Bartaman Logo
২৫ আগস্ট, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

‘হালাল’ নাকি ‘ঝটকা’? খাদ্যপণ্যে স্বচ্ছতার দাবিতে সরব হিন্দু সংগঠন

বাজারে বিক্রি হওয়া মাংস বা অন্যান্য খাদ্যসামগ্রী ‘হালাল’ নাকি ‘ঝটকা’, খাবারের প্যাকেটে ও দোকানের সাইনবোর্ডে তা স্পষ্টভাবে উল্লেখ করতে হবে।

‘হালাল’ নাকি ‘ঝটকা’? খাদ্যপণ্যে স্বচ্ছতার দাবিতে সরব হিন্দু সংগঠন
  • ৩০ জুন, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, দুর্গাপুর : বাজারে বিক্রি হওয়া মাংস বা অন্যান্য খাদ্যসামগ্রী ‘হালাল’ নাকি ‘ঝটকা’, খাবারের প্যাকেটে ও দোকানের সাইনবোর্ডে তা স্পষ্টভাবে উল্লেখ করতে হবে। খাদ্যপণ্য ক্রয়ের ক্ষেত্রে সাধারণ মানুষের পছন্দের অধিকার এবং ধর্মীয় ভাবাবেগ বজায় রাখার দাবিতে এবার সরব হল ‘ধর্মচক্র’ নামের এক হিন্দু সংগঠন। রবিবার রাতে দুর্গাপুরের কনিষ্ক এলাকায় এক সাংবাদিক বৈঠক করে এই দাবি তুলে ওই সংগঠনের তরফে সাফ জানানো হয়, ক্রেতাদের নিজেদের বিশ্বাস ও প্রয়োজন অনুযায়ী খাদ্য বেছে নেওয়ার পূর্ণ স্বাধীনতা রয়েছে। তাই এটি করা অত্যন্ত আবশ্যক। এদিন সংগঠনের শীর্ষ নেতা দীপ ঘোষ  জানান, হিন্দুরা ঝটকা মাংস খান এবং মুসলিমরা হালাল। এটা ধর্মীয় বিশ্বাস। অথচ দোকানে ঢুকে ক্রেতা জানতেই পারেন না তাকে কী খাওয়ানো হচ্ছে! বিশেষ করে বিরিয়ানির মতো জনপ্রিয় খাবারে ব্যবহৃত মাংসের উৎস কী, তা সম্পর্কে ক্রেতাদের সম্যক ধারণা থাকা উচিত। তাই বিভ্রান্তি এড়াতে বড়ো ফুড চেইন থেকে শুরু করে সাধারণ খাবারের দোকান , সব জায়গায় সাইনবোর্ডে মাংসের প্রকার বড়ো বড়ো হরফে স্পষ্ট করে লেখা বাধ্যতামূলক হওয়া উচিত।

Advertisement

শুধু তাই নয়, প্রকাশ্যে মাংস কাটা ও ঝুলিয়ে রাখার তীব্র বিরোধিতা করে সংগঠনের তরফে জানান হয়, রাস্তার ধারে মাংস ঝুলিয়ে রাখলে বহু মানুষের ধর্মীয় ও সামাজিক ভাবাবেগে আঘাত লাগতে পারে। এ বন্ধ হওয়া উচিত। এর পাশাপাশি মন্দিরের পবিত্রতা অক্ষুণ্ণ  রাখতে মন্দিরের ১০০ মিটারের মধ্যে সব মাংসের দোকান বন্ধ করারও দাবি তোলা হয়। সংগঠনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সাধারণ মানুষের সচেতনতা বাড়াতে এবং প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে শীঘ্রই প্রথমে সব দোকান ও ফুড চেইনে লিখিত অনুরোধ জানানো হবে এবং সরকারের কাছে স্মারকলিপি জমা দেওয়া হবে। দাবিপূরণ না হলে প্রথমে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে, অন্যথায় বৃহত্তর আন্দোলনের পথে নামারও হুঁশিয়ারি দিয়েছে ওই সংগঠনটি।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ