর্তি প্রক্রিয়া শেষ হওয়ার পর দেখা গিয়েছে সেই এক হাজার আসনের মধ্যে প্রায় ৫০০ আসনে ছাত্রছাত্রী ভর্তি হয়েছেন। বাকি অর্ধেক আসন খালি পড়ে রয়েছে। এই আবহে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ আজ, শুক্রবার আবার ভর্তির জন্য বিজ্ঞাপন প্রকাশ করবে। যাতে আরও ছাত্রছাত্রী ওই খালি আসনগুলিতে ভর্তি হতে পারেন। 

Advertisement

গত ৩০ মাস ধরে বিশ্ববিদ্যালয়ে উপাচার্য নেই। বিশ্ববিদ্যালয়ে একশোজন শিক্ষক কম রয়েছেন। এই পরিস্থিতিতে কোনোমতে বিশ্ববিদ্যালয়ের পঠনপাঠন চলছে। তারমধ্যে ছাত্রছাত্রী ভর্তির সংখ্যা অর্ধেকে নেমে যাওয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের করুণ অবস্থাই সামনে আসছে। 
উত্তরবঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের যুগ্ম রেজিস্ট্রার স্বপন রক্ষিত বলেন, এদিন স্নাতকোত্তর স্তরে ভর্তির শেষ দিনছিল। তাতে প্রায় ৫০০ ছাত্রছাত্রী ভর্তি হয়েছে। আরও প্রায় ৫০০ আসন খালি পড়ে আছে। তাই আমরা শুক্রবার আবার ছাত্র ভর্তির জন্য বিজ্ঞাপন দেব। যাতে আরও কিছুদিন ছাত্রছাত্রীরা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়ার সুযোগ পায়। 
বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গিয়েছে, একটা সময় ছিল যখন উত্তরবঙ্গে শিক্ষার প্রাণকেন্দ্র হিসাবে উত্তরবঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়কে মনে করা হত। উত্তরের জেলা তো বটেই, দক্ষিণের অনেক জেলা থেকেও ছাত্রছাত্রী এখানে পড়তে আসতেন। ২০১১-’১২ সাল নাগাদও বিশ্ববিদ্যালয়ে সব মিলিয়ে চার হাজার ছাত্রছাত্রী ছিলেন। কিন্তু, এখন সেই সংখ্যা কার্যত তলানিতে ঠেকেছে। এবার ভর্তির বিজ্ঞাপন বের হওয়ার পর থেকেই আবেদনের সংখ্যা খুব ছিল। কিছু কিছু বিভাগে আসন সংখ্যার থেকে আবেদনই কম পড়েছিল। তখন থেকেই আশঙ্কা ছিল যে বিশ্ববিদ্যালয়ে এবার ছাত্র ভর্তির সংখ্যা কম হবে। সেই আশঙ্কাই শেষ পর্যন্ত ঠিক হল। ভর্তির নির্ধারিত দিন শেষ হতেই দেখা গেল অর্ধেক আসন পূরণ হয়েছে। বাকি অর্ধেক আসন ফাঁকা। এই পরিস্থিতি থেকে কীভাবে বিশ্ববিদ্যালয়কে আগের গরিমায় ফিরিয়ে নিয়ে আসা সম্ভব তা নিয়েও চিন্তায় রয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। কিন্তু, সঠিক কোনো উপায়ও তাদের জানা নেই। 

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ