নিজস্ব প্রতিনিধি, বারাসত: একুশে বিধানসভা ভোটের আগে থেকেই বাংলার প্রতি কেন্দ্রীয় সরকারের আর্থিক বঞ্চনা শুরু হয়েছিল। সেই নির্বাচনে বাংলায় গেরুয়া শিবিরের ভরাডুবির পর আরও জটিল হয়েছে পরিস্থিতি। ১০০ দিনের কাজ থেকে আবাস যোজনা, এমনকী রাস্তা তৈরির বরাদ্দও আটকে রেখেছে মোদি সরকার। বছর ঘুরলেই পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভা নির্বাচন। ইতিমধ্যে তৃণমূল কেন্দ্রীয় বঞ্চনাকে বিজেপি-বিরোধিতার অন্যতম অস্ত্র হিসেবে তুলে ধরেছে। কেন্দ্র বঞ্চনা চালিয়ে গেলেও রাজ্যের নিজস্ব কোষাগার থেকে খরচ করে ‘বাংলার বাড়ি’, ‘কর্মশ্রী’ ‘পথশ্রী’ ইত্যাদি প্রকল্প চালাচ্ছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার।
Advertisement
এই আবহে ২০২৪-২৫ অর্থবর্ষের জন্য প্রধানমন্ত্রী গ্রামীণ সড়ক যোজনার বরাদ্দ ছাড়তে শুরু করেছে কেন্দ্রীয় পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন মন্ত্রক। উত্তর ২৪ পরগনায় এই খাতে এসেছে ১৪৫ কোটি টাকা। এই টাকায় রাস্তা তৈরির প্রক্রিয়া শুরুও করে দিয়েছে জেলা প্রশাসন। রাজনৈতিক মহলের মতে, বিধানসভা ভোটের আগে ‘নিজেদের অস্তিত্ব বাঁচাতেই’ বাংলার ন্যায্য প্রাপ্য মেটাতে শুরু করেছে দিল্লি।
বাংলাকে ‘ভাতে মারার’ প্রতিবাদে দিল্লিতে একাধিক কর্মসূচি করেছে তৃণমূল। গ্রামোন্নয়ন মন্ত্রকের মন্ত্রীর কাছে দরবারও করা হয়েছে কয়েকবার। সড়ক যোজনা, ১০০ দিনের কাজ, আবাসের ন্যায্য প্রাপ্য পেতে দেওয়ার জন্য আবেদন-নিবেদনে খামতি রাখেনি রাজ্য। কিন্তু কোনও সুরাহা হয়নি। এই অবস্থায় বাংলার মানুষের প্রতি কেন্দ্রীয় সরকারের বঞ্চনাকে বিজেপির বিরুদ্ধে জনমত গড়ে তোলার কাজে লাগায় তৃণমূল। ওয়াকিবহাল মহল মনে করে, তার সুফলও পেয়েছে জোড়াফুল শিবির। গত লোকসভায় এ রাজ্যে বিজেপির আসন সংখ্যা বেশ কিছুটা কমে যাওয়ার অন্যতম কারণ এই ধারাবাহিক বঞ্চনাই। তাই বিধানসভা নির্বাচনের আগে টাকা ছেড়ে দেওয়া বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছে তারা।
জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, এই ১৪৫ কোটি টাকায় মোট ১৯৬ কিলোমিটার রাস্তা তৈরির টেন্ডার হয়েছে। প্রশাসনের এক কর্তা বলেন, ‘জেলার পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন বিভাগ এই কাজ করবে। কাজ দ্রুত শুরু হয়ে যাবে।’ কটাক্ষ করতে ছাড়েনি তৃণমূল।
উত্তর ২৪ পরগনা জেলা পরিষদের সভাধিপতি তথা তৃণমূল বিধায়ক নারায়ণ গোস্বামী বলেন, ‘কথায় আছে, ঠেলায় না পড়লে বিড়াল গাছে ওঠে না। বাংলায় একের পর এক নির্বাচনে বিপর্যস্ত হয়ে মানুষকে বঞ্চিত করতে চেয়েছিল কেন্দ্র। এখন পরিস্থিতি বেগতিক বুঝে ওদের হুঁশ ফিরেছে বোধ হয়। কিন্তু রাস্তা থেকে বাড়ি কিংবা ১০০ দিনের কাজের বিকল্প ব্যবস্থা করে দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। কেন্দ্র টাকা না দিলে মানুষ পরিষেবা পাবে না, এমনটা মনে করে না আমাদের সরকার।’
বাংলাকে ‘ভাতে মারার’ প্রতিবাদে দিল্লিতে একাধিক কর্মসূচি করেছে তৃণমূল। গ্রামোন্নয়ন মন্ত্রকের মন্ত্রীর কাছে দরবারও করা হয়েছে কয়েকবার। সড়ক যোজনা, ১০০ দিনের কাজ, আবাসের ন্যায্য প্রাপ্য পেতে দেওয়ার জন্য আবেদন-নিবেদনে খামতি রাখেনি রাজ্য। কিন্তু কোনও সুরাহা হয়নি। এই অবস্থায় বাংলার মানুষের প্রতি কেন্দ্রীয় সরকারের বঞ্চনাকে বিজেপির বিরুদ্ধে জনমত গড়ে তোলার কাজে লাগায় তৃণমূল। ওয়াকিবহাল মহল মনে করে, তার সুফলও পেয়েছে জোড়াফুল শিবির। গত লোকসভায় এ রাজ্যে বিজেপির আসন সংখ্যা বেশ কিছুটা কমে যাওয়ার অন্যতম কারণ এই ধারাবাহিক বঞ্চনাই। তাই বিধানসভা নির্বাচনের আগে টাকা ছেড়ে দেওয়া বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছে তারা।
জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, এই ১৪৫ কোটি টাকায় মোট ১৯৬ কিলোমিটার রাস্তা তৈরির টেন্ডার হয়েছে। প্রশাসনের এক কর্তা বলেন, ‘জেলার পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন বিভাগ এই কাজ করবে। কাজ দ্রুত শুরু হয়ে যাবে।’ কটাক্ষ করতে ছাড়েনি তৃণমূল।
উত্তর ২৪ পরগনা জেলা পরিষদের সভাধিপতি তথা তৃণমূল বিধায়ক নারায়ণ গোস্বামী বলেন, ‘কথায় আছে, ঠেলায় না পড়লে বিড়াল গাছে ওঠে না। বাংলায় একের পর এক নির্বাচনে বিপর্যস্ত হয়ে মানুষকে বঞ্চিত করতে চেয়েছিল কেন্দ্র। এখন পরিস্থিতি বেগতিক বুঝে ওদের হুঁশ ফিরেছে বোধ হয়। কিন্তু রাস্তা থেকে বাড়ি কিংবা ১০০ দিনের কাজের বিকল্প ব্যবস্থা করে দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। কেন্দ্র টাকা না দিলে মানুষ পরিষেবা পাবে না, এমনটা মনে করে না আমাদের সরকার।’



