নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: বুধবার বিধানসভায় রাজ্য বাজেট পেশ করলেন অর্থমন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য। রাজ্যের বণিকমহল দাবি করল, এতে গ্রামীণ অর্থনীতি চাঙ্গা হবে। কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হবে। বাড়বে ব্যবসার পরিসরও।
Advertisement
মার্চেন্টস চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির প্রেসিডেন্ট অমিত সারোগি বলেন, রাজ্য সরকার দাবি করেছে, ২০২৪-২৫ অর্থবর্ষে রাজ্যের জিএসডিপি প্রথম অ্যাডভান্স এস্টিমেট অনুযায়ী ৬.৮ শতাংশ হারে বেড়েছে। তা জাতীয় স্তরে তা ৬.৩৭ শতাংশ। পাশাপাশি শিল্পক্ষেত্রে রাজ্যে বৃদ্ধির হার ৭.৩ শতাংশ। জাতীয় স্তরে সেই হার ৬.২ শতাংশ। রাজ্যের ওই সাফল্য প্রশংসনীয়। রাজ্য সরকার এই বাজেটে ১,৪৭৮ কোটি টাকা বরাদ্দ করেছে শিল্পের জন্য। বিদ্যুতে বরাদ্দ হয়েছে ৪,১৪২ কোটি টাকা। এটি অত্যন্ত সদর্থক পদক্ষেপ।
ভারত চেম্বার অব কমার্সের প্রেসিডেন্ট এন জি খৈতানের কথায়, এই বাজেট যেমন দীর্ঘমেয়াদে উন্নয়নের লক্ষ্যমাত্রা পূরণ করবে, তেমনই আর্থ-সামাজিক বিষয়গুলিকেও দক্ষ হাতে সামাল দিতে সমর্থ হবে। গ্রামোন্নয়ন, সামাজিক উন্নয়ন, শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতে বরাদ্দ বৃদ্ধি সমাজের সব শ্রেণির মানুষকে আরও সুষ্ঠুভাবে বেঁচে থাকার রসদ জোগাবে। এবার দক্ষতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে যথেষ্ট ভালো বরাদ্দ রাখা হয়েছে। পাশাপাশি জোর দেওয়া হয়েছে এমএসএমই ক্ষেত্রেও। এতে যুব সম্প্রদায় এগিয়ে যেতে পারবে।
বণিকসভা আইসিসি’র দাবি, ৪ শতাংশ ডিএ বৃদ্ধির ঘোষণা রাজ্য সরকারি কর্মীদের ক্রয়ক্ষমতা আরও বাড়াবে। তা দেশের অর্থনীতির উন্নয়নে সহায়ক হবে। গঙ্গাসাগর সেতু নির্মাণ, পথশ্রী প্রভৃতি প্রকল্পে যে বরাদ্দ রাখা হয়েছে, তা রাজ্যের পরিকাঠামো আরও উন্নত করবে।
সিআইআইয়ের অন্যতম কর্তা এবং প্যাটন ট্যাঙ্কের এমডি সঞ্জয় বুধিয়া দাবি করেন, বাংলার বাড়ি প্রকল্পে এবার বরাদ্দ রাখা হয়েছে ৯,৬০০ কোটি টাকা, যাতে উপকৃত হবেন ১৬ লক্ষ মানুষ। এতে তাঁদের জীবনযাত্রার মানোন্নয়নের পাশাপাশি অর্থনীতিতেও অত্যন্ত সদর্থক প্রভাব ফেলবে। গ্রামীণ যোগাযোগ ব্যবস্থা ঢেলে সাজা, নদীর কারণে ভূমিক্ষয় রোধে পদক্ষেপ গ্রামোন্নয়নের পক্ষে যথেষ্ট সহায়ক হবে।
বেঙ্গল চেম্বার অব কমার্সের বক্তব্য, অর্থমন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য দাবি করেছেন, ক্ষুদ্র, ছোট ও মাঝারি শিল্পে রাজ্য সরকার দেশে দ্বিতীয় স্থানে আছে। এবার এমএসএমই ক্ষেত্রে ১,২২৯ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। জাতীয় স্তরে বাংলার গুরুত্ব বৃদ্ধির সহায়ক হবে এই পদক্ষেপ।
ভারত চেম্বার অব কমার্সের প্রেসিডেন্ট এন জি খৈতানের কথায়, এই বাজেট যেমন দীর্ঘমেয়াদে উন্নয়নের লক্ষ্যমাত্রা পূরণ করবে, তেমনই আর্থ-সামাজিক বিষয়গুলিকেও দক্ষ হাতে সামাল দিতে সমর্থ হবে। গ্রামোন্নয়ন, সামাজিক উন্নয়ন, শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতে বরাদ্দ বৃদ্ধি সমাজের সব শ্রেণির মানুষকে আরও সুষ্ঠুভাবে বেঁচে থাকার রসদ জোগাবে। এবার দক্ষতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে যথেষ্ট ভালো বরাদ্দ রাখা হয়েছে। পাশাপাশি জোর দেওয়া হয়েছে এমএসএমই ক্ষেত্রেও। এতে যুব সম্প্রদায় এগিয়ে যেতে পারবে।
বণিকসভা আইসিসি’র দাবি, ৪ শতাংশ ডিএ বৃদ্ধির ঘোষণা রাজ্য সরকারি কর্মীদের ক্রয়ক্ষমতা আরও বাড়াবে। তা দেশের অর্থনীতির উন্নয়নে সহায়ক হবে। গঙ্গাসাগর সেতু নির্মাণ, পথশ্রী প্রভৃতি প্রকল্পে যে বরাদ্দ রাখা হয়েছে, তা রাজ্যের পরিকাঠামো আরও উন্নত করবে।
সিআইআইয়ের অন্যতম কর্তা এবং প্যাটন ট্যাঙ্কের এমডি সঞ্জয় বুধিয়া দাবি করেন, বাংলার বাড়ি প্রকল্পে এবার বরাদ্দ রাখা হয়েছে ৯,৬০০ কোটি টাকা, যাতে উপকৃত হবেন ১৬ লক্ষ মানুষ। এতে তাঁদের জীবনযাত্রার মানোন্নয়নের পাশাপাশি অর্থনীতিতেও অত্যন্ত সদর্থক প্রভাব ফেলবে। গ্রামীণ যোগাযোগ ব্যবস্থা ঢেলে সাজা, নদীর কারণে ভূমিক্ষয় রোধে পদক্ষেপ গ্রামোন্নয়নের পক্ষে যথেষ্ট সহায়ক হবে।
বেঙ্গল চেম্বার অব কমার্সের বক্তব্য, অর্থমন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য দাবি করেছেন, ক্ষুদ্র, ছোট ও মাঝারি শিল্পে রাজ্য সরকার দেশে দ্বিতীয় স্থানে আছে। এবার এমএসএমই ক্ষেত্রে ১,২২৯ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। জাতীয় স্তরে বাংলার গুরুত্ব বৃদ্ধির সহায়ক হবে এই পদক্ষেপ।



