গান্ধীনগর: নির্বাচনি ময়দানে সেভাবে অস্তিত্ব নেই। দৌড় শুধু খাতায়-কলমে। গুজরাত থেকে নির্বাচন কমিশনে নথিভুক্ত এমনই অখ্যাত ছ’টি ‘রেজিস্টার্ড আনরেকগনাইজড পলিটিক্যাল পার্টি’র ভাঁড়ারে ২০২৩-২৪ অর্থবর্ষে জমা পড়েছে ১ হাজার ৭০০ কোটি টাকার অনুদান। সম্প্রতি এনিয়ে এক সংবাদমাধ্যমের রিপোর্টে দেশজুড়ে তোলপাড় শুরু হয়েছে। এরপরই আর্থিক তছরুপের অভিযোগ তুলে মোদি সরকারের বিরুদ্ধে সরব হয়েছে বিরোধীরা। রবিবার সরব হয়েছে হাত শিবিরও।গুজরাত কংগ্রেসের সভাপতি অমিত ছাবড়া বলেন, ‘অবিলম্বে সিট গঠন করে বিষয়টির তদন্ত করতে হবে।’ তাঁর ইঙ্গিত, তদন্ত হলেই বিজেপির শীর্ষনেতাদের নামও বেরিয়ে আসবে।
২০২৩-২৪ অর্থবর্ষে অনুদানের মাপকাঠিতে আম জনমত পার্টি নামে একটি দল একাই কংগ্রেসকে পিছনে ফেলে দিয়েছে। তারপরই জোর চর্চা শুরু হয়েছে। তা নিয়ে এদিন এক সাংবাদিক বৈঠকে ছাবড়া বলেন, ‘২০২৩-২৪ সালে এই দলগুলির প্রাপ্ত অনুদান বিজেপি বাদে সমস্ত জাতীয় রাজনৈতিক দলের থেকে বেশি। অথচ দলগুলি একটি বা দু’টি আসনে লড়াই করেছে। আসলে এটি দুর্নীতির মোদি মডেল। মোদিজি বলেন, তিনি নিজেও টাকা নেবেন না। অন্যকেও নিতে দেবেন না। কিন্তু বাস্তবটা আলাদা। তিনি আসলে কোটির নীচে কোনো লেনদেন করেন না। দলগুলির ঠিকানা, অফিস কোনো কিছুর ঠিক নেই। অথচ অ্যাকাউন্টে কোটি কোটি টাকা উপচে পড়ছে। খরচ কয়েক লক্ষ। আসলে বিজেপির সঙ্গে যুক্ত লোকজনই এই টাকা ব্যবহার করছে। তাই তদন্ত প্রয়োজন।’