


প্রিয়ব্রত দত্ত: আলো-আঁধারি। আরও স্পষ্ট করে বললে, একটা সাদা-কালোর জগতে নিজেকে কোথাও রহস্যময়তায় মুড়ে রাখতেন গুরু দত্ত। এই ছায়াচ্ছন্ন রোমান্টিসিজম থেকেই তাঁর ছবিতে কাব্যময়তার স্পর্শকাতরতা। সদ্য স্বাধীনোত্তর ভারতবর্ষের সামাজিক হিপোক্রেসিকে তাই পর্দায় তুলে ধরতে পেরেছিলেন অবলীলায়। এক নতুন ভারতবর্ষের যন্ত্রণা, হতাশা, অতৃপ্তিকে চিত্রায়িত করেছেন নির্দ্বিধায়। এ বছরের চলচ্চিত্র উৎসবে শ্রদ্ধা নিবেদন করা হচ্ছে গুরু দত্তকে। ১৯৫০ ও ১৯৬০-এর দশকে ধ্রুপদী চলচ্চিত্র পরিচালক, প্রযোজক ও অভিনেতাকে নিয়ে আলোচনায় উঠে এল ভারতীয় সিনেমার এক অমীমাংসিত অধ্যায়ের নানা তথ্য। ‘পিয়াসা’, ‘কাগজ কে ফুল’, ‘সাহেব বিবি অউর গুলাম’-এর মতো ছবির নির্মাতার সিনেমা দর্শন, ব্যক্তি জীবন, সমাজ দর্শন অভাবনীয়। ভারতীয় ছবির গতি প্রকৃতিতে গুরু দত্তর প্রভাব নিয়ে রবিবার বিকেলে শিশির মঞ্চে আলোচনা করলেন মৈনাক বিশ্বাস, সোমা এ চট্টোপাধ্যায়, রমেশ শর্মা, রশ্মিলা ভট্টাচার্য ও সত্যা শরণ।