নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: ঢাকুরিয়ার ঝিলপাড় রোডে দুঃসাহসিক ছিনতাইয়ের কিনারা করল লালবাজার। সোমবার গভীর রাতে দক্ষিণ ২৪ পরগনার বাসন্তী থেকে অভিযুক্ত তিন যুবককে আটক করে গোয়েন্দা বিভাগের গুণ্ডাদমন শাখা। লালবাজারে নিয়ে এসে ম্যারাথন জিজ্ঞাসাবাদের পর ঘটনার কথা স্বীকার করে তারা। এরপর মঙ্গলবার সকালে গ্রেপ্তার করা হয় তাদের। লালবাজার জানিয়েছে, ধৃতদের নাম বাপি সরকার, বাপ্পা সরকার ও অমিত মণ্ডল। রীতিমতো গ্যাং চালায় অভিযুক্তরা। খাস কলকাতায় এর আগে আরও সাতটি অভিযোগ রয়েছে এই গ্যাংয়ের বিরুদ্ধে। ধৃতদের হেফাজতে নিয়ে জেরা করছে পুলিস।
Advertisement
গত শনিবার দিনেদুপুরে ঢাকুরিয়ার ঝিলপাড় রোডে পিয়ালি দে রায় নামে এক মহিলার সোনার চেন ছিনতাই হয়। তিন যুবক বাইকে চেপে এসে পিয়ালিদেবীর পথ আটকায়। বাপি এক ঝটকায় তাঁর গলার হার ছিনতাই করে। তবে হারের কিছুটা অংশ ছিঁড়ে থেকে যায় পিয়ালিদেবীর গলায়। কিছুটা দূর যাওয়ার পর ফের ফিরে এসে হারের বাকি অংশও ছিনিয়ে নিয়ে চম্পট দেয় তারা। যাওয়ার সময় তারা হুমকি দিয়ে যায়— ‘চিৎকার করবে না। সোজা বাড়ি চলে যাও।’ ফ্ল্যাটে ফিরে তিনি পরিবারের সদস্যদের সবটা জানান। মহিলার ছেলে কর্মসূত্রে বাইরে থাকেন। তিনি ঘটনাটি জানার পর লালবাজারে ইমেল করে গোটা বিষয়টি জানান। গরফা থানায় সেই অভিযোগ পাঠিয়ে দেওয়া হয়। তার ভিত্তিতে মামলা রুজু করে তদন্তে নামে পুলিস।
তবে ঘটনাস্থলে সিসি ক্যামেরা না থাকায় ঘটনার ফুটেজ পাননি অফিসাররা। পাশাপাশি, লালবাজারের গুণ্ডাদমন শাখাও তদন্তে নামে। আশপাশের সিসি ক্যামেরার ফুটেজ ও বাইকের নম্বর প্লেটের সূত্র ধরে অভিযুক্তদের চিহ্নিত করে পুলিস। এই ঘটনা নিয়ে সাংবাদিক বৈঠকে কলকাতার সিপি মনোজ ভার্মা বলেন, বাপি ও বাপ্পা দুই ভাই। তারা নরেন্দ্রপুরের বাসিন্দা। অমিতের বাড়ি বারুইপুরে। তারা বাসন্তীতে লুকিয়ে ছিল। সেখান থেকেই তাদের কলকাতায় নিয়ে আসা হয়। ধৃতদের নামে কলকাতায় আরও কেস রয়েছে।
লালবাজার জানিয়েছে, বাপি ও বাপ্পা শহরে এর আগেও একাধিক ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটিয়েছে। মেইন রোড ছাড়া অলিগলি ছিল তাদের ছিনতাইয়ের ‘পছন্দসই’ জায়গা। কারণ গলিতে সিসি ক্যামেরার নজরদারি কম থাকে। ২০১৩ সাল থেকে দুই ভাইয়ের নামে সাতটি অভিযোগ রয়েছে। চারবার শ্রীঘরেও ঢুকেছিল তারা। লালবাজারের এক পদস্থকর্তার দাবি, বাপি ও বাপ্পা এর আগে বড়বাজার, জোড়াসাঁকো, পূর্ব যাদবপুর, রিজেন্ট পার্ক, বাঁশদ্রোণী, হরিদেবপুর ও সার্ভে পার্ক থানা এলাকায় অপারেশন চালিয়েছে। ধৃতদের জেরা করে পুলিস জেনেছে, শহরের নির্জন গলিতে হানা দেওয়াই ছিল এই গ্যাংয়ের ‘মোটো’। দূর থেকে টার্গেট নিশ্চিত করে আচমকাই অপারেশন চালাত তারা। গরফার ক্ষেত্রেও একই ঘটনা ঘটেছে। সম্প্রতি একটি পুরনো বাইক চুরি যায়। সেই বাইকে চেপেই ছিনতাই করত তারা।
তবে ঘটনাস্থলে সিসি ক্যামেরা না থাকায় ঘটনার ফুটেজ পাননি অফিসাররা। পাশাপাশি, লালবাজারের গুণ্ডাদমন শাখাও তদন্তে নামে। আশপাশের সিসি ক্যামেরার ফুটেজ ও বাইকের নম্বর প্লেটের সূত্র ধরে অভিযুক্তদের চিহ্নিত করে পুলিস। এই ঘটনা নিয়ে সাংবাদিক বৈঠকে কলকাতার সিপি মনোজ ভার্মা বলেন, বাপি ও বাপ্পা দুই ভাই। তারা নরেন্দ্রপুরের বাসিন্দা। অমিতের বাড়ি বারুইপুরে। তারা বাসন্তীতে লুকিয়ে ছিল। সেখান থেকেই তাদের কলকাতায় নিয়ে আসা হয়। ধৃতদের নামে কলকাতায় আরও কেস রয়েছে।
লালবাজার জানিয়েছে, বাপি ও বাপ্পা শহরে এর আগেও একাধিক ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটিয়েছে। মেইন রোড ছাড়া অলিগলি ছিল তাদের ছিনতাইয়ের ‘পছন্দসই’ জায়গা। কারণ গলিতে সিসি ক্যামেরার নজরদারি কম থাকে। ২০১৩ সাল থেকে দুই ভাইয়ের নামে সাতটি অভিযোগ রয়েছে। চারবার শ্রীঘরেও ঢুকেছিল তারা। লালবাজারের এক পদস্থকর্তার দাবি, বাপি ও বাপ্পা এর আগে বড়বাজার, জোড়াসাঁকো, পূর্ব যাদবপুর, রিজেন্ট পার্ক, বাঁশদ্রোণী, হরিদেবপুর ও সার্ভে পার্ক থানা এলাকায় অপারেশন চালিয়েছে। ধৃতদের জেরা করে পুলিস জেনেছে, শহরের নির্জন গলিতে হানা দেওয়াই ছিল এই গ্যাংয়ের ‘মোটো’। দূর থেকে টার্গেট নিশ্চিত করে আচমকাই অপারেশন চালাত তারা। গরফার ক্ষেত্রেও একই ঘটনা ঘটেছে। সম্প্রতি একটি পুরনো বাইক চুরি যায়। সেই বাইকে চেপেই ছিনতাই করত তারা।



