Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

চাষিদের সাপের ছোবল থেকে বাঁচাতে ‘আতমা’ প্রকল্পে গামবুট

চাষের কাজ করার সময় সাপের ছোবল থেকে বাঁচতে এবার প্রথম বিনামূল্যে গামবুট পেলেন কৃষকরা

চাষিদের সাপের ছোবল থেকে বাঁচাতে ‘আতমা’ প্রকল্পে গামবুট
  • ১২ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, বিষ্ণুপুর: চাষের কাজ করার সময় সাপের ছোবল থেকে বাঁচতে এবার প্রথম বিনামূল্যে গামবুট পেলেন কৃষকরা। বিষ্ণুপুরের ‘আতমা’ কমিটির তরফে বৃহস্পতিবার মহকুমা কৃষিদপ্তরে এক অনুষ্ঠানে ওই গামবুট দেওয়া হয়। সেখানে কৃষিদপ্তরের বাঁকুড়া জেলার ডেপুটি ডিরেক্টর দেবকুমার সরকার, আতমা কমিটির বিষ্ণুপুর ব্লক চেয়ারম্যান অম্বিকা বসাক, বিষ্ণুপুর পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি রেখা বাউরি সহ উদ্যানপালন, প্রাণীসম্পদ ও মৎস্য বিভাগের আধিকারিকরা উপস্থিত ছিলেন। গামবুটের পাশাপাশি ‌১২মাস ফল ধরে এমন কাঁঠালগাছের চারা, মাছ ধরার জাল, হাঁড়ি, মাছের খাবার, কীটনাশক, স্প্রে করার যন্ত্র, চুন প্রভৃতি দেওয়া হয়েছে।

Advertisement

অম্বিকাবাবু বলেন, আগে রাজ্য সরকারের বিভিন্ন দপ্তরের তরফে আলাদাভাবে এসমস্ত সামগ্রী চাষিদের দেওয়া হতো। এবারই প্রথম আতমা প্রকল্পের মাধ্যমে উপভোক্তাদের একসঙ্গে বিভিন্ন দপ্তরের সুবিধা দেওয়া হচ্ছে। এখন মাঠে কাজ করতে গিয়ে সাপের ছোবলে মৃত্যুর ঘটনা আকছার ঘটছে। এনিয়ে চাষিরা আতঙ্কিত। তাই আতমা কমিটির তরফে গামবুট দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। আগামী দিনে বিভিন্ন প্রকল্পের মাধ্যমে অন্য চাষিদেরও গামবুট দেওয়া হবে। দেবকুমারবাবু বলেন, সরকারের তরফে পাওয়া সরঞ্জাম চাষিদের যত্ন করে রাখার পাশাপাশি সঠিকভাবে ব্যবহার করতে হবে।
এদিনের অনুষ্ঠানে বিষ্ণুপুর ব্লকের বিভিন্ন পঞ্চায়েতের ৩৬জন চাষিকে গামবুট, স্প্রে করার যন্ত্র, গ্লাভস, মাস্ক দেওয়া হয়। এছাড়া, ১৮জনকে হাঁড়ি, জাল, চুন, মাছের খাবার দেওয়া হয়েছে। ১৮জনকে কাঁঠালগাছের চারা বিতরণ করা হয়।
বিষ্ণুপুর ব্লকের বেনাবাঁদির বাসিন্দা সঞ্জয় কোলে, লোখেশোলের শিবপ্রসাদ সাউ বলেন, সাপের উৎপাতে মাঠে যেতেই ভয় লাগে। বিশেষ করে ধানের জমিতে কীটনাশক স্প্রে করার সময় মাটির দিকে তাকানোর তেমন সুযোগ থাকে না। ভয়ে ভয়েই কাজ করতে হয়। বিনামূল্যে গামবুট পাওয়ায় খুব সুবিধা হল। এবার নিশ্চিন্তে মাঠে কাজ করা যাবে। 

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ