আমেদাবাদ: শেষ ওভারে জয়ের জন্য গুজরাত টাইটান্সের প্রয়োজন ছিল ১০ রান। বোলার মিচেল স্টার্ক, যিনি গত ম্যাচেই রাজস্থানের বিরুদ্ধে অন্তিম ওভারে মাত্র ৯ রান ডিফেন্ড করেছিলেন। শনিবারও অজি তারকা পেসারকে ঘিরে আশায় বুক বেঁধেছিলেন দিল্লি ক্যাপিটালসের অনুরাগীরা। কিন্তু প্রতিদিন তো আর নাটকীয় সাফল্য মেলে না! স্টার্কের প্রথম দু’টি ডেলিভারিতেই ছক্কা ও চার হাঁকিয়ে গুজরাত টাইটান্সকে রুদ্ধশ্বাস জয় এনে দেন রাহুল তেওয়াটিয়া। তবে ম্যাচের নায়ক জস বাটলারই। ৫৪ বলে দায়িত্বশীল অপরাজিত ৯৭ রানের ইনিংসে দলকে পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষে পৌঁছে দিলেন ইংরেজ তারকা। ২০৪ রান তাড়া করে ৭ উইকেটে জিতল গুজরাত। ৭ ম্যাচে তাদের সংগ্রহ ১০ পয়েন্ট। সমসংখ্যক ম্যাচে সমান পয়েন্ট থাকা সত্ত্বেও রানরেটের অঙ্কে দ্বিতীয় স্থানে নেমে গেল দিল্লি।
টস হেরে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে দিল্লি তুলেছিল ৮ উইকেটে ২০৩। শুরুতে ঝড় তুলেছিলেন অভিষেক পোড়েল। মাত্র ৯ বলে ১৮ রানের পর মনে হচ্ছিল বড় রানের ইনিংস খেলবেন বাংলার তরুণ তুর্কি। কিন্তু তাঁর ইনিংসে দাঁড়ি টানলেন আরশাদ খান। তবে করুণ নায়ার (৩১), কেএল রাহুল (২৮), অক্ষর প্যাটেল (৩৯), ট্রিস্টান স্টাবসরা (৩১) কমবেশি অবদান রেখে স্কোরবোর্ড এগিয়ে নিয়ে যান। শেষদিকে আশুতোষ শর্মার ৩৭ রানের ঝোড়ো ইনিংসে ভর করে দুশোর গণ্ডি টপকায় দিল্লি। গুজরাতের সফলতম বোলার প্রসিদ্ধ কৃষ্ণ একাই নেন চারটি উইকেট।
জবাবে রান তাড়া করতে নেমে শুরুতেই রান আউট হন গুজরাত অধিনায়ক গিল (৭)। তবে সুদর্শনকে সঙ্গে নিয়ে প্রাথমিক এই ধাক্কা সামলে দেন তিনে নামা বাটলার। ২১ বলে ৩৬ রান করে সুদর্শন আউট হলেও বাটলার থামেননি। ৩২ বলে অর্ধশতরানের পর আরও ভয়ঙ্কর দেখাচ্ছিল তাঁকে। তাঁর ৯৭ রানের ইনিংস সাজানো ছিল ১১টি চার ও ৪টি ছক্কায়। এছাড়া ৪৩ রান করেন রাদারফোর্ড। তিনি আউট হওয়ার পর আরও মারমুখী হয়ে ওঠেন বাটলার। শেষ ওভারে প্রথম দুই বলে তেওয়াটিয়া ম্যাচ শেষ না করলে সেঞ্চুরিও পেতে পারতেন তিনি। এদিকে, আমেদাবাদে এদিন তাপমাত্রা ছিল প্রায় ৪১ ডিগ্রি সেলসিয়াস। তীব্র গরমে ইশান্ত শর্মা সহ একাধিক ক্রিকেটার অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন।